
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া কাঠামোগত সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। একই সঙ্গে এই চুক্তি লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমঝোতা যেন কেবল কূটনৈতিক নথিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হয়। এই সমঝোতায় যেন সহিংসতার চক্র শেষ হয়ে দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এ কারণে সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে জোসেফ আউন বলেন, লেবাননের জনগণ আশা করছে, এই বোঝাপড়া বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নেবে এবং সহিংসতার পুনরাবৃত্তির অবসান ঘটিয়ে দেশটিকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নেবে।
এর আগে লেবানন সরকারের সঙ্গেও ইসরায়েলের কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘোষণার আগ পর্যন্ত ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং ব্যাপক এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পরও ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। যদি এ হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে তা ইরানের জন্য একটি ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করার শামিল হবে এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের চলমান শান্তি প্রচেষ্টাও ভেস্তে যেতে পারে।
এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, ইরানের শান্তিচুক্তিতে সম্মত হওয়ার অন্যতম শর্তই ছিল লেবাননে সংঘাতের অবসান। এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ, যারা ইরান সমর্থিত।
হিজবুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে নিরস্ত্রীকরণের আন্তর্জাতিক চাপ ও দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে। এ অবস্থায় সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েল ও দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলও ব্যাপক বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যা দুই পক্ষের সংঘাতকে আরও তীব্র করে তোলে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে আঞ্চলিক শান্তির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। কারণ সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া কাঠামোগত সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। একই সঙ্গে এই চুক্তি লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমঝোতা যেন কেবল কূটনৈতিক নথিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হয়। এই সমঝোতায় যেন সহিংসতার চক্র শেষ হয়ে দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে লেবাননের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এ কারণে সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে জোসেফ আউন বলেন, লেবাননের জনগণ আশা করছে, এই বোঝাপড়া বাস্তব পদক্ষেপে রূপ নেবে এবং সহিংসতার পুনরাবৃত্তির অবসান ঘটিয়ে দেশটিকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের পথে এগিয়ে নেবে।
এর আগে লেবানন সরকারের সঙ্গেও ইসরায়েলের কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘোষণার আগ পর্যন্ত ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং ব্যাপক এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার পরও ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। যদি এ হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে তা ইরানের জন্য একটি ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করার শামিল হবে এবং ওয়াশিংটন-তেহরানের চলমান শান্তি প্রচেষ্টাও ভেস্তে যেতে পারে।
এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, ইরানের শান্তিচুক্তিতে সম্মত হওয়ার অন্যতম শর্তই ছিল লেবাননে সংঘাতের অবসান। এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ, যারা ইরান সমর্থিত।
হিজবুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে নিরস্ত্রীকরণের আন্তর্জাতিক চাপ ও দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে। এ অবস্থায় সংগঠনটি উত্তর ইসরায়েল ও দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলও ব্যাপক বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করে, যা দুই পক্ষের সংঘাতকে আরও তীব্র করে তোলে।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে আঞ্চলিক শান্তির জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। কারণ সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে