
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতো না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) খুবই জটিল প্রকৃতির একজন মানুষ। তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তিটিকে প্রায় ভেস্তে দিয়েছিলেন।’
গতকাল রোববার ইসরায়েল ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। আজ সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। চুক্তিটির বিষয়ে ঘোষণার পরপর নিউইয়র্ক টাইমসকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তিটিকে প্রায় ভেস্তে দিতে বসেছিল। নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, এর (চুক্তি) জন্য আমাদের কাছে তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ, ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকত না।’
২৮ মিনিটের এই টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি আবার সামরিক হামলা শুরু করবেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলা ইরানকে এ চুক্তিতে রাজি হতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘ওরা (ইরান) তৃতীয় দফায় হামলা চায়নি। ওরা জীবন নিয়ে ভাবে। মূল কথা হলো, আমাদের চালানো হামলাগুলো চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিশাল প্রভাব রেখেছে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পালতা হামলা চালায় ইরান। এতে দ্রুতই পুরো অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে এবং উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে।
তবে কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তির বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই শান্তি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুক্রবার চুক্তি সইয়ের পর বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য আবারও উন্মুক্ত করা হবে।

ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকতো না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘বিবি (নেতানিয়াহুর ডাকনাম) খুবই জটিল প্রকৃতির একজন মানুষ। তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তিটিকে প্রায় ভেস্তে দিয়েছিলেন।’
গতকাল রোববার ইসরায়েল ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। আজ সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। চুক্তিটির বিষয়ে ঘোষণার পরপর নিউইয়র্ক টাইমসকে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
লেবাননে ক্রমবর্ধমান হামলা চালানোর জন্য ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তিটিকে প্রায় ভেস্তে দিতে বসেছিল। নেতানিয়াহুর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, এর (চুক্তি) জন্য আমাদের কাছে তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ, ইরানের কাছে যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, ইসরায়েল দুই ঘণ্টাও টিকত না।’
২৮ মিনিটের এই টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি আবার সামরিক হামলা শুরু করবেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমা হামলা ইরানকে এ চুক্তিতে রাজি হতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘ওরা (ইরান) তৃতীয় দফায় হামলা চায়নি। ওরা জীবন নিয়ে ভাবে। মূল কথা হলো, আমাদের চালানো হামলাগুলো চুক্তি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে বিশাল প্রভাব রেখেছে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পালতা হামলা চালায় ইরান। এতে দ্রুতই পুরো অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে এবং উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে।
তবে কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তির বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই শান্তি চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, শুক্রবার চুক্তি সইয়ের পর বিশ্ববাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের জন্য আবারও উন্মুক্ত করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে