
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ভিডিওবার্তায় এ কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ শুরুর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে পালটা জবাব দিতে শুরু করলে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে বলেও জানান স্টারমার। এর আগে তারা এ অনুমতি না দিলেও এবার তিনি বলেন, ইরান যেন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করতে না পারে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে এবং এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে যারা এই সংঘাতে জড়িত নয়, সে কারণেই আমরা এই অনুরোধ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
যুক্তরাজ্য দীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও নানা স্বার্থের সুবাদে যুক্তরাষ্ট্র বলয়ের অন্তর্ভুক্ত। স্বাভাবিকভাবেই ইরান যুদ্ধে যুক্তরাজ্যসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে।
কিয়ের স্টারমার বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় আমাদের কাছ থেকে আরও সহায়তা চেয়েছে.... সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান আকাশে রয়েছে... যেগুলো এরই মধ্যেই সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎসেই ধ্বংস করার কথা জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, হুমকি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসমুখেই ধ্বংস করা। অর্থাৎ তাদের সংরক্ষণাগারে বা যেসব লঞ্চার থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় সেখানেই ধ্বংস করে দিতে হবে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ভিডিওবার্তায় এ কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পূর্ণ মাত্রায় যুদ্ধ শুরুর পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে পালটা জবাব দিতে শুরু করলে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে বলেও জানান স্টারমার। এর আগে তারা এ অনুমতি না দিলেও এবার তিনি বলেন, ইরান যেন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে নিরীহ বেসামরিক মানুষকে হত্যা করতে না পারে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে এবং এমন দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু না করে যারা এই সংঘাতে জড়িত নয়, সে কারণেই আমরা এই অনুরোধ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
যুক্তরাজ্য দীর্ঘ দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও নানা স্বার্থের সুবাদে যুক্তরাষ্ট্র বলয়ের অন্তর্ভুক্ত। স্বাভাবিকভাবেই ইরান যুদ্ধে যুক্তরাজ্যসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়েছে।
কিয়ের স্টারমার বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদাররা নিজেদের রক্ষায় আমাদের কাছ থেকে আরও সহায়তা চেয়েছে.... সমন্বিত প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের অংশ হিসেবে আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান আকাশে রয়েছে... যেগুলো এরই মধ্যেই সফলভাবে ইরানের হামলা প্রতিহত করছে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎসেই ধ্বংস করার কথা জানিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, হুমকি বন্ধ করার একমাত্র উপায় হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের উৎসমুখেই ধ্বংস করা। অর্থাৎ তাদের সংরক্ষণাগারে বা যেসব লঞ্চার থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয় সেখানেই ধ্বংস করে দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
২ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে