
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পাকিস্তান ও ইরানের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এ সপ্তাহের শেষ দিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক আয়োজনের যে প্রচেষ্টা রয়েছে, তা নিশ্চিত করার জন্যই তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে তেহরানে পৌঁছে পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ বার্তা বহন করছে। গত শনিবার ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফা আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পাকিস্তান এখন দ্বিতীয় দফা আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই বার্তা এ আলোচনার পথ সুগম করবে।
তেহরানে আসিম মুনিরকে স্বাগত জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও এ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন।
আইআরআইবির প্রতিবেদনে আশা করা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার এ আলোচনা কয়েক দিনের মধ্যেই হতে পারে। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, এ আলোচনা হবে এ সপ্তাহের শেষ নাগাদ। ভেন্যু হবে আগের মতোই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করতে ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংকটের সমাধান আনতে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করে দুপক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসায়।
ইসলামাবাদে গত শনিবার প্রথমে দুপক্ষ আলাদা আলাদা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। পরে দুপক্ষের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠক হয় দফায় দফায়। সব মিলিয়ে প্রায় ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর মধ্যরাতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন।
ওই সময় পর্যন্ত বৈঠক নিয়ে আশাবাদ থাকলেও রোববার ভোরে মার্কিন প্রতিনিধি দলের প্রধান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শেষ পর্যন্ত দুপক্ষ কোনো সমঝোতায় আসতে পারেনি।
এরপর ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ ও তেহরানের পালটা হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর মধ্যে চীনও জড়িয়েছে এ উত্তেজনার মধ্যে। চলমান পরিস্থিতিতে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ থাকলেও এর আগেই দুপক্ষের মধ্যে ন্যূনতম সমঝোতার আশাতেই পাকিস্তান এখনো মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইরানে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পাকিস্তান ও ইরানের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এ সপ্তাহের শেষ দিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক আয়োজনের যে প্রচেষ্টা রয়েছে, তা নিশ্চিত করার জন্যই তেহরানে গেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরআইবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে তেহরানে পৌঁছে পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনা শুরুর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বাধীন এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষ বার্তা বহন করছে। গত শনিবার ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফা আলোচনা সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পাকিস্তান এখন দ্বিতীয় দফা আলোচনা আয়োজনের চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই বার্তা এ আলোচনার পথ সুগম করবে।
তেহরানে আসিম মুনিরকে স্বাগত জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভিও এ প্রতিনিধি দলে রয়েছেন।
আইআরআইবির প্রতিবেদনে আশা করা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার এ আলোচনা কয়েক দিনের মধ্যেই হতে পারে। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছিল, এ আলোচনা হবে এ সপ্তাহের শেষ নাগাদ। ভেন্যু হবে আগের মতোই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করতে ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংকটের সমাধান আনতে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করে দুপক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসায়।
ইসলামাবাদে গত শনিবার প্রথমে দুপক্ষ আলাদা আলাদা করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। পরে দুপক্ষের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠক হয় দফায় দফায়। সব মিলিয়ে প্রায় ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন বৈঠকের পর মধ্যরাতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন।
ওই সময় পর্যন্ত বৈঠক নিয়ে আশাবাদ থাকলেও রোববার ভোরে মার্কিন প্রতিনিধি দলের প্রধান ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শেষ পর্যন্ত দুপক্ষ কোনো সমঝোতায় আসতে পারেনি।
এরপর ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ ও তেহরানের পালটা হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর মধ্যে চীনও জড়িয়েছে এ উত্তেজনার মধ্যে। চলমান পরিস্থিতিতে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ থাকলেও এর আগেই দুপক্ষের মধ্যে ন্যূনতম সমঝোতার আশাতেই পাকিস্তান এখনো মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোজুড়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে এবং বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধার ও সহায়তা করতে পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা এবং অন্যান্য জরুরি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
৭ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে প্রস্তুত ইরান। এ কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এমন এক সময়ে তিনি এই বার্তা দিলেন, যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং একটি সামুদ্রিক অবরোধ দেশটির বাণিজ্যের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ফলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের ‘নিশ্চিত পরাজয়’ আর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘আধিপত্যের জয়ধ্বনি’ নিয়ে যে যুদ্ধের শুরু, ছয় মাস পর এখন ‘ইরানের জয়ধ্বনি’ আর যুক্তরাষ্ট্রের ‘নৈতিক পরাজয়ে’র দৃশ্যটিই বাস্তবসম্মত। তবে ছয় মাস পেরিয়ে এসে এখন আর ‘কে জিতল’ এই যুদ্ধের মূল জিজ্ঞাসা নয়, বরং প্রশ্ন হলো— কে কত দিন এখনক
১৮ ঘণ্টা আগে
নিখোঁজদের মধ্যে ভারতীয় ৩২০, মার্কিন ৯০, ইউক্রেনীয় ৫৫, মালয়েশীয় ৫১, অস্ট্রেলীয় ৩৯, ব্রিটিশ ৩৩ এবং কানাডীয় ২৫ নাগরিক রয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, লাটভিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও স্পেনের নাগরিকও নিখোঁজ রয়েছেন। আরও কয়েকটি দেশের নাগরিকেরও নিখোঁজ থা
১ দিন আগে