
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যৌথ সামরিক হামলা এবং ইরানের পালটা জবাবের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জল্পনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ সামরিক হামলার পর থেকে নেতানিয়াহুর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে তার মৃত্যু বা মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।
তেল আবিব এবং এর আশপাশের কৌশলগত এলাকাগুলোতে গত কয়েকদিনে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং প্রতিরোধ যোদ্ধাদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর থেকেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জনসমক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অগোচরে আছেন। এই নীরবতা ইসরায়েলের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে এক চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসির নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর আহত হয়ে থাকতে পারেন।
তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়নি, যা সাধারণ সময়ে এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রকাশ করা হয়।
এই দীর্ঘ নীরবতাকে অনেক বিশ্লেষক নেতানিয়াহুর বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতির বা এমনকি তার মৃত্যুর ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে নানা পরস্পরবিরোধী তথ্য ভেসে বেড়াচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির মৃত্যুর পর তেহরান ইসরায়েলে পালটা আঘাত শুরু করেছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও হামলা চালিয়ে জাচ্ছে ইয়ান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে নেতানিয়াহুর নিখোঁজ হওয়ার খবরটি ইসরায়েলি প্রশাসনের অভ্যন্তরে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সত্যিই যদি নেতানিয়াহুর কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে, তবে এটি ইসরায়েলি বাহিনীর মনোবল ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এক বিশাল আঘাত হিসেবে গণ্য হবে। বিশ্ববাসী এখন অপেক্ষা করছে ইসরায়েলি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট বার্তার জন্য, যা এই ঘনীভূত রহস্যের জট খুলতে সাহায্য করবে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যৌথ সামরিক হামলা এবং ইরানের পালটা জবাবের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জল্পনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ সামরিক হামলার পর থেকে নেতানিয়াহুর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে তার মৃত্যু বা মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো প্রশ্ন উঠেছে।
তেল আবিব এবং এর আশপাশের কৌশলগত এলাকাগুলোতে গত কয়েকদিনে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং প্রতিরোধ যোদ্ধাদের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর থেকেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জনসমক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অগোচরে আছেন। এই নীরবতা ইসরায়েলের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে এক চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসির নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর আহত হয়ে থাকতে পারেন।
তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়নি, যা সাধারণ সময়ে এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রকাশ করা হয়।
এই দীর্ঘ নীরবতাকে অনেক বিশ্লেষক নেতানিয়াহুর বড় ধরনের শারীরিক ক্ষতির বা এমনকি তার মৃত্যুর ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে নানা পরস্পরবিরোধী তথ্য ভেসে বেড়াচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির মৃত্যুর পর তেহরান ইসরায়েলে পালটা আঘাত শুরু করেছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও হামলা চালিয়ে জাচ্ছে ইয়ান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে নেতানিয়াহুর নিখোঁজ হওয়ার খবরটি ইসরায়েলি প্রশাসনের অভ্যন্তরে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।
সত্যিই যদি নেতানিয়াহুর কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে, তবে এটি ইসরায়েলি বাহিনীর মনোবল ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এক বিশাল আঘাত হিসেবে গণ্য হবে। বিশ্ববাসী এখন অপেক্ষা করছে ইসরায়েলি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট বার্তার জন্য, যা এই ঘনীভূত রহস্যের জট খুলতে সাহায্য করবে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন, পিস টিভিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরুর পর ২০১৬ সালে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান। পরে দেশটিতে তাকে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
বাব আল-মান্দেব বন্ধ করে দিলে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক পরিস্থিতিতে পড়তে পারে, যেখানে জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে। কিন্তু হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোও ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সত্ত্বেও অতীতে হুতিদের দমন করা যায়নি। একই সময়ে ইরানের সঙ্গে
১৮ ঘণ্টা আগে
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাত বছর পর ভারত সফরে এসেছেন। ব্রিকসকে তিনি গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের একটি ‘প্রধান জোট’ হিসেবে উল্লেখ করেন। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে স্বনির্ভরতার একটি মডেল হিসেবেও তিনি ব্রিকসকে তুলে ধরেন। তার মতে, উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়ন এগিয়ে নিতে জোটটির ভূমিকা রাখা উচিত।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে শুরু হওয়া ব্রিকস সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
২০ ঘণ্টা আগে