
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এপ্রিল মাসে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, আর বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৩ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে দেশটির শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিলেছে এবং ধারণা জোরালো হয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ আরও কিছু সময় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। রয়টার্সের খবরে এমনটাই জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম মন্ত্রণালয়ের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের (বিএলএস) বহুল আলোচিত কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিল মাসে নন-ফার্ম পে-রোলে ১ লাখ ১৫ হাজার নতুন চাকরি যোগ হয়েছে। মার্চ মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সংখ্যা সংশোধন করে ১ লাখ ৮৫ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে, যা আগে ১ লাখ ৭৮ হাজার বলা হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদরা এপ্রিল মাসে ৬২ হাজার চাকরি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তবে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসে ব্যাপক ভিন্নতা ছিল। কেউ ১৫ হাজার চাকরি কমার আশঙ্কা করেছিলেন, আবার কেউ ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন চাকরির সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রভাব এখনই শ্রমবাজারে প্রতিফলিত হওয়ার মতো সময় আসেনি। এই সংঘাতের কারণে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত অন্যান্য পণ্যের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের তথ্য ওঠানামার মধ্যে রয়েছে। কখনও চাকরি বেড়েছে, আবার কখনও কমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এর পেছনে সরকারের ব্যবহৃত ‘বার্থ-অ্যান্ড-ডেথ’ মডেলের সমন্বয় ভূমিকা রাখছে। এই মডেলের মাধ্যমে কোনো মাসে কত কোম্পানি চালু বা বন্ধ হয়েছে, তার ভিত্তিতে চাকরি সৃষ্টি বা কমার হিসাব করা হয়।
কয়েকজন বিশ্লেষক বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় নতুন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, তা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করতে হিমশিম খাচ্ছে বিএলএস। এ ছাড়া আবহাওয়াজনিত প্রভাব, ধর্মঘট, সরকারি চাকরি কমানো এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবৈধ অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপের কারণে শ্রমশক্তিতে বড় পরিবর্তন আসায় পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে বলে মত অর্থনীতিবিদদের।
তাদের পরামর্শ, শ্রমবাজারের প্রকৃত চিত্র বুঝতে মাসভিত্তিক তথ্যের বদলে তিন মাসের গড় কর্মসংস্থানের প্রবণতার দিকে নজর দেওয়া উচিত। অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার বর্তমানে 'ধীর নিয়োগ, ধীর ছাঁটাই' পরিস্থিতিতে আটকে আছে। বাণিজ্য ও অভিবাসন নীতিকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, কম অভিবাসন এবং জনসংখ্যার বার্ধক্যের কারণে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে এখন প্রতি মাসে শূন্য থেকে ৫০ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি হলেই তা যথেষ্ট। তাদের মতে, আগের বছরের তুলনায় চাকরি বৃদ্ধির ‘ব্রেকইভেন’ মাত্রা অনেক কমে যাওয়ায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও বেকারত্বের হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম।
বিএলএসের প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর আর্থিক বাজারে এমন ধারণা আরও জোরালো হয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৭ সাল পর্যন্ত সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ সীমায় অপরিবর্তিত রাখে।
রাজনীতি/আইআর

এপ্রিল মাসে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, আর বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৩ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে দেশটির শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিলেছে এবং ধারণা জোরালো হয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ আরও কিছু সময় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। রয়টার্সের খবরে এমনটাই জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম মন্ত্রণালয়ের ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের (বিএলএস) বহুল আলোচিত কর্মসংস্থান প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিল মাসে নন-ফার্ম পে-রোলে ১ লাখ ১৫ হাজার নতুন চাকরি যোগ হয়েছে। মার্চ মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সংখ্যা সংশোধন করে ১ লাখ ৮৫ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে, যা আগে ১ লাখ ৭৮ হাজার বলা হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে অংশ নেওয়া অর্থনীতিবিদরা এপ্রিল মাসে ৬২ হাজার চাকরি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তবে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসে ব্যাপক ভিন্নতা ছিল। কেউ ১৫ হাজার চাকরি কমার আশঙ্কা করেছিলেন, আবার কেউ ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন চাকরির সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রভাব এখনই শ্রমবাজারে প্রতিফলিত হওয়ার মতো সময় আসেনি। এই সংঘাতের কারণে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত অন্যান্য পণ্যের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের তথ্য ওঠানামার মধ্যে রয়েছে। কখনও চাকরি বেড়েছে, আবার কখনও কমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এর পেছনে সরকারের ব্যবহৃত ‘বার্থ-অ্যান্ড-ডেথ’ মডেলের সমন্বয় ভূমিকা রাখছে। এই মডেলের মাধ্যমে কোনো মাসে কত কোম্পানি চালু বা বন্ধ হয়েছে, তার ভিত্তিতে চাকরি সৃষ্টি বা কমার হিসাব করা হয়।
কয়েকজন বিশ্লেষক বলেন, নতুন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় নতুন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, তা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করতে হিমশিম খাচ্ছে বিএলএস। এ ছাড়া আবহাওয়াজনিত প্রভাব, ধর্মঘট, সরকারি চাকরি কমানো এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অবৈধ অভিবাসনবিরোধী কঠোর পদক্ষেপের কারণে শ্রমশক্তিতে বড় পরিবর্তন আসায় পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে উঠেছে বলে মত অর্থনীতিবিদদের।
তাদের পরামর্শ, শ্রমবাজারের প্রকৃত চিত্র বুঝতে মাসভিত্তিক তথ্যের বদলে তিন মাসের গড় কর্মসংস্থানের প্রবণতার দিকে নজর দেওয়া উচিত। অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার বর্তমানে 'ধীর নিয়োগ, ধীর ছাঁটাই' পরিস্থিতিতে আটকে আছে। বাণিজ্য ও অভিবাসন নীতিকে এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, কম অভিবাসন এবং জনসংখ্যার বার্ধক্যের কারণে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে এখন প্রতি মাসে শূন্য থেকে ৫০ হাজার নতুন চাকরি সৃষ্টি হলেই তা যথেষ্ট। তাদের মতে, আগের বছরের তুলনায় চাকরি বৃদ্ধির ‘ব্রেকইভেন’ মাত্রা অনেক কমে যাওয়ায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও বেকারত্বের হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম।
বিএলএসের প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর আর্থিক বাজারে এমন ধারণা আরও জোরালো হয়েছে যে, ফেডারেল রিজার্ভ ২০২৭ সাল পর্যন্ত সুদের হার অপরিবর্তিত রাখতে পারে। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ সীমায় অপরিবর্তিত রাখে।
রাজনীতি/আইআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে