
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আকস্মিক বায়ু নিঃসরণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এর জেরে আজ শুক্রবার স্টেশনে অবস্থানরত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের জরুরি ভিত্তিতে নিজ নিজ স্পেসক্রাফটের (মহাকাশযান) ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে জরুরি ভিত্তিতে মহাকাশ স্টেশন খালি করে পৃথিবীতে ফিরে আসার (ইভাকুয়েশন) সব ধরনের প্রস্তুতিও রাখতে বলা হয়েছে। মূলত মহাকাশ স্টেশনের রাশিয়ান অংশে এই বায়ু নিঃসরণের ঘটনাটি ঘটেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
জরুরি আশ্রয়ের নির্দেশ ও নভোচারীদের বিবরণ
নাসার পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার যাদের জরুরি এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, তারা মূলত নাসার ‘স্পেসএক্স ক্রু-১২’ মিশনের অংশ। এই দলে রয়েছেন মার্কিন নভোচারী জেসিকা মেয়ার ও জ্যাক হ্যাথাওয়ে, ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির ফরাসি নভোচারী সোফি আদান্দো এবং রাশিয়ার রসকসমসের মহাকাশচারী আন্দ্রে ফেদিয়ায়েভ। নাসার বাণিজ্যিক ক্রু প্রোগ্রামের আওতায় স্পেসএক্সের মাধ্যমে এটি তাদের ১২তম ক্রু রোটেশন মিশন।
বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তারা এই কক্ষপথের গবেষণাগারে অবস্থান করছেন। চাঁদ ও মঙ্গলে মানুষের ভবিষ্যৎ অন্বেষণ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই তারা সেখানে কাজ করছিলেন।
ক্রু-১২ মিশনের এই চার সদস্যের পাশাপাশি স্টেশনে থাকা পঞ্চম মার্কিন নভোচারী ক্রিস উইলিয়ামসকেও তাদের সঙ্গে আশ্রয় নেওয়ার এবং স্টেশন ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি লাইভ আইএসএস ট্র্যাকার অনুযায়ী, ক্রিস উইলিয়ামস ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১৯ দিনেরও বেশি সময় পার করেছেন। তার সঙ্গে স্টেশনে রাশিয়ার রসকসমসের দুই কসমোনট— সের্গেই কুদ-সভার্চকভ এবং সের্গেই মিকায়েভও রয়েছেন।
‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবে এই পদক্ষেপ
নাসার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যে বায়ু নিঃসরণের কারণে ক্রুদের এই জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা বেশ কিছু দিন ধরেই নাসার ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে শুক্রবার নতুন করে আবার লিকেজ দেখা দেওয়ায় রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা আরও বড় পরিসরে এটি মেরামতের সিদ্ধান্ত নেয়।
নাসার মুখপাত্র বেথনি স্টিভেন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানান, “জভেজদা সার্ভিস মডিউলের ট্রান্সফার টানেল— যা ‘পিআরকে’ নামে পরিচিত, সেখানে বেশ কিছু দিন ধরেই ফাটল ও বায়ু নিঃসরণের সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। এখন পর্যন্ত রসকসমস যতটা সম্ভব এটি প্রশমিত করার চেষ্টা করে এসেছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ফাটলগুলো সবসময়ই নাসার উদ্বেগের বিষয় ছিল এবং সংস্থাটি এটি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। ফাটলগুলোর মূল কারণ খুঁজে বের করতে নাসা এবং রসকসমস যৌথভাবে কাজ করছে। রসকসমস মূলত বিভিন্ন কার্যক্ষম ব্যবস্থা এবং পর্যায়ক্রমিক আংশিক মেরামতের মাধ্যমে এই সমস্যাটি সামাল দিয়ে আসছিল।
তবে আজ শুক্রবার নতুন করে নিঃসরণ ধরা পড়ায় রসকসমস আরও বড় ধরনের মেরামত কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। মুখপাত্র স্টিভেন্স জানান, মহাকাশচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবেই নাসার পক্ষ থেকে এই জরুরি আশ্রয়ের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আকস্মিক বায়ু নিঃসরণের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এর জেরে আজ শুক্রবার স্টেশনে অবস্থানরত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারীদের জরুরি ভিত্তিতে নিজ নিজ স্পেসক্রাফটের (মহাকাশযান) ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে জরুরি ভিত্তিতে মহাকাশ স্টেশন খালি করে পৃথিবীতে ফিরে আসার (ইভাকুয়েশন) সব ধরনের প্রস্তুতিও রাখতে বলা হয়েছে। মূলত মহাকাশ স্টেশনের রাশিয়ান অংশে এই বায়ু নিঃসরণের ঘটনাটি ঘটেছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
জরুরি আশ্রয়ের নির্দেশ ও নভোচারীদের বিবরণ
নাসার পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার যাদের জরুরি এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, তারা মূলত নাসার ‘স্পেসএক্স ক্রু-১২’ মিশনের অংশ। এই দলে রয়েছেন মার্কিন নভোচারী জেসিকা মেয়ার ও জ্যাক হ্যাথাওয়ে, ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির ফরাসি নভোচারী সোফি আদান্দো এবং রাশিয়ার রসকসমসের মহাকাশচারী আন্দ্রে ফেদিয়ায়েভ। নাসার বাণিজ্যিক ক্রু প্রোগ্রামের আওতায় স্পেসএক্সের মাধ্যমে এটি তাদের ১২তম ক্রু রোটেশন মিশন।
বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তারা এই কক্ষপথের গবেষণাগারে অবস্থান করছেন। চাঁদ ও মঙ্গলে মানুষের ভবিষ্যৎ অন্বেষণ অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই তারা সেখানে কাজ করছিলেন।
ক্রু-১২ মিশনের এই চার সদস্যের পাশাপাশি স্টেশনে থাকা পঞ্চম মার্কিন নভোচারী ক্রিস উইলিয়ামসকেও তাদের সঙ্গে আশ্রয় নেওয়ার এবং স্টেশন ছাড়ার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি লাইভ আইএসএস ট্র্যাকার অনুযায়ী, ক্রিস উইলিয়ামস ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১৯ দিনেরও বেশি সময় পার করেছেন। তার সঙ্গে স্টেশনে রাশিয়ার রসকসমসের দুই কসমোনট— সের্গেই কুদ-সভার্চকভ এবং সের্গেই মিকায়েভও রয়েছেন।
‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবে এই পদক্ষেপ
নাসার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যে বায়ু নিঃসরণের কারণে ক্রুদের এই জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা বেশ কিছু দিন ধরেই নাসার ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে শুক্রবার নতুন করে আবার লিকেজ দেখা দেওয়ায় রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থা আরও বড় পরিসরে এটি মেরামতের সিদ্ধান্ত নেয়।
নাসার মুখপাত্র বেথনি স্টিভেন্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে জানান, “জভেজদা সার্ভিস মডিউলের ট্রান্সফার টানেল— যা ‘পিআরকে’ নামে পরিচিত, সেখানে বেশ কিছু দিন ধরেই ফাটল ও বায়ু নিঃসরণের সমস্যা দেখা যাচ্ছিল। এখন পর্যন্ত রসকসমস যতটা সম্ভব এটি প্রশমিত করার চেষ্টা করে এসেছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ফাটলগুলো সবসময়ই নাসার উদ্বেগের বিষয় ছিল এবং সংস্থাটি এটি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছে। ফাটলগুলোর মূল কারণ খুঁজে বের করতে নাসা এবং রসকসমস যৌথভাবে কাজ করছে। রসকসমস মূলত বিভিন্ন কার্যক্ষম ব্যবস্থা এবং পর্যায়ক্রমিক আংশিক মেরামতের মাধ্যমে এই সমস্যাটি সামাল দিয়ে আসছিল।
তবে আজ শুক্রবার নতুন করে নিঃসরণ ধরা পড়ায় রসকসমস আরও বড় ধরনের মেরামত কাজ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। মুখপাত্র স্টিভেন্স জানান, মহাকাশচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ‘অতিরিক্ত সতর্কতা’ হিসেবেই নাসার পক্ষ থেকে এই জরুরি আশ্রয়ের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২০ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
২০ ঘণ্টা আগে