
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে আবারো যুদ্ধের দামামা বাজতে শুরু করেছে। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় বড় ধরনের হামলা চালানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসরায়েল; এখন কেবল হোয়াইট হাউজের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
বুধবার রাতে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এবং ইসরাইলি গণমাধ্যম 'কান'-এর বরাতে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে 'সবুজ সংকেত' পেলেই যেকোনো মুহূর্তে শুরু হতে পারে এই অভিযান।
পেন্টাগন ইতিমধ্যে অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে, অন্যদিকে ইরানও তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। কূটনীতি না কি সংঘাত—বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।
ইরানে হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। সব ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ এ হামলা হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বিভিন্ন সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য-হামলা নয়, ইরানকে হুমকি-ধমকি দিয়ে চুক্তিতে বসানোয় ট্রাম্পের আসল উদ্দেশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপের পর ইরানের পারমাণবিক শক্তি প্রধান মোহাম্মদ এসলামী বলেছেন, কোনো দেশই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে পারমাণবিক সমৃদ্ধির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। বৃহস্পতিবার এসলামী বলেছেন, ‘পারমাণবিক শিল্পের মূল ভিত্তি হলো সমৃদ্ধি। পারমাণবিক প্রক্রিয়ায় যা করতে চান, তার জন্য আপনাকে পারমাণবিক জ্বালানি প্রয়োজন’।
সূত্রমতে, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। বুধবারও ২৪ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যে ৫০ মার্কিন যুদ্ধবিমান পৌঁছানোর খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউজকে জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনী যে কোনো মুহূর্তে অভিযানের জন্য প্রস্তুত। ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো কংক্রিট ও মাটি দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি দিচ্ছেন।
বুধবারও হোয়াইট হাউজের ‘সিচুয়েশন রুমে’ জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। এর আগে জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে হওয়া পরোক্ষ আলোচনার বিষয়ে তাকে ব্রিফ করেন। জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান আসেনি।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, কূটনীতিই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ। তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি দৈনিক ইয়েডিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বিভিন্ন উদ্ধার-সংস্থা ও হোম ফ্রন্ট কমান্ডকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
পত্রিকাটি আরও বলেছে, ইসরাইলের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থায় ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। ইসরাইলি সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, ইরান ইস্যু নিয়ে বৃহস্পতিবার (ডাকা নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকটি হঠাৎ স্থগিত করে আগামী রোববার নেওয়া হয়েছে। তবে এর কারণ জানানো হয়নি।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, এবারের হামলা হবে অনেক বড়। যা কয়েক সপ্তাহব্যাপী চলবে। গত মাসে ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র যে নির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছিল, ইরানের হামলা এমন হবে না। এটি হবে ব্যাপক ও বিস্তৃত।

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে আবারো যুদ্ধের দামামা বাজতে শুরু করেছে। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় বড় ধরনের হামলা চালানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসরায়েল; এখন কেবল হোয়াইট হাউজের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা।
বুধবার রাতে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এবং ইসরাইলি গণমাধ্যম 'কান'-এর বরাতে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে 'সবুজ সংকেত' পেলেই যেকোনো মুহূর্তে শুরু হতে পারে এই অভিযান।
পেন্টাগন ইতিমধ্যে অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে, অন্যদিকে ইরানও তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। কূটনীতি না কি সংঘাত—বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে ট্রাম্পের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।
ইরানে হামলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। সব ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ এ হামলা হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বিভিন্ন সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য-হামলা নয়, ইরানকে হুমকি-ধমকি দিয়ে চুক্তিতে বসানোয় ট্রাম্পের আসল উদ্দেশ্য।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপের পর ইরানের পারমাণবিক শক্তি প্রধান মোহাম্মদ এসলামী বলেছেন, কোনো দেশই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে পারমাণবিক সমৃদ্ধির অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। বৃহস্পতিবার এসলামী বলেছেন, ‘পারমাণবিক শিল্পের মূল ভিত্তি হলো সমৃদ্ধি। পারমাণবিক প্রক্রিয়ায় যা করতে চান, তার জন্য আপনাকে পারমাণবিক জ্বালানি প্রয়োজন’।
সূত্রমতে, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। বুধবারও ২৪ ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যে ৫০ মার্কিন যুদ্ধবিমান পৌঁছানোর খবর পাওয়া গেছে। হোয়াইট হাউজকে জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনী যে কোনো মুহূর্তে অভিযানের জন্য প্রস্তুত। ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো কংক্রিট ও মাটি দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে। হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি দিচ্ছেন।
বুধবারও হোয়াইট হাউজের ‘সিচুয়েশন রুমে’ জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি। এর আগে জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে হওয়া পরোক্ষ আলোচনার বিষয়ে তাকে ব্রিফ করেন। জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান আসেনি।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, কূটনীতিই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ। তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি দৈনিক ইয়েডিওথ আহরোনোথ জানিয়েছে, নেতানিয়াহু বিভিন্ন উদ্ধার-সংস্থা ও হোম ফ্রন্ট কমান্ডকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
পত্রিকাটি আরও বলেছে, ইসরাইলের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থায় ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। ইসরাইলি সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, ইরান ইস্যু নিয়ে বৃহস্পতিবার (ডাকা নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকটি হঠাৎ স্থগিত করে আগামী রোববার নেওয়া হয়েছে। তবে এর কারণ জানানো হয়নি।
সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, এবারের হামলা হবে অনেক বড়। যা কয়েক সপ্তাহব্যাপী চলবে। গত মাসে ভেনিজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র যে নির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছিল, ইরানের হামলা এমন হবে না। এটি হবে ব্যাপক ও বিস্তৃত।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যমতে, ক্যাপ্টেন হকিন্স বলেছেন, হামলাগুলো বন্দর আব্বাসের কাছাকাছি একটি এলাকাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। বন্দর আব্বাস ইরানের দক্ষিণের একটি বন্দর শহর এবং হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত একটি ইরানি নৌঘাঁটির আবাসস্থল।
১০ ঘণ্টা আগে
দুই মার্কিন কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রাম্প মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের স্পষ্ট করে বলেন, যারা এখনো আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ নন বা ইসরায়েলের সঙ্গে যাদের কোনো শান্তি চুক্তি নেই, তারা যেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই জোটে যোগ দেন এবং ইহুদি রাষ্ট্রটির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ফেলেন।
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
১ দিন আগে
স্কুলশিক্ষিকার সঙ্গে পুতিনের সেই সৌজন্য সাক্ষাতের দৃশ্যটি মূলত পশ্চিমা গণমাধ্যমের সেই দাবিকে উড়িয়ে দেওয়ার জন্যই সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছিল। গত ২৫ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা রুশ নেতা নিজের যে ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন, এটি ছিল তারই বহিঃপ্রকাশ— একজন আত্মবিশ্বাসী, সাধারণ মানুষের কাছের রাষ্ট্রনেতা, যিনি ব্যস্ততার
২ দিন আগে