
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের এক ঘোষণার বরাতে আজ বুধবার আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রমে সহায়তা করার অভিযোগে মোট ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি, এসব নেটওয়ার্ক ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করছিল।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের ‘হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস’ বন্ধ করার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও এ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধ পরিস্থিতির কারণে তেহরান এখনো বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি।
নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়াতে তিনি রাজি আছেন।
দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ট্রাম্প আগে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও পরে অবস্থান পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘সমন্বিত ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব’ না আসা পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে।

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগের এক ঘোষণার বরাতে আজ বুধবার আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রমে সহায়তা করার অভিযোগে মোট ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দাবি, এসব নেটওয়ার্ক ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করছিল।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের ‘হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস’ বন্ধ করার অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে দ্বিতীয় দফা বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও এ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধ পরিস্থিতির কারণে তেহরান এখনো বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি।
নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়াতে তিনি রাজি আছেন।
দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ট্রাম্প আগে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও পরে অবস্থান পরিবর্তন করেন। তিনি বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘সমন্বিত ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব’ না আসা পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে।

এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদের পথে রওয়ানা দেওয়ার কথা ছিল। তবে ইরান আলোচনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করায় তিনি ওয়াশিংটন ছাড়েননি। হোয়াইট হাউজ এখন বলছে, তার পাকিস্তান সফর বাতিল করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবু নাছের শামীম (৫০) নামের এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৪ ঘণ্টা আগে
কিন্তু ইসলামাবাদে যদি দুপক্ষকে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসানোও যায়ে, তাতেও কি ফল মিলবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে দুই দেশের মধ্যে এখনো বেশকিছু ইস্যু নিয়েই রয়ে গেছে তীব্র মতবিরোধ, যা সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। এমন বিষয়গুলোই নিচে তুলে ধরা হলো।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
১ দিন আগে