
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালিতে আজ বুধবার অন্তত তিনটি কন্টেইনার জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের (ইউকেএমটিও) বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধের প্রতিবাদে দেশটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আজ এ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) নিক্ষেপ করা হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ (ব্রিজ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জাহাজের ক্যাপ্টেনের বরাতে বলা হয়, হামলার সময় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট জাহাজটির কাছাকাছি আসে এবং পরে গুলিবর্ষণ করে। গানবোটটিতে তিনজন আরোহী ছিলেন।
গ্রিস-চালিত এই জাহাজটির ক্যাপ্টেন আরও দাবি করেন, হামলার আগে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো রেডিও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি, যদিও শুরুতে তাদের প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, জাহাজটিকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল, তবে সেটি তা উপেক্ষা করে এগিয়ে যাচ্ছিল।
ইউকেএমটিও জানায়, বুধবার ইরান উপকূল থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে পানামার পতাকাবাহী আরেকটি কন্টেইনার জাহাজেও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন।
এ ছাড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তৃতীয় আরেকটি লাইবেরিয়ান পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজও গুলির মুখে পড়ে। তবে এতে জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও দেটি মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। নাবিকরা নিরাপদ আছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। হরমুজ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। তবে বর্তমানে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে আজ বুধবার অন্তত তিনটি কন্টেইনার জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের (ইউকেএমটিও) বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধের প্রতিবাদে দেশটি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আজ এ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড (আরপিজি) নিক্ষেপ করা হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ (ব্রিজ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জাহাজের ক্যাপ্টেনের বরাতে বলা হয়, হামলার সময় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট জাহাজটির কাছাকাছি আসে এবং পরে গুলিবর্ষণ করে। গানবোটটিতে তিনজন আরোহী ছিলেন।
গ্রিস-চালিত এই জাহাজটির ক্যাপ্টেন আরও দাবি করেন, হামলার আগে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো রেডিও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি, যদিও শুরুতে তাদের প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, জাহাজটিকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল, তবে সেটি তা উপেক্ষা করে এগিয়ে যাচ্ছিল।
ইউকেএমটিও জানায়, বুধবার ইরান উপকূল থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে পানামার পতাকাবাহী আরেকটি কন্টেইনার জাহাজেও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ রয়েছেন।
এ ছাড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তৃতীয় আরেকটি লাইবেরিয়ান পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজও গুলির মুখে পড়ে। তবে এতে জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও দেটি মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। নাবিকরা নিরাপদ আছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। হরমুজ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। তবে বর্তমানে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১২ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৬ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৬ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
২০ ঘণ্টা আগে