
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বাকি আর মাত্র একদিন। এ অবস্থাতেও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক চূড়ান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অবশ্য বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে ইরান এ ক্ষেত্রে বাগড়া দিয়েছে।
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
ট্রাম্পের সঙ্গে সুর না মেলালেও ইরানকেই এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে যাওয়া এই দেশটির তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বল এখন ইরানের কোর্টে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামনে আর কোনো উপায় নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানে তাদের প্রতিনিধি পাঠাতেই হবে।
যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত দারুণ একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে বলেও আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত চুক্তি না হলে প্রথম দফায় ঘোষণা করা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির কোনো ভবিষ্যৎ দেখছেন না তিনি।
যুদ্ধবিরতি আর বাড়ানো হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব কঠোর অবস্থানে আছি। যদি চুক্তি না হয়, এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়বে না। আমি মনে করি বোমা হামলা হবে, কারণ সেটাই হবে ভালো দৃষ্টিভঙ্গি।
ইরানের সামনে খুব বেশি সময় নেই উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি করার জন্য হাতে বেশি সময় নেই। ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছায়, তবে তারা খুব ভালো থাকবে।
ইরানের ওপরই আলোচনা নির্ভর করছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও। তিনি বলেন, পাকিস্তান দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য ইরানকে রাজি করাতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
তবে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার এ আলোচনা আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যাচ্ছে না। এ অবস্থা বিবেচনা করেই তারার বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়েছি। বল এখন ইরানের কোর্টে।
এদিকে ট্রাম্প চুক্তি ও আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিলেও ইসলামাবাদে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরান এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রথম দফায় ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কারও কোনো হুমকির সামনে তারা মাথা নত করবেন না।
এর মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধি দলের ইসলামাবাদ পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক পোস্টে জানায়, এখন পর্যন্ত ইরান থেকে কোনো ধরনের কোনো প্রতিনিধি দলই ইসলামাবাদে যায়নি।
আলোচনায় যোগ দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি আবারও উল্লেখ করা হয় ওই পোস্টে। বাঘের গালিবাফের বক্তব্যও তুলে ধরা হয় সেখানে। গালিবাফ বলছিলেন, ‘হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে’ তেহরান কোনো আলোচনা গ্রহণ করবে না।

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির বাকি আর মাত্র একদিন। এ অবস্থাতেও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক চূড়ান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অবশ্য বৈঠক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে ইরান এ ক্ষেত্রে বাগড়া দিয়েছে।
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
ট্রাম্পের সঙ্গে সুর না মেলালেও ইরানকেই এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে যাওয়া এই দেশটির তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বল এখন ইরানের কোর্টে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামনে আর কোনো উপায় নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানে তাদের প্রতিনিধি পাঠাতেই হবে।
যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত দারুণ একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে বলেও আত্মবিশ্বাসী ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত চুক্তি না হলে প্রথম দফায় ঘোষণা করা দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির কোনো ভবিষ্যৎ দেখছেন না তিনি।
যুদ্ধবিরতি আর বাড়ানো হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব কঠোর অবস্থানে আছি। যদি চুক্তি না হয়, এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়বে না। আমি মনে করি বোমা হামলা হবে, কারণ সেটাই হবে ভালো দৃষ্টিভঙ্গি।
ইরানের সামনে খুব বেশি সময় নেই উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চুক্তি করার জন্য হাতে বেশি সময় নেই। ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছায়, তবে তারা খুব ভালো থাকবে।
ইরানের ওপরই আলোচনা নির্ভর করছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারও। তিনি বলেন, পাকিস্তান দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য ইরানকে রাজি করাতে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে। প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
তবে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার এ আলোচনা আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যাচ্ছে না। এ অবস্থা বিবেচনা করেই তারার বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়েছি। বল এখন ইরানের কোর্টে।
এদিকে ট্রাম্প চুক্তি ও আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিলেও ইসলামাবাদে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়ে ইরান এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। দেশটির জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রথম দফায় ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কারও কোনো হুমকির সামনে তারা মাথা নত করবেন না।
এর মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধি দলের ইসলামাবাদ পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক পোস্টে জানায়, এখন পর্যন্ত ইরান থেকে কোনো ধরনের কোনো প্রতিনিধি দলই ইসলামাবাদে যায়নি।
আলোচনায় যোগ দেওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি আবারও উল্লেখ করা হয় ওই পোস্টে। বাঘের গালিবাফের বক্তব্যও তুলে ধরা হয় সেখানে। গালিবাফ বলছিলেন, ‘হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে’ তেহরান কোনো আলোচনা গ্রহণ করবে না।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে