
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় কোনো সমঝোতা না আসায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাড়ছে উত্তেজনা। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ট্রাম্প ফের ইরানে বিমান হামলার কথাও ভাবছেন।
এবার ইসরায়েলের তিনটি প্রধান হিব্রু টেলিভিশন নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ওপর ‘পর্যাপ্ত চাপ’ তৈরি করা যায়নি বলে মনে করছে দেশটির সামরিক বাহিনী আইডিএফ। সে কারণেই এই বাহিনী নতুন করে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সমঝোতা না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে আইডিএফ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের উদ্যোগেই গত ১১ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি বৈঠকেও বসে, যা ছিল ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।
শনিবার প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুপক্ষের মধ্যে পৃথক বৈঠক করেন। পরে মুখোমুখি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যরাতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় আলোচনার পর রোববার ভোরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, দুপক্ষ কোনো সমঝোতায় আসনে পারেনি।
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই আইডিএফ প্রধান এয়াল জামির সেনাবাহিনীকে ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাত পুনরায় শুরুর প্রস্তুতিও নিতে বলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য ইরানি আকস্মিক হামলার আশঙ্কাও করছে।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের এক জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের দৃষ্টিতে যুদ্ধ ‘খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে’। এর ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে পর্যাপ্ত চাপ তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর চিন্তা করছে তেল আবিব। একই সঙ্গে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়ও রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসনও বিকল্প কৌশল বিবেচনা করছে। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সীমিত সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ আরোপের মতো কর্মকাণ্ডগুলো মার্কিন প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর বরাতে টাইমস অব ইসরায়েল জানাচ্ছে, ট্রাম্প দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে চান। তবে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙতে সাময়িক ও লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক চাপ প্রয়োগের দিকে ঝুঁকছেন তিনি।
এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও নতুন করে ইরানে হামলা চালাতে ট্রাম্পের পরিকল্পনার খবর দিয়েছে। হোয়াইট হাউজ অবশ্য এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবিসিকে জানিয়েছে, ট্রাম্প সম্ভাব্য সব ধরনের বিকল্পই খোলা রেখেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহের জন্য বৈশ্বিকভাবেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। সমুদ্রপথে পরিবাহিত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এ পথে যাতায়াত করে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত এ নৌ পথ বন্ধ করে রেখেছে।
এর প্রভাবে মার্চের শুরু থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে যেখান প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) দাম ছিল ৬৫ ডলার, মার্চের শুরুর দিকেই তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এতে বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বেড়েছে, দেখা দিয়েছে তেলের তীব্র সংকট।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার খবরে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত হওয়া তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ ছড়িয়েছিল। আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ট্রাম্পের হরমুজে নৌ অবরোধে ঘোষণায় ফের তেলের ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করলে তা সংঘাতকে আবার উসকে দেবে। এতে হরমুজ প্রণালিও ফের বন্ধ হয়ে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে। এ সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় কোনো সমঝোতা না আসায় মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বাড়ছে উত্তেজনা। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ট্রাম্প ফের ইরানে বিমান হামলার কথাও ভাবছেন।
এবার ইসরায়েলের তিনটি প্রধান হিব্রু টেলিভিশন নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ওপর ‘পর্যাপ্ত চাপ’ তৈরি করা যায়নি বলে মনে করছে দেশটির সামরিক বাহিনী আইডিএফ। সে কারণেই এই বাহিনী নতুন করে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সমঝোতা না হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে আইডিএফ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় ইরান যুদ্ধ। ৪০ দিন পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের উদ্যোগেই গত ১১ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি বৈঠকেও বসে, যা ছিল ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পর দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।
শনিবার প্রথমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুপক্ষের মধ্যে পৃথক বৈঠক করেন। পরে মুখোমুখি আলোচনায় বসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যরাতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা লিখিত শর্ত বিনিময় করেন। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় আলোচনার পর রোববার ভোরে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, দুপক্ষ কোনো সমঝোতায় আসনে পারেনি।
টাইমস অব ইসরায়েলের খবরে বলা হয়েছে, এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই আইডিএফ প্রধান এয়াল জামির সেনাবাহিনীকে ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে সংঘাত পুনরায় শুরুর প্রস্তুতিও নিতে বলেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সম্ভাব্য ইরানি আকস্মিক হামলার আশঙ্কাও করছে।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের এক জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের দৃষ্টিতে যুদ্ধ ‘খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেছে’। এর ফলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে পর্যাপ্ত চাপ তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই নতুন করে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর চিন্তা করছে তেল আবিব। একই সঙ্গে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়ও রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রশাসনও বিকল্প কৌশল বিবেচনা করছে। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সীমিত সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ আরোপের মতো কর্মকাণ্ডগুলো মার্কিন প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর বরাতে টাইমস অব ইসরায়েল জানাচ্ছে, ট্রাম্প দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে চান। তবে কূটনৈতিক অচলাবস্থা ভাঙতে সাময়িক ও লক্ষ্যভিত্তিক সামরিক চাপ প্রয়োগের দিকে ঝুঁকছেন তিনি।
এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও নতুন করে ইরানে হামলা চালাতে ট্রাম্পের পরিকল্পনার খবর দিয়েছে। হোয়াইট হাউজ অবশ্য এ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিবিসিকে জানিয়েছে, ট্রাম্প সম্ভাব্য সব ধরনের বিকল্পই খোলা রেখেছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহের জন্য বৈশ্বিকভাবেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। সমুদ্রপথে পরিবাহিত জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এ পথে যাতায়াত করে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত এ নৌ পথ বন্ধ করে রেখেছে।
এর প্রভাবে মার্চের শুরু থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে যেখান প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) দাম ছিল ৬৫ ডলার, মার্চের শুরুর দিকেই তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এতে বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বেড়েছে, দেখা দিয়েছে তেলের তীব্র সংকট।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার খবরে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত হওয়া তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ ছড়িয়েছিল। আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ট্রাম্পের হরমুজে নৌ অবরোধে ঘোষণায় ফের তেলের ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করলে তা সংঘাতকে আবার উসকে দেবে। এতে হরমুজ প্রণালিও ফের বন্ধ হয়ে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হবে। এ সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
২ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে