
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সারপোল-ই-জাহাবের একটি বেসামরিক হাসপাতালে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে ইসরায়েলের এ হামলায় হাসপাতালটির অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত কাটিয়ে ওঠা শহর সারপোল-ই-জাহাবে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় হাসপাতালের দরজা-জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং ধুলো ও ধ্বংসস্তূপে ঢেকে গেছে পুরো হাসপাতাল চত্বর।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর হাসপাতালের করিডোরগুলো ধুলো ও ধ্বংসাবশেষে পূর্ণ হয়ে যায়। তবে এই হামলা এবং পরবর্তীতে চরম বিপদের মুখেও হাসপাতালের কর্মীরা রোগীদের সেবা অব্যাহত রেখেছেন। চিকিৎসকরাও অপারেশন থিয়েটার ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের এই হামলা ইরানের স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর একটি পরিকল্পিত আঘাত বলে উল্লেখ করেছে তাসনিম নিউজ। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় চিকিৎসা কেন্দ্রের ওপর হামলা নিষিদ্ধ হলেও ইসরায়েল এই আন্তর্জাতিক নীতি ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর এই ক্রমাগত ‘আগ্রাসনে’ ইরানের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাসনিম নিউজের ভাষ্য অনুযায়ী, বারবার হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’, যা যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকবচকে ধ্বংস করছে।
বর্তমানে সারপোল-ই-জাহাবের ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতালে জরুরি সংস্কার কাজ চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে ফের হামলার আশঙ্কায় স্থানীয় জনমনে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সারপোল-ই-জাহাবের একটি বেসামরিক হাসপাতালে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে ইসরায়েলের এ হামলায় হাসপাতালটির অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত কাটিয়ে ওঠা শহর সারপোল-ই-জাহাবে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ফের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় হাসপাতালের দরজা-জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং ধুলো ও ধ্বংসস্তূপে ঢেকে গেছে পুরো হাসপাতাল চত্বর।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর হাসপাতালের করিডোরগুলো ধুলো ও ধ্বংসাবশেষে পূর্ণ হয়ে যায়। তবে এই হামলা এবং পরবর্তীতে চরম বিপদের মুখেও হাসপাতালের কর্মীরা রোগীদের সেবা অব্যাহত রেখেছেন। চিকিৎসকরাও অপারেশন থিয়েটার ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ইসরায়েলের এই হামলা ইরানের স্বাস্থ্যসেবা খাতের ওপর একটি পরিকল্পিত আঘাত বলে উল্লেখ করেছে তাসনিম নিউজ। জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় চিকিৎসা কেন্দ্রের ওপর হামলা নিষিদ্ধ হলেও ইসরায়েল এই আন্তর্জাতিক নীতি ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর এই ক্রমাগত ‘আগ্রাসনে’ ইরানের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার নিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাসনিম নিউজের ভাষ্য অনুযায়ী, বারবার হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালানো একটি ‘বিপজ্জনক উসকানি’, যা যুদ্ধের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকবচকে ধ্বংস করছে।
বর্তমানে সারপোল-ই-জাহাবের ক্ষতিগ্রস্ত হাসপাতালে জরুরি সংস্কার কাজ চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তবে ফের হামলার আশঙ্কায় স্থানীয় জনমনে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, স্টারমার সোমবার (২২ জুন) ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এর মধ্য দিয়ে এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
সমর্থকদের মতে, এই বিজয় অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, নিরাপত্তা সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও গভীর হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৮ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
২০ ঘণ্টা আগে