
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নজরদারি ও আকাশযুদ্ধ সমন্বয় সক্ষমতায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ করা ছবিতে দেখা গেছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটির পেছনের অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং এর ওপর স্থাপিত বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটি মাটিতে পড়ে আছে। এই রাডারই আকাশপথে আগাম সতর্কতা, শত্রুবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ এবং যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণের মূল ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
সিএনএনের সামরিক বিশ্লেষক ও সাবেক মার্কিন কর্নেল সেড্রিক লেইটনের মতে, এ বিশেষ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতার জন্য একটি বড় আঘাত। এর ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ করা এবং শত্রুবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে সেগুলো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ই-৩ সেন্ট্রি বিমানগুলো কয়েক দশক ধরে মার্কিন সামরিক কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিটি বিমান আকাশ থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকা নজরদারিতে রাখতে সক্ষম। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় বহরে এমন মাত্র ১৬টি বিমান রয়েছে। ফলে একটি হারানোও বড় কৌশলগত ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো স্যাটেলাইট চিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ইরানের ওই হামলাটি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাইরে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতেই হয়েছে। একই হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মার্কিন সেনার আহত হওয়ার খবরও সামনে আসে, তবে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এই হামলা দেখিয়ে দিল যে ইরান এখনও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চমূল্যের সামরিক সম্পদে নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা সামগ্রিক আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র: সিএনএন

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নজরদারি ও আকাশযুদ্ধ সমন্বয় সক্ষমতায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণ করা ছবিতে দেখা গেছে, ধ্বংস হওয়া বিমানটির পেছনের অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে এবং এর ওপর স্থাপিত বিশাল গোলাকার রাডার ডোমটি মাটিতে পড়ে আছে। এই রাডারই আকাশপথে আগাম সতর্কতা, শত্রুবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তকরণ এবং যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণের মূল ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
সিএনএনের সামরিক বিশ্লেষক ও সাবেক মার্কিন কর্নেল সেড্রিক লেইটনের মতে, এ বিশেষ রাডার বিমান ধ্বংস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতার জন্য একটি বড় আঘাত। এর ফলে মার্কিন যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ করা এবং শত্রুবিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে সেগুলো রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
ই-৩ সেন্ট্রি বিমানগুলো কয়েক দশক ধরে মার্কিন সামরিক কৌশলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিটি বিমান আকাশ থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বর্গমাইল এলাকা নজরদারিতে রাখতে সক্ষম। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় বহরে এমন মাত্র ১৬টি বিমান রয়েছে। ফলে একটি হারানোও বড় কৌশলগত ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো স্যাটেলাইট চিত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ইরানের ওই হামলাটি সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বাইরে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতেই হয়েছে। একই হামলায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন মার্কিন সেনার আহত হওয়ার খবরও সামনে আসে, তবে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, এই হামলা দেখিয়ে দিল যে ইরান এখনও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চমূল্যের সামরিক সম্পদে নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা ধরে রেখেছে, যা সামগ্রিক আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সূত্র: সিএনএন

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
২১ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১ দিন আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে