
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পক্ষ নেওয়ায় লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গেও যুদ্ধ চলছে ইসরায়েলের। এই যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের বিরোধী একটি রাজনৈতিক দলের একজন সিনিয়র নেতা সস্ত্রীক নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল বলছে, এক হিজবুল্লাহ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেও ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট’ হলে ওই বিরোধী রাজনৈতিক নেতা প্রাণ হারান।
বিবিসির খবরে বলা হয়, রোববার (৫ এপ্রিল) ওই হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, হামলা ‘মূল টার্গেটে’ আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে। এই হামলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ করছে আইডিএফ।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত পিয়েরে মুভাদ লেবাননের অন্যতম খ্রিষ্টান সমর্থিত দল লেবানিজ ফোর্সেস পার্টির সিনিয়র নেতা। হামলায় আরও নিহত হয়েছেন তার স্ত্রী ফ্লাভিয়া মুভাদ।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, লেবাননের যে ভবনে হামলা হয়েছে সেটি ছিল একটি অ্যাপার্টমেন্ট, যেটি বেইরুতের পূর্বে অবস্থিত। যেখানে মূলত খ্রিষ্টানদের বসতি ছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় একজন পুরুষ ও দুজন নারী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় মেয়র বলেছেন, যে ভবনে হামলা চালানো হয়েছে সে ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন নিহতরা।
হামলায় দুঃখ প্রকাশ করে আইডিএফ জানিয়েছে, ভুল টার্গেটে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে করছে তারা।
এ ঘটনায় লেবানিজ ফোর্সেস পার্টি বলেছে, পিয়েরে মুভাদ কোনো যোদ্ধা ছিলেন না। সামরিক লক্ষ্যবস্তুও ছিলেন না। নিহতের আগে তিনি পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে ইস্টার সানডে উদ্যাপন করেছিলেন।
লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইরান-সমর্থিত হিসেবে পরিচিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেই ইরানকে সমর্থন করে আসছে হিজবুল্লাহ। পরে তারা সরাসরি ইসরায়েলে হামলা শুরু করে।
এর প্রত্যুত্তর হিসেবে ইসরায়েলও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন ঘাঁটি ও স্থাপনা করে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে। পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান এ যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লেবাননে।

ইরানের পক্ষ নেওয়ায় লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গেও যুদ্ধ চলছে ইসরায়েলের। এই যুদ্ধের মধ্যে লেবাননের বিরোধী একটি রাজনৈতিক দলের একজন সিনিয়র নেতা সস্ত্রীক নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল বলছে, এক হিজবুল্লাহ নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেও ‘লক্ষ্যভ্রষ্ট’ হলে ওই বিরোধী রাজনৈতিক নেতা প্রাণ হারান।
বিবিসির খবরে বলা হয়, রোববার (৫ এপ্রিল) ওই হামলা চালায় ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, হামলা ‘মূল টার্গেটে’ আঘাত হানতে ব্যর্থ হয়েছে। এই হামলার জন্য ‘দুঃখ প্রকাশ’ করছে আইডিএফ।
ইসরায়েলি হামলায় নিহত পিয়েরে মুভাদ লেবাননের অন্যতম খ্রিষ্টান সমর্থিত দল লেবানিজ ফোর্সেস পার্টির সিনিয়র নেতা। হামলায় আরও নিহত হয়েছেন তার স্ত্রী ফ্লাভিয়া মুভাদ।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, লেবাননের যে ভবনে হামলা হয়েছে সেটি ছিল একটি অ্যাপার্টমেন্ট, যেটি বেইরুতের পূর্বে অবস্থিত। যেখানে মূলত খ্রিষ্টানদের বসতি ছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় একজন পুরুষ ও দুজন নারী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় মেয়র বলেছেন, যে ভবনে হামলা চালানো হয়েছে সে ভবনের নিচতলায় বসবাস করতেন নিহতরা।
হামলায় দুঃখ প্রকাশ করে আইডিএফ জানিয়েছে, ভুল টার্গেটে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে করছে তারা।
এ ঘটনায় লেবানিজ ফোর্সেস পার্টি বলেছে, পিয়েরে মুভাদ কোনো যোদ্ধা ছিলেন না। সামরিক লক্ষ্যবস্তুও ছিলেন না। নিহতের আগে তিনি পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে ইস্টার সানডে উদ্যাপন করেছিলেন।
লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহ ইরান-সমর্থিত হিসেবে পরিচিত। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেই ইরানকে সমর্থন করে আসছে হিজবুল্লাহ। পরে তারা সরাসরি ইসরায়েলে হামলা শুরু করে।
এর প্রত্যুত্তর হিসেবে ইসরায়েলও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিভিন্ন ঘাঁটি ও স্থাপনা করে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে। পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান এ যুদ্ধে ইরানের পর সবচেয়ে বেশি হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লেবাননে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
২০ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে