
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নিজ দেশের জনগণের ওপর দমন-পীড়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সাতজন ইরানি ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই ভ্রমণ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নিল ক্যানবেরা।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তেহরানের ‘নিজ জনগণের ওপর চলমান নির্মম দমন-পীড়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির’ অভিযোগে সাতজন ইরানি ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে পেনি ওং বলেন, ইরানের ‘শাসকগোষ্ঠী নিজেদের হাজারো নাগরিককে হত্যা করেছে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গণহারে গ্রেফতার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেই সাত ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সংস্থাও রয়েছে, যারা নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতাসহ এসব ভয়াবহ কর্মকাণ্ডে জড়িত।’
পেনি ওং জানান, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশটি হামাসের মতো গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সহায়তা দেয় এবং অন্যান্য অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড চালায়।
এর আগে সোমবার যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে তাদের ‘অস্ত্র কর্মসূচি, সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠী এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য অর্থায়ন’ থেকে বঞ্চিত করা।
রাজনীতি/এসআর

নিজ দেশের জনগণের ওপর দমন-পীড়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া।
মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং সাতজন ইরানি ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই ভ্রমণ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।
এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে তেহরান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থায়ন ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। মূলত ইরানকে তাদের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠীর অর্থায়ন থেকে বিচ্ছিন্ন করতেই যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নিল ক্যানবেরা।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তেহরানের ‘নিজ জনগণের ওপর চলমান নির্মম দমন-পীড়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির’ অভিযোগে সাতজন ইরানি ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এক বিবৃতিতে পেনি ওং বলেন, ইরানের ‘শাসকগোষ্ঠী নিজেদের হাজারো নাগরিককে হত্যা করেছে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের গণহারে গ্রেফতার করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেই সাত ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এমন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সংস্থাও রয়েছে, যারা নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতাসহ এসব ভয়াবহ কর্মকাণ্ডে জড়িত।’
পেনি ওং জানান, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’কেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশটি হামাসের মতো গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সহায়তা দেয় এবং অন্যান্য অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড চালায়।
এর আগে সোমবার যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে তাদের ‘অস্ত্র কর্মসূচি, সন্ত্রাসী মিত্রগোষ্ঠী এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্য অর্থায়ন’ থেকে বঞ্চিত করা।
রাজনীতি/এসআর

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৪ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে
১৯ ঘণ্টা আগে