
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬৬ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশিও।
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জুন) শেষ রাতের দিকে রাস লাফানের বারজানের একটি অভ্যন্তরীণ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কারখানাটি পরিচালনা করে থাকে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে ১৩ জন নিহত ও বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের আরও ৬৬ জন কর্মীর আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে।
কাতারএনার্জি বলেছে, বিস্ফোরণে নিহত ১৩ কর্মীর সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। তবে কোন দেশের কতজন নিহত হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
এদিকে বিস্ফোরণে কারখানার ৬৬ জন কর্মীর আহত হওয়ার খবর জানিয়ে কাতার এনার্জি জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে বাংলাদেশ, কাতার, তানজানিয়া, ভারত, পাকিস্তান, গিনি, নেপাল, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যেও বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশের কতজন, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি।
রাস লাফান শিল্পনগরী কাতারের জ্বালানি খাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকেই দেশটির সিংহভাগ এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি হয়ে থাকে। এমন স্থানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের পর এলএনজির উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। তবে কাতার এনার্জি জানিয়েছে, এর ফলে গ্যাসের সংকট দেখা দেবে না।
কাতার এনার্জির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে কাতারের এলএনজি রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি। গ্যাস উৎপাদনকারী অন্যান্য স্থাপনা ও রাস লাফান বন্দর স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহ যথারীতি অব্যাহত থাকবে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় জানায়, ‘কারিগরি ঘটনা’র কারণে রাস লাফানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কারণ ও প্রভাব খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি দল এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানিয়েছে কাতার এনার্জি।
এর আগে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি বেশ কয়েকবার ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। এতে কাতার এনার্জির একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেসব হামলার হামলার আঘাত কাটিয়ে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছিল বলে এর আগে জানায় কাতার এনার্জি।

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। একই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬৬ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশিও।
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জুন) শেষ রাতের দিকে রাস লাফানের বারজানের একটি অভ্যন্তরীণ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কারখানাটি পরিচালনা করে থাকে কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জি। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে ১৩ জন নিহত ও বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের আরও ৬৬ জন কর্মীর আহত হওয়ার খবর জানিয়েছে।
কাতারএনার্জি বলেছে, বিস্ফোরণে নিহত ১৩ কর্মীর সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক। তবে কোন দেশের কতজন নিহত হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
এদিকে বিস্ফোরণে কারখানার ৬৬ জন কর্মীর আহত হওয়ার খবর জানিয়ে কাতার এনার্জি জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে বাংলাদেশ, কাতার, তানজানিয়া, ভারত, পাকিস্তান, গিনি, নেপাল, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন। তবে আহতদের মধ্যেও বাংলাদেশ বা অন্য কোনো দেশের কতজন, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি।
রাস লাফান শিল্পনগরী কাতারের জ্বালানি খাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকেই দেশটির সিংহভাগ এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি হয়ে থাকে। এমন স্থানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের পর এলএনজির উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। তবে কাতার এনার্জি জানিয়েছে, এর ফলে গ্যাসের সংকট দেখা দেবে না।
কাতার এনার্জির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে কাতারের এলএনজি রপ্তানি কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়েনি। গ্যাস উৎপাদনকারী অন্যান্য স্থাপনা ও রাস লাফান বন্দর স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহ যথারীতি অব্যাহত থাকবে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় জানায়, ‘কারিগরি ঘটনা’র কারণে রাস লাফানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার কারণ ও প্রভাব খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের কারিগরি দল এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানিয়েছে কাতার এনার্জি।
এর আগে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি বেশ কয়েকবার ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। এতে কাতার এনার্জির একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেসব হামলার হামলার আঘাত কাটিয়ে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরে আসা সম্ভব হয়েছিল বলে এর আগে জানায় কাতার এনার্জি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে