
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় হামাসের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর চালানো এক বিমান হামলায় তিনি নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে জোরালো দাবি করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার (১৫ মে) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, কয়েক বছরের নিখুঁত গোয়েন্দা নজরদারির পর এই জটিল অভিযানটি সফলভাবে চালানো হয়েছে, তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লার বরাতে প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী হত্যাচেষ্টা সফল হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফের সাউদার্ন কমান্ড ও সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে বিমান হামলাটি চালানো হয়। কয়েক বছরের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হাদ্দাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
হামাসকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে হামলার আগে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী একটি গোপন অভিযান চালায়। অভিযানের পর স্থল, নৌ ও আকাশপথে সেনাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে হামাসের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসরায়েলের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে জড়িত গাজায় অবস্থানরত শেষ শীর্ষ নেতাও ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হাদ্দাদ।
ইসরায়েলের দাবি, যুদ্ধ চলাকালে তিনি নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করতেন এবং আইডিএফের হামলা এড়াতে জিম্মিদের আশপাশে রাখতেন। তার নেতৃত্বে হামাস জিম্মিদের হত্যা, নির্যাতন ও অনাহারে রাখার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তেলআবিব। নেতানিয়াহু ও কাটজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, '৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দেরিতে হলেও ইসরায়েল তাদের খুঁজে বের করবে।'
রাজনীতি/এসআর

গাজায় হামাসের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর চালানো এক বিমান হামলায় তিনি নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে জোরালো দাবি করেছে ইসরায়েল।
শুক্রবার (১৫ মে) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, কয়েক বছরের নিখুঁত গোয়েন্দা নজরদারির পর এই জটিল অভিযানটি সফলভাবে চালানো হয়েছে, তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লার বরাতে প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী হত্যাচেষ্টা সফল হয়েছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফের সাউদার্ন কমান্ড ও সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের তথ্যের ভিত্তিতে বিমান হামলাটি চালানো হয়। কয়েক বছরের গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হাদ্দাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
হামাসকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে হামলার আগে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী একটি গোপন অভিযান চালায়। অভিযানের পর স্থল, নৌ ও আকাশপথে সেনাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইজ্জ আদ-দীন আল-হাদ্দাদকে হামাসের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইসরায়েলের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার সঙ্গে জড়িত গাজায় অবস্থানরত শেষ শীর্ষ নেতাও ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে হামাসের সামরিক শাখা প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন হাদ্দাদ।
ইসরায়েলের দাবি, যুদ্ধ চলাকালে তিনি নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করতেন এবং আইডিএফের হামলা এড়াতে জিম্মিদের আশপাশে রাখতেন। তার নেতৃত্বে হামাস জিম্মিদের হত্যা, নির্যাতন ও অনাহারে রাখার মতো কর্মকাণ্ড চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তেলআবিব। নেতানিয়াহু ও কাটজের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, '৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দেরিতে হলেও ইসরায়েল তাদের খুঁজে বের করবে।'
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে