
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে (শিল্প শহর) বেশ কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় আবারও হামলা চালিয়েছে ইরান। এই শিল্প এলাকাটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
কাতারএনার্জি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোরের এ হামলায় রাস লাফান শিল্প নগরের স্থাপনাগুলোতে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত এ জ্বালানি কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি উদ্ধারকারী দল তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানের সরাসরি এ হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে। ‘ইরান সীমা লঙ্ঘন করেছে’ উল্লেখ করে, উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারে এই হামলার খবর এলো।
ইরানের হামলার হুমকির তালিকায় ছিল কাতারের মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, মেসাইদ হোল্ডিং কোম্পানি ও রাস লাফান রিফাইনারি; সৌদি আরবের সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে দেশে নিযুক্ত ইরান দূতাবাসের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এবং তাদের কর্মীদের অবাঞ্ছিত (পারসোনা নন গ্রাটা) ঘোষণা করেছে।
মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাতার ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে বারবার হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
কাতার এই হামলাকে পরিস্থিতির এক ‘বিপজ্জনক অবনতি’ এবং তাদের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে।
মন্ত্রণালয় বলছে, ইরান ধারাবাহিকভাবে এমন উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। এতে সংঘাতে সরাসরি জড়িত নয়— এমন দেশগুলোকেও যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যে টেনে আনা হচ্ছে।

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে (শিল্প শহর) বেশ কয়েকটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) স্থাপনায় আবারও হামলা চালিয়েছে ইরান। এই শিল্প এলাকাটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
কাতারএনার্জি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোরের এ হামলায় রাস লাফান শিল্প নগরের স্থাপনাগুলোতে ‘বড় ধরনের আগুন’ লাগার পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রাষ্ট্রায়ত্ত এ জ্বালানি কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি উদ্ধারকারী দল তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানের সরাসরি এ হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে। ‘ইরান সীমা লঙ্ঘন করেছে’ উল্লেখ করে, উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই কাতারে এই হামলার খবর এলো।
ইরানের হামলার হুমকির তালিকায় ছিল কাতারের মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, মেসাইদ হোল্ডিং কোম্পানি ও রাস লাফান রিফাইনারি; সৌদি আরবের সামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে দেশে নিযুক্ত ইরান দূতাবাসের সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এবং তাদের কর্মীদের অবাঞ্ছিত (পারসোনা নন গ্রাটা) ঘোষণা করেছে।
মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাতার ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে বারবার হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
কাতার এই হামলাকে পরিস্থিতির এক ‘বিপজ্জনক অবনতি’ এবং তাদের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে দেখছে।
মন্ত্রণালয় বলছে, ইরান ধারাবাহিকভাবে এমন উত্তেজনামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছে। এতে সংঘাতে সরাসরি জড়িত নয়— এমন দেশগুলোকেও যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যে টেনে আনা হচ্ছে।

ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৪ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।
১ দিন আগে
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
১ দিন আগে