
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ‘প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করায়’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়, বুধবার (১৫ জুলাই) তেহরানে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। আমরা এখন প্রতিরক্ষার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।’
ওয়াশিংটনের চলমান হামলা ইরানকে ফের আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করবে— যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাঘাই বলেন, ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলীর প্রতি ইরান আর নিজেকে বাধ্য মনে করছে না। কারণ, ওয়াশিংটন বারবার ওই চুক্তির অধীনে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।
তিনি আরও বলেন, “একটি সমঝোতা স্মারক হলো পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির সমষ্টি। অন্য পক্ষ যদি তা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমরাও আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকব। এটি একটি নীতিগত বিষয় এবং এখন থেকে আমরা সেই পথেই এগোব।”
ইরানের এই কূটনীতিক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা থেকেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে। তাই ইরান যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ‘জবরদস্তিমূলক’ দাবির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার নীতিকে সমর্থন করছে বলে জানান তিনি।
বাঘাই বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাব সর্বশক্তি দিয়ে দেবে। তারা হামলা করলে অবশ্যই পালটা হামলার মুখে পড়বে।’
দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার মধ্যেই বাঘাই এমন মন্তব্য করলেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের দাবি, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা দুর্বল করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির দাবি, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ-চলাচল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ‘প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করায়’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ফেরার কোনো পরিকল্পনা ইরানের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়, বুধবার (১৫ জুলাই) তেহরানে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। আমরা এখন প্রতিরক্ষার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।’
ওয়াশিংটনের চলমান হামলা ইরানকে ফের আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করবে— যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাঘাই বলেন, ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলীর প্রতি ইরান আর নিজেকে বাধ্য মনে করছে না। কারণ, ওয়াশিংটন বারবার ওই চুক্তির অধীনে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।
তিনি আরও বলেন, “একটি সমঝোতা স্মারক হলো পারস্পরিক প্রতিশ্রুতির সমষ্টি। অন্য পক্ষ যদি তা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমরাও আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকব। এটি একটি নীতিগত বিষয় এবং এখন থেকে আমরা সেই পথেই এগোব।”
ইরানের এই কূটনীতিক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা থেকেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আসছে। তাই ইরান যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ‘জবরদস্তিমূলক’ দাবির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার নীতিকে সমর্থন করছে বলে জানান তিনি।
বাঘাই বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাব সর্বশক্তি দিয়ে দেবে। তারা হামলা করলে অবশ্যই পালটা হামলার মুখে পড়বে।’
দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান হামলার মধ্যেই বাঘাই এমন মন্তব্য করলেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের দাবি, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা দুর্বল করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির দাবি, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ-চলাচল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ইরানের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণসভায় হাজারো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সকল প্রকার জাহাজকে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের দেশগুলোর জাহাজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছিল।
১ দিন আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে চরম বার্তা দিয়ে বলেন, জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে তিনি শেষের জন্য রেখে দিচ্ছেন, তবে শেষ পর্যন্ত সেগুলোতেও হামলা হবে। যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে, তবে আগামী সপ্তাহে তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
১ দিন আগে