
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর শাহাদাত বরণে তেহরানের ইমাম খোমেনি (রহ.) মুসাল্লায় এক বিশাল ও ভাবগম্ভীর শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ীর উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণসভায় হাজারো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া এবং শত্রুর মোকাবিলায় প্রতিরোধ আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় পতাকা, শহীদ নেতার ছবি এবং "আমরা সবাই শহীদের রক্তের বদলা চাই", "শহীদের পথ চলমান", "শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ অবশ্যম্ভাবী"—এমন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। তারা শত্রুদের মোকাবিলায় দৃঢ় অবস্থান এবং মর্যাদা, প্রতিরোধ ও ইসলামী বিপ্লবের পথ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ নেতার ছেলে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোস্তফা হোসেইনি খামেনেয়ী বলেন, ইসলামী ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে ইরান ও ইরাকের জনগণকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।তিনি বলেন, "ইরানের প্রিয় জনগণ তাদের অসাধারণ বিশ্বস্ততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে এমন এক দৃশ্য সৃষ্টি করেছেন, যা শত্রুদের জন্য অত্যন্ত ভারী ও অসহনীয় ছিল। তেহরান, কোম, মাশহাদ এবং সারা দেশে কোটি মানুষের উপস্থিতির গভীর তাৎপর্য রয়েছে, যার কল্যাণকর ফল আমরা ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে প্রত্যক্ষ করব।"
আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোস্তফা হোসেইনি খামেনেয়ী আরও বলেন, "আমি ইরাক সরকার ও সে দেশের জনগণের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের বিশ্বস্ততা ও প্রজ্ঞা নজাফ, কারবালা এবং নজাফ-কারবালা পথজুড়ে এক অসাধারণ দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে।"তিনি বলেন, "প্রকৃত ধৈর্যের অর্থ হলো—এই মহাবিপর্যয়কে এমনভাবে সহ্য করা, যাতে আমরা দৃঢ়তা ও সঠিক পথে আমাদের যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারি এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারি। তাই ধৈর্য কোনোভাবেই এই জঘন্য অপরাধে জড়িত দুষ্টু শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ বা ব্যবস্থা নেওয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।"

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল উজমা সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ীর শাহাদাত বরণে তেহরানের ইমাম খোমেনি (রহ.) মুসাল্লায় এক বিশাল ও ভাবগম্ভীর শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনেয়ীর উদ্যোগে আয়োজিত এই স্মরণসভায় হাজারো সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহীদ পরিবারের সদস্য, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, সামরিক-বেসামরিক বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া এবং শত্রুর মোকাবিলায় প্রতিরোধ আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জাতীয় পতাকা, শহীদ নেতার ছবি এবং "আমরা সবাই শহীদের রক্তের বদলা চাই", "শহীদের পথ চলমান", "শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ অবশ্যম্ভাবী"—এমন স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। তারা শত্রুদের মোকাবিলায় দৃঢ় অবস্থান এবং মর্যাদা, প্রতিরোধ ও ইসলামী বিপ্লবের পথ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ নেতার ছেলে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোস্তফা হোসেইনি খামেনেয়ী বলেন, ইসলামী ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে ইরান ও ইরাকের জনগণকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।তিনি বলেন, "ইরানের প্রিয় জনগণ তাদের অসাধারণ বিশ্বস্ততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে এমন এক দৃশ্য সৃষ্টি করেছেন, যা শত্রুদের জন্য অত্যন্ত ভারী ও অসহনীয় ছিল। তেহরান, কোম, মাশহাদ এবং সারা দেশে কোটি মানুষের উপস্থিতির গভীর তাৎপর্য রয়েছে, যার কল্যাণকর ফল আমরা ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে প্রত্যক্ষ করব।"
আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোস্তফা হোসেইনি খামেনেয়ী আরও বলেন, "আমি ইরাক সরকার ও সে দেশের জনগণের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের বিশ্বস্ততা ও প্রজ্ঞা নজাফ, কারবালা এবং নজাফ-কারবালা পথজুড়ে এক অসাধারণ দৃশ্যের জন্ম দিয়েছে।"তিনি বলেন, "প্রকৃত ধৈর্যের অর্থ হলো—এই মহাবিপর্যয়কে এমনভাবে সহ্য করা, যাতে আমরা দৃঢ়তা ও সঠিক পথে আমাদের যাত্রা অব্যাহত রাখতে পারি এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারি। তাই ধৈর্য কোনোভাবেই এই জঘন্য অপরাধে জড়িত দুষ্টু শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ বা ব্যবস্থা নেওয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়।"

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন লক্ষ্য করে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের ওপর কঠোর হামলা অব্যাহত রাখবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু রাষ্ট্রে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
১৯ ঘণ্টা আগে
শুমার বলেন, ‘‘প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষই আমাদের সেনাদের এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে সরিয়ে আনা এবং যুদ্ধ বন্ধ করার পক্ষে ভোট দিয়েছে। ট্রাম্পের উচিত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলা।’’
১ দিন আগে
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউজের ভেতরেও লক্ষ্যবস্তু বানানোর সক্ষমতা ইরানের রয়েছে।’
১ দিন আগে