
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় প্রায় তিন মাস বন্ধ রাখার পর ইন্টারনেট সংযোগ ফের চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান সরকার।
ইরান সরকারের সাইবারবিষয়ক নিয়ন্ত্রক কমিটি এক বৈঠকে ইন্টারনেটের ওপর ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সুপারিশ করেছে। তবে এ সুপারিশ কবে বাস্তবায়ন হবে, তথা কবে ইরানে ফের ইন্টারনেট চালু হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ খবর দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ইন্টারনেট ‘ব্ল্যাকআউটে’র নির্দেশ দিয়েছিল।
ওই নিষেধাজ্ঞার পর ইরান অনলাইনে সারা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ইরানের অর্থনীতিতে ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক মহলেও সে সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচিত হয়।
ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সাইবারবিষয়ক কমিটির বৈঠকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ৯-৩ ভোটে পাস হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবে।
এদিকে মিশরের বার্তা সংস্থা মিডল ইস্ট নিউজ এজেন্সি (মিনা) জানিয়েছে, ইরানের কট্টর রক্ষণশীলদের চাপে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাইবারবিষয়ক এই কমিটি বানানো হয়েছিল। এর সভাপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ, মহাসচিব যোগাযোগমন্ত্রী সাত্তার হাশেমি। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন সাইবারবিষয়ক বিশেষজ্ঞও আছেন।
এ বছরের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও পরে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরান কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধে জারি করে। এতে দেশটি ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দেশটির নাগরিকরা ভিপিএন ব্যবহার করে সীমিত আকারে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলায় প্রায় তিন মাস বন্ধ রাখার পর ইন্টারনেট সংযোগ ফের চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান সরকার।
ইরান সরকারের সাইবারবিষয়ক নিয়ন্ত্রক কমিটি এক বৈঠকে ইন্টারনেটের ওপর ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সুপারিশ করেছে। তবে এ সুপারিশ কবে বাস্তবায়ন হবে, তথা কবে ইরানে ফের ইন্টারনেট চালু হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ খবর দিয়েছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ ইন্টারনেট ‘ব্ল্যাকআউটে’র নির্দেশ দিয়েছিল।
ওই নিষেধাজ্ঞার পর ইরান অনলাইনে সারা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ইরানের অর্থনীতিতে ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক মহলেও সে সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচিত হয়।
ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সাইবারবিষয়ক কমিটির বৈঠকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ৯-৩ ভোটে পাস হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু করবে।
এদিকে মিশরের বার্তা সংস্থা মিডল ইস্ট নিউজ এজেন্সি (মিনা) জানিয়েছে, ইরানের কট্টর রক্ষণশীলদের চাপে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাইবারবিষয়ক এই কমিটি বানানো হয়েছিল। এর সভাপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ, মহাসচিব যোগাযোগমন্ত্রী সাত্তার হাশেমি। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন সাইবারবিষয়ক বিশেষজ্ঞও আছেন।
এ বছরের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও পরে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরান কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেটের ওপর কঠোর বিধিনিষেধে জারি করে। এতে দেশটি ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দেশটির নাগরিকরা ভিপিএন ব্যবহার করে সীমিত আকারে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে