
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত বছরের জেন-জি বিক্ষোভের সময় নির্বিচারে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, দমন-পীড়ন ও অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারের তালিকায় রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকসহ গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আরও সরকারি কর্মকর্তারা।
কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে কাঠমান্ডুর ভক্তপুরের নিজ নিজ বাসভবন থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাবেক বিশেষ আদালতের বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে।
গৌরী বাহাদুর কার্কি কমিশনের সুপারিশ
নেপালের গত অক্টোবরের জেন-জি বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পরই তদন্ত শুরু হয়। সাবেক বিশেষ আদালতের বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বে গঠন করা হয় তদন্ত কমিশন।
কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কেপি শর্মা ওলি ও রমেশ লেখকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে সম্ভাব্য সহিংসতা সম্পর্কে সব ধরনের গোয়েন্দা তথ্য ছিল। কিন্তু তারা সহিংসতা দমনে চরম অবহেলা দেখিয়েছেন, বেপরোয়া আচরণ করেছেন।
যাদের অবহেলা-বেপরোয়া আচরণে অভিযুক্ত করা হয়েছে, কমিশন তাদের বিরুদ্ধে নেপালের জাতীয় দণ্ডবিধির ১৮১ ও ১৮২ ধারা অনুযায়ী ‘অপরাধমূলক অবহেলা’র অভিযোগে মামলা করার সুপারিশ করেছে।
নেপালের পেনাল কোড বলছে, এ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান আইজিপি দান বাহাদুর কার্কিসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে। এ সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে তাদের পরবর্তী চাকরিজীবনে পদোন্নতিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় প্রভাব পড়বে।
কমিশনের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব রাজনৈতিক নেতা ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এরপরই নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন। এ নিয়ে শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। ওই বৈঠক থেকেই পুলিশের বিশেষ অভিযানিক টিম গঠন করা হয়।
যারা গ্রেপ্তার
নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য বলছে, জেন-জি আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনায় জড়িত রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারের তালিকায় রয়েছেন—
কে পি শর্মা অলি: নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
রমেশ লেখক: নেপালি কংগ্রেস নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চন্দ্র কুবের খাপুং: সাবেক আইজিপি
গোকর্ণ মণি দাওয়াদি: বিক্ষোভের সময়কার স্বরাষ্ট্র সচিব
রাজু আরিয়াল: সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) প্রধান
হুতরাজ থাপা: জাতীয় তদন্ত বিভাগের সাবেক প্রধান
ছবি রিজাল: কাঠমান্ডুর তৎকালীন সিডিও

গত বছরের জেন-জি বিক্ষোভের সময় নির্বিচারে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার, দমন-পীড়ন ও অপরাধমূলক অবহেলার অভিযোগে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারের তালিকায় রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকসহ গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আরও সরকারি কর্মকর্তারা।
কাঠমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে কাঠমান্ডুর ভক্তপুরের নিজ নিজ বাসভবন থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাবেক বিশেষ আদালতের বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে।
গৌরী বাহাদুর কার্কি কমিশনের সুপারিশ
নেপালের গত অক্টোবরের জেন-জি বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়েরের পরই তদন্ত শুরু হয়। সাবেক বিশেষ আদালতের বিচারক গৌরী বাহাদুর কার্কির নেতৃত্বে গঠন করা হয় তদন্ত কমিশন।
কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কেপি শর্মা ওলি ও রমেশ লেখকসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে সম্ভাব্য সহিংসতা সম্পর্কে সব ধরনের গোয়েন্দা তথ্য ছিল। কিন্তু তারা সহিংসতা দমনে চরম অবহেলা দেখিয়েছেন, বেপরোয়া আচরণ করেছেন।
যাদের অবহেলা-বেপরোয়া আচরণে অভিযুক্ত করা হয়েছে, কমিশন তাদের বিরুদ্ধে নেপালের জাতীয় দণ্ডবিধির ১৮১ ও ১৮২ ধারা অনুযায়ী ‘অপরাধমূলক অবহেলা’র অভিযোগে মামলা করার সুপারিশ করেছে।
নেপালের পেনাল কোড বলছে, এ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান আইজিপি দান বাহাদুর কার্কিসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে। এ সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে তাদের পরবর্তী চাকরিজীবনে পদোন্নতিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধায় প্রভাব পড়বে।
কমিশনের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব রাজনৈতিক নেতা ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
এরপরই নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেন। এ নিয়ে শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। ওই বৈঠক থেকেই পুলিশের বিশেষ অভিযানিক টিম গঠন করা হয়।
যারা গ্রেপ্তার
নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য বলছে, জেন-জি আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনায় জড়িত রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারের তালিকায় রয়েছেন—
কে পি শর্মা অলি: নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী
রমেশ লেখক: নেপালি কংগ্রেস নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
চন্দ্র কুবের খাপুং: সাবেক আইজিপি
গোকর্ণ মণি দাওয়াদি: বিক্ষোভের সময়কার স্বরাষ্ট্র সচিব
রাজু আরিয়াল: সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) প্রধান
হুতরাজ থাপা: জাতীয় তদন্ত বিভাগের সাবেক প্রধান
ছবি রিজাল: কাঠমান্ডুর তৎকালীন সিডিও

এডওয়ার্ডস এয়ারফোর্স বেইসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রুটিন টেস্ট মিশনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর একটি বি-৫২ বম্বার এডওয়ার্ড বিমান ঘাঁটির রানওয়ে থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে চালকসহ মোট ৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের কেউই বেঁচে নেই।”
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গাভির। ওই চুক্তিতে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের শর্ত থাকলেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি এই নেতা হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া পর্যন্ত আরও তীব্র হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে
১৯ ঘণ্টা আগে
লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমঝোতা যেন কেবল কূটনৈতিক নথিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হয়। এই সমঝোতায় যেন সহিংসতার চক্র শেষ হয়ে দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। একই সঙ্গে গেমিং প্ল্যাটফর্ম ও লাইভস্ট্রিমিং সেবার ওপরও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা জানিয়েছে তার সরকার। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর এ পদক্ষেপকে বিশ্বের সবচ
১ দিন আগে