
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তির বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেবল 'বৈধ আত্মরক্ষা'র পথ বেছে নিয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, একটি শান্তিকামী জাতি হিসেবে ইরান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে তারা চুপ করে থাকবে না।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং মানবাধিকার প্রশ্নে দ্বৈত মানদণ্ডের প্রমাণ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ’কে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো দেশকে আক্রমণ করিনি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতেও কোনো পক্ষকে আক্রমণের ইচ্ছা আমাদের নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘এমন ধারণা দেওয়া উচিত নয় যে, ইরান যুদ্ধ চাইছে। বরং আমরা শান্তিপ্রিয় এবং যা করছি তা বৈধ আত্মরক্ষা। যেমন একজন মানুষ আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তেমনি একটি জাতিও আক্রমণের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করে।’

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তির বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেবল 'বৈধ আত্মরক্ষা'র পথ বেছে নিয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, একটি শান্তিকামী জাতি হিসেবে ইরান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে তারা চুপ করে থাকবে না।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার অভিযোগ তুলে বলেন, এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং মানবাধিকার প্রশ্নে দ্বৈত মানদণ্ডের প্রমাণ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ’কে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো দেশকে আক্রমণ করিনি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতেও কোনো পক্ষকে আক্রমণের ইচ্ছা আমাদের নেই।
তিনি আরও বলেন, ‘এমন ধারণা দেওয়া উচিত নয় যে, ইরান যুদ্ধ চাইছে। বরং আমরা শান্তিপ্রিয় এবং যা করছি তা বৈধ আত্মরক্ষা। যেমন একজন মানুষ আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখায়, তেমনি একটি জাতিও আক্রমণের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করে।’

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচারণার মুখে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অন্তত ১৩টি দেশ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার শোকের জনসমুদ্রে পরিণত হয় তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাতীয় সংগীত, ধর্মীয় শোকগাথা ও পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে তার সপ্তাহব্যাপী দাফন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
কমিউনিজমকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন হুমকি আখ্যা দিয়ে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশকে ইঙ্গিত করে তিনি তীব্র আক্রমণ শানান। ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এ ধরনের মতাদর্শের সমর্থকরাই ‘১৭৭৬ সালের ৪ জুলাইয়ের শত্রু’।
১৯ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রথমবারের মতো খামেনির কফিন জনসাধারণের সামনে আনা হয়। এ সময় হাজারো ইরানি কান্নায় ভেঙে পড়েন। শোকগীতি গাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা দুলতে থাকেন এবং মাথায় আঘাত করতে থাকেন। কফিনের ওপর ফুল ছুড়ে দেওয়া হলে সেগুলো পরে জনতার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে