
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন ঘনিয়ে আসতেই ফের এই সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট নিয়ে তোপ দেগেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সমর্থনকে ফের ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সামরিক জোটটির ইউরোপীয় সদস্যদের সমালোচনা করে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, জোটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ‘একমুখী’ এবং ‘পারস্পরিক নয়’।
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা আমাদের জন্য ছিল না!’ তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর জন্য যে পরিমাণ ব্যয় ও দায়ভার বহন করছে, অন্য সদস্যরা তার তুলনায় অনেক কম অবদান রাখছে।
পোস্টটির সঙ্গে ট্রাম্প একটি চার্টও প্রকাশ করেন, যেখানে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তার প্রশাসন এরই মধ্যে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি কমানোর পদক্ষেপও নিয়েছে।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ মার্কিন বাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় মিত্র দেশগুলোর ওপর আরও ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, সংকটের সময় ন্যাটোর কিছু সদস্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা দেয়নি।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো আরও সক্রিয় ভূমিকা না নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হতাশ।
গত মে মাসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের বিষয়ে মিত্রদের অবস্থান নিয়ে প্রেসিডেন্টের হতাশা ‘সবারই জানা’। তার ভাষায়, এই মতপার্থক্য জুলাইয়ের শীর্ষ সম্মেলনে অবশ্যই আলোচনায় আসবে এবং এ কারণেই এবারের সম্মেলন ন্যাটোর ৭৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের চাপের মুখে গত বছর ন্যাটো নেতারা ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নীতিগতভাবে সম্মত হন। এর লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় সদস্যদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানো।
ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশকে নিয়ে এবারের শীর্ষ সম্মেলন ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ইরান যুদ্ধের সময় ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখে এই সম্মেলন আয়োজন না করার কথাও ভেবেছিল ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো।
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাটো দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট হিসেবে ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন ঘনিয়ে আসতেই ফের এই সামরিক ও প্রতিরক্ষা জোট নিয়ে তোপ দেগেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ন্যাটোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সমর্থনকে ফের ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। সামরিক জোটটির ইউরোপীয় সদস্যদের সমালোচনা করে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, জোটের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ‘একমুখী’ এবং ‘পারস্পরিক নয়’।
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তারা আমাদের জন্য ছিল না!’ তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর জন্য যে পরিমাণ ব্যয় ও দায়ভার বহন করছে, অন্য সদস্যরা তার তুলনায় অনেক কম অবদান রাখছে।
পোস্টটির সঙ্গে ট্রাম্প একটি চার্টও প্রকাশ করেন, যেখানে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয়ের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তার প্রশাসন এরই মধ্যে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি কমানোর পদক্ষেপও নিয়েছে।
সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ মার্কিন বাহিনীকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করায় মিত্র দেশগুলোর ওপর আরও ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, সংকটের সময় ন্যাটোর কিছু সদস্য যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা দেয়নি।
এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলো আরও সক্রিয় ভূমিকা না নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হতাশ।
গত মে মাসে ন্যাটোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের বিষয়ে মিত্রদের অবস্থান নিয়ে প্রেসিডেন্টের হতাশা ‘সবারই জানা’। তার ভাষায়, এই মতপার্থক্য জুলাইয়ের শীর্ষ সম্মেলনে অবশ্যই আলোচনায় আসবে এবং এ কারণেই এবারের সম্মেলন ন্যাটোর ৭৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের চাপের মুখে গত বছর ন্যাটো নেতারা ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নীতিগতভাবে সম্মত হন। এর লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় সদস্যদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানো।
ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশকে নিয়ে এবারের শীর্ষ সম্মেলন ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ইরান যুদ্ধের সময় ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনার মুখে এই সম্মেলন আয়োজন না করার কথাও ভেবেছিল ন্যাটোর সদস্যদেশগুলো।
১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাটো দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সামরিক জোট হিসেবে ইউরোপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং বিশ্ব রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট-ইউজি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দেশ জুড়ে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান শনিবার পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ভারতে প্রশ্নফাঁস, শিক্ষাব্যবস্থার অব্যবস্থা এবং সরকারের জবাবদিহির অভাবই দেশটির তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। তার অভিযোগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় না গিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকার দমন-পীড়নের পথ বেছে নি
১৪ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানাচ্ছে, শনিবার সন্ধ্যায় সরকার ও সিজেপি নেতাদের যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা আসে।
১৮ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর এই পদত্যাগ ঘটলেও সংগঠনটি বলেছে, আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।
১৮ ঘণ্টা আগে