
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও জব্দ থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করাসহ ১০ দফা শর্ত দিয়েছে ইরান। রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুও।
বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতা পল অ্যাডামস বলছেন, ইরানের প্রতিনিধি দলের প্রধান আলোচনার জন্য যেসব শর্ত দিয়েছেন, তা থেকেই বোঝা যায় এই আলোচনা কতটা জটিল হতে চলেছে।
পল অ্যাডামস বলেন, সবচেয়ে বড় ও পুরনো সমস্যা হলো পারমাণবিক ইস্যু। অনেকদিন ধরেই পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে চিন্তিত। ইরান সরকার দাবি করে, তারা কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করেনি। কিন্তু প্রায় আট বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগের পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ইরান বেসামরিক কাজের জন্য যতটা দরকার তার চেয়ে অনেক বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান তাদের কাছে থাকা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করুক। কিন্তু ধারণা করা হয়, এগুলো ইরানের ইসফাহানের কাছে একটি স্থাপনার ধ্বংসস্তূপের নিচে আছে।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু ইরান বলছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার তারা ছাড়বে না, এটা তাদের আলোচনার বিষয় নয়।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গ নিয়েও কথা বলেছেন পল অ্যাডামস। তিনি লিখেছেন, হরমুজ প্রণালি এই যুদ্ধের আগে বড় কোনো সমস্যা ছিল না, কিন্তু এখন ইরানের শক্তিশালী কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এই প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান, যার মাধ্যমে তারা এখন সমুদ্রপথে চলাচলের জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করতে চায়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ তল্লাশি করার ক্ষমতা ও শুল্ক বসানোর কথা এরই মধ্যে জানিয়েছে ইরান। চাইলেই জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ‘অধিকারে’র কথাও বলেছে তারা। পল অ্যাডামস বলছেন, বিশ্বের অনেক দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব শর্ত বা নিয়ম একেবারেই মানতে নারাজ।
পল অ্যাডামস বলেন, সমস্যা এখানেই শেষ নয়। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের যেসব আঞ্চলিক প্রভাব তারা ‘নেতিবাচক’ মনে করে, তা বন্ধ হোক। অন্যদিকে ইরান চায় তাদের ওপর থাকা সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হোক এবং গত এক মাসে যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
এবারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার সময়ও ইরান গুরুত্ব দিয়ে এই ক্ষতিপূরণের কথা উল্লেখ করেছে। অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল নাগাদ ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে প্রথমে ইরান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল পৃথক বৈঠকও করেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় গোটা বিশ্ব যেভাবে জ্বালানির সংকটে ভুগছে, তাতে ইসলামাবাদের এই বৈঠকের দিকে গোটা বিশ্বই তাকিয়ে রয়েছে। এ মুহূর্তে সবার এবং সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা হবে?
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনা শুরুর আগে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘পূর্ণ অবিশ্বাস’ নিয়েই আলোচনায় বসছেন তারা। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স অবশ্য পাকিস্তানের পথে রওয়ানা দেওয়ার আগে বলেছেন, ইরান ‘সৎভাবে’ আলোচনায় অংশ নিলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু তাতে কি শঙ্কা কাটছে? পল অ্যাডামস অবশ্য বলছেন, এ আলোচনা থেকে খুব বড় কিছু প্রত্যাশা না করাই ভালো। তার ভাষ্য, ‘পরিস্থিতি যেহেতু খুবই নাজুক, তাই অনেকের কাছে সবচেয়ে বড় আশা শুধু এটুকুই— অন্তত যুদ্ধবিরতিটা যেন টিকে থাকে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি ও জব্দ থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করাসহ ১০ দফা শর্ত দিয়েছে ইরান। রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুও।
বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতা পল অ্যাডামস বলছেন, ইরানের প্রতিনিধি দলের প্রধান আলোচনার জন্য যেসব শর্ত দিয়েছেন, তা থেকেই বোঝা যায় এই আলোচনা কতটা জটিল হতে চলেছে।
পল অ্যাডামস বলেন, সবচেয়ে বড় ও পুরনো সমস্যা হলো পারমাণবিক ইস্যু। অনেকদিন ধরেই পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে চিন্তিত। ইরান সরকার দাবি করে, তারা কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করেনি। কিন্তু প্রায় আট বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগের পারমাণবিক চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর ইরান বেসামরিক কাজের জন্য যতটা দরকার তার চেয়ে অনেক বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান তাদের কাছে থাকা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করুক। কিন্তু ধারণা করা হয়, এগুলো ইরানের ইসফাহানের কাছে একটি স্থাপনার ধ্বংসস্তূপের নিচে আছে।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান প্রতিশ্রুতি দিক যে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না। কিন্তু ইরান বলছে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার তারা ছাড়বে না, এটা তাদের আলোচনার বিষয় নয়।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গ নিয়েও কথা বলেছেন পল অ্যাডামস। তিনি লিখেছেন, হরমুজ প্রণালি এই যুদ্ধের আগে বড় কোনো সমস্যা ছিল না, কিন্তু এখন ইরানের শক্তিশালী কৌশলগত হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এই প্রণালি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে ইরান, যার মাধ্যমে তারা এখন সমুদ্রপথে চলাচলের জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করতে চায়।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ তল্লাশি করার ক্ষমতা ও শুল্ক বসানোর কথা এরই মধ্যে জানিয়েছে ইরান। চাইলেই জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ‘অধিকারে’র কথাও বলেছে তারা। পল অ্যাডামস বলছেন, বিশ্বের অনেক দেশ, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো এসব শর্ত বা নিয়ম একেবারেই মানতে নারাজ।
পল অ্যাডামস বলেন, সমস্যা এখানেই শেষ নয়। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরানের যেসব আঞ্চলিক প্রভাব তারা ‘নেতিবাচক’ মনে করে, তা বন্ধ হোক। অন্যদিকে ইরান চায় তাদের ওপর থাকা সব আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হোক এবং গত এক মাসে যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
এবারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার সময়ও ইরান গুরুত্ব দিয়ে এই ক্ষতিপূরণের কথা উল্লেখ করেছে। অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল নাগাদ ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে প্রথমে ইরান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল পৃথক বৈঠকও করেছে।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় গোটা বিশ্ব যেভাবে জ্বালানির সংকটে ভুগছে, তাতে ইসলামাবাদের এই বৈঠকের দিকে গোটা বিশ্বই তাকিয়ে রয়েছে। এ মুহূর্তে সবার এবং সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা হবে?
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনা শুরুর আগে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘পূর্ণ অবিশ্বাস’ নিয়েই আলোচনায় বসছেন তারা। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স অবশ্য পাকিস্তানের পথে রওয়ানা দেওয়ার আগে বলেছেন, ইরান ‘সৎভাবে’ আলোচনায় অংশ নিলে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
কিন্তু তাতে কি শঙ্কা কাটছে? পল অ্যাডামস অবশ্য বলছেন, এ আলোচনা থেকে খুব বড় কিছু প্রত্যাশা না করাই ভালো। তার ভাষ্য, ‘পরিস্থিতি যেহেতু খুবই নাজুক, তাই অনেকের কাছে সবচেয়ে বড় আশা শুধু এটুকুই— অন্তত যুদ্ধবিরতিটা যেন টিকে থাকে।’

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নেমে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, কারখানার নিচতলায় যেখানে দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ করা হতো, সেখান থেকেই মূলত আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘটনা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প বলেছেন, অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি কার্যত ‘শেষ’। তার এ অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। এর আগে হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলা
৭ ঘণ্টা আগে
আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আলমেরিয়া প্রদেশের লস গাইয়ারদোস এলাকায় এ দাবানলের সূত্রপাত হয়। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের মরদেহ আগুনে পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে—ওই ই-মেইলে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, ইলেকশন অ্যাসিস্ট্যান্স কমিশনের কমিশনার হিসেবে আপনার দায়িত্ব অবিলম্বে কার্যকরভাবে শেষ করা হলো।’
১০ ঘণ্টা আগে