
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ উত্তেজনার পর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও উল্লাস নেই তেহরানের রাজপথে। বরং আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ও সন্দিহান সাধারণ ইরানিরা। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তেহরান সায় দিলেও একে 'ইসরায়েলের জন্য সময় ক্ষেপণ' এবং 'নিজেদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত' হিসেবেই দেখছেন দেশটির সাধারণ মানুষ।
কিন্তু তেহরানের রাস্তায় এখন একটাই প্রশ্ন—হঠাৎ কেন এই যুদ্ধবিরতি? বিশ্ব যখন এই নাটকীয় সিদ্ধান্তে অবাক। তখন সাধারণ ইরানিদের কণ্ঠে চরম ক্ষোভ।
এমনকি ক্ষোভ প্রকাশ করতে অনেককেই রাজপথে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। তাদের হাতে থাকা জাতীয় পতাকা গাড়ির জানালা দিয়ে পতপত করে উড়ছিল। গাড়ি থেকে এক নারী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরা ইতিপূর্বে দুবার আলোচনার টেবিলে বসেছি, আর তারা সেই সুযোগে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। নিশ্চিতভাবেই এই যুদ্ধবিরতিও তারা কেবল নিজেদের শক্তি সঞ্চয়ের জন্যই ব্যবহার করবে।’
অন্য এক ইরানি নারীর কণ্ঠে ঝরছিল চরম তিক্ততা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমেরিকার স্বভাব কি কখনো বদলায়? বুঝতে পারছি না কেন তারা হঠাৎ হামলা বন্ধে রাজি হলো। বরাবরের মতোই হয়তো ইসরায়েলের জন্য সময় বের করতে চাইছে তারা।’
ঠিক সেই মুহূর্তে পাশ থেকে আরেক নারী উচ্চস্বরে বলে ওঠেন— ‘আমাদের নেতা তো শহীদ হয়েছেন, (তবে কেন এই আপস?)’ মূলত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়ার খবরেও সাধারণ ইরানিদের মধ্যে গভীর হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেহরানের এনঘেলাব চত্বরে জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। পতাকা হাতে সড়কে ভিড়। এক গাড়ির মহিলা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন: “আমরা কেন যুদ্ধবিরতি করব? এখানে লেখা ছিল, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।’ এখন সেটা আবার খুলে গেছে।”
আরেক নারীর দাবি, বর্তমান নেতৃত্ব এখনো এই যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘নতুন সুপ্রিম লিডার নিজে যদি সামনে এসে এই সমঝোতায় সম্মতি দেন, কেবল তখনই আমরা তা মেনে নেব। তিনি তো এখনো কিছু বলেননি; বরং মনে হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই চুক্তিকে নিজেদের জয় হিসেবে দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, ট্রাম্প ইরানের শর্তেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন।
কিন্তু হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কারোলিন লিভিট একেবারে উল্টো কথা বলেছেন: “সত্য হলো, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলতে বাধ্য করেছে। এবং আলোচনা চলবে।”
সবশেষে তেহরানের গাড়ি চলছে। পতাকা উড়ছে। কিন্তু মুখে কোনো উল্লাস নেই। বরং আছে সন্দেহ, ক্ষোভ আর একটাই প্রশ্ন–‘কেন হঠাৎ যুদ্ধবিরতি?’
অনেকেই মনে করছেন, এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আসলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দেবে। দীর্ঘদিনের সংঘাত আর ত্যাগের পর এমন আপসকামিতা তেহরানের মুক্তিকামী মানুষের মনে এক গভীর সংশয় ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

দীর্ঘ উত্তেজনার পর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও উল্লাস নেই তেহরানের রাজপথে। বরং আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ও সন্দিহান সাধারণ ইরানিরা। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তেহরান সায় দিলেও একে 'ইসরায়েলের জন্য সময় ক্ষেপণ' এবং 'নিজেদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত' হিসেবেই দেখছেন দেশটির সাধারণ মানুষ।
কিন্তু তেহরানের রাস্তায় এখন একটাই প্রশ্ন—হঠাৎ কেন এই যুদ্ধবিরতি? বিশ্ব যখন এই নাটকীয় সিদ্ধান্তে অবাক। তখন সাধারণ ইরানিদের কণ্ঠে চরম ক্ষোভ।
এমনকি ক্ষোভ প্রকাশ করতে অনেককেই রাজপথে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। তাদের হাতে থাকা জাতীয় পতাকা গাড়ির জানালা দিয়ে পতপত করে উড়ছিল। গাড়ি থেকে এক নারী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরা ইতিপূর্বে দুবার আলোচনার টেবিলে বসেছি, আর তারা সেই সুযোগে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। নিশ্চিতভাবেই এই যুদ্ধবিরতিও তারা কেবল নিজেদের শক্তি সঞ্চয়ের জন্যই ব্যবহার করবে।’
অন্য এক ইরানি নারীর কণ্ঠে ঝরছিল চরম তিক্ততা। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আমেরিকার স্বভাব কি কখনো বদলায়? বুঝতে পারছি না কেন তারা হঠাৎ হামলা বন্ধে রাজি হলো। বরাবরের মতোই হয়তো ইসরায়েলের জন্য সময় বের করতে চাইছে তারা।’
ঠিক সেই মুহূর্তে পাশ থেকে আরেক নারী উচ্চস্বরে বলে ওঠেন— ‘আমাদের নেতা তো শহীদ হয়েছেন, (তবে কেন এই আপস?)’ মূলত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়ার খবরেও সাধারণ ইরানিদের মধ্যে গভীর হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেহরানের এনঘেলাব চত্বরে জড়ো হয়েছেন শত শত মানুষ। পতাকা হাতে সড়কে ভিড়। এক গাড়ির মহিলা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন: “আমরা কেন যুদ্ধবিরতি করব? এখানে লেখা ছিল, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।’ এখন সেটা আবার খুলে গেছে।”
আরেক নারীর দাবি, বর্তমান নেতৃত্ব এখনো এই যুদ্ধবিরতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘নতুন সুপ্রিম লিডার নিজে যদি সামনে এসে এই সমঝোতায় সম্মতি দেন, কেবল তখনই আমরা তা মেনে নেব। তিনি তো এখনো কিছু বলেননি; বরং মনে হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই চুক্তিকে নিজেদের জয় হিসেবে দাবি করেছে। তাদের বক্তব্য, ট্রাম্প ইরানের শর্তেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছেন।
কিন্তু হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কারোলিন লিভিট একেবারে উল্টো কথা বলেছেন: “সত্য হলো, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলতে বাধ্য করেছে। এবং আলোচনা চলবে।”
সবশেষে তেহরানের গাড়ি চলছে। পতাকা উড়ছে। কিন্তু মুখে কোনো উল্লাস নেই। বরং আছে সন্দেহ, ক্ষোভ আর একটাই প্রশ্ন–‘কেন হঠাৎ যুদ্ধবিরতি?’
অনেকেই মনে করছেন, এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আসলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দেবে। দীর্ঘদিনের সংঘাত আর ত্যাগের পর এমন আপসকামিতা তেহরানের মুক্তিকামী মানুষের মনে এক গভীর সংশয় ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে
৯ ঘণ্টা আগে
ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৯ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে