
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও প্রতিদিনের হামলা-পালটা হামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও দুর্বল করতে বৃহস্পতিবার রাতেও একাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কেশম দ্বীপ এবং ইরানের সবচেয়ে বড় বন্দর বন্দর আব্বাসের আশপাশের এলাকা, যেখানে দেশটির নৌবাহিনী ও ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত এ হামলায় ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক রসদ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাসহ কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এর আগে ইরানও প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিও ছিল।
শুক্রবার ভোরে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের মতো কয়েকটি শব্দ শোনা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি শিশু আহত হয়েছে।
ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সর্বশেষ মার্কিন হামলায় পাঁচটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি উপকূলীয় শহর বন্দর খামিরের রেলস্টেশন এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইরানশাহর বিমানবন্দরেও হামলা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর শহর বন্দর খামিরে সেতুগুলোতে মার্কিন হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ফের অচল হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল
সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে আবারও জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বুধবার থেকে তেহরান আবারও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ শুরু করেছে। একই সময়ে ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করেছে।
রয়টার্সকে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুথিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালিও বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে পারে ইরান।
গত সপ্তাহেও হরমুজ প্রণালির নির্ধারিত নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছিল তেহরান।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, হরমুজ প্রণালিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে এবং ইরানকে তার পরিণতি ভোগ করানো নিশ্চিত না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বসে থাকবেন না।
তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, ট্রাম্প সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রাখতে চান।
ইরানি সূত্রগুলোর দাবি, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তেহরানের প্রধান লক্ষ্য। তবে তারা এমন মাত্রার সংঘাতে যেতে চায় না, যাতে জুন মাসে হওয়া সমঝোতা স্মারক পুরোপুরি ভেস্তে যায়। তেহরানের মতে, ওই সমঝোতায় তাদের চাওয়া অধিকাংশ বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
নতুন করে বোমা হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সাধারণ মানুষের মধ্যে আবারও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
তেহরানের বাসিন্দা ৪৬ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা মাহলেঘা রয়টার্সকে বলেন, ‘যেকোনো সময় আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে— এমন ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা খুবই ক্লান্তিকর। এভাবে জীবন চলতে পারে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই কূটনীতিই জয়ী হোক।’
প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে রাজি নয় তেহরান
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনও বিপরীতমুখী। ইরান চায়, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজ তাদের উপকূলঘেঁষা নির্ধারিত চ্যানেল ব্যবহার করুক। গত মাসের সমঝোতা স্মারকে নির্ধারিত ৬০ দিনের আলোচনা শেষ হলে এসব জাহাজের কাছ থেকে যাতায়াত ফিও আদায় করতে চায় তেহরান।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জাহাজগুলোকে ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণের বিকল্প নৌপথ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছে। মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, উপকূলীয় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সর্বশেষ বিমান হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া।
তবে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বৃহস্পতিবার বলেন, এতে কোনো লাভ হবে না। কারণ, ইরান তার ভূখণ্ডের যেকোনো স্থান থেকেই হরমুজ প্রণালিতে আঘাত হানতে সক্ষম।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল অবস্থিত খার্গ দ্বীপ দখলে স্থলবাহিনী ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান যদি আবার আলোচনায় না ফেরে, তাহলে আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় আরও হামলা চালানো হতে পারে।

গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও প্রতিদিনের হামলা-পালটা হামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আরও দুর্বল করতে বৃহস্পতিবার রাতেও একাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কেশম দ্বীপ এবং ইরানের সবচেয়ে বড় বন্দর বন্দর আব্বাসের আশপাশের এলাকা, যেখানে দেশটির নৌবাহিনী ও ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি রয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিচালিত এ হামলায় ইরানের উপকূলীয় নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক রসদ অবকাঠামো এবং সামুদ্রিক সক্ষমতাসহ কয়েক ডজন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এর আগে ইরানও প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিও ছিল।
শুক্রবার ভোরে ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের মতো কয়েকটি শব্দ শোনা গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে একটি শিশু আহত হয়েছে।
ইরানের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সর্বশেষ মার্কিন হামলায় পাঁচটি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি উপকূলীয় শহর বন্দর খামিরের রেলস্টেশন এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ইরানশাহর বিমানবন্দরেও হামলা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর শহর বন্দর খামিরে সেতুগুলোতে মার্কিন হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ফের অচল হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল
সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে আবারও জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বুধবার থেকে তেহরান আবারও হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ শুরু করেছে। একই সময়ে ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করেছে।
রয়টার্সকে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ইয়েমেনে তাদের মিত্র হুথিদের মাধ্যমে লোহিত সাগরের প্রবেশমুখে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালিও বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে পারে ইরান।
গত সপ্তাহেও হরমুজ প্রণালির নির্ধারিত নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছিল তেহরান।
হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, হরমুজ প্রণালিতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে এবং ইরানকে তার পরিণতি ভোগ করানো নিশ্চিত না করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বসে থাকবেন না।
তবে তিনি একই সঙ্গে বলেন, ট্রাম্প সব সময় কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রাখতে চান।
ইরানি সূত্রগুলোর দাবি, হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠাই তেহরানের প্রধান লক্ষ্য। তবে তারা এমন মাত্রার সংঘাতে যেতে চায় না, যাতে জুন মাসে হওয়া সমঝোতা স্মারক পুরোপুরি ভেস্তে যায়। তেহরানের মতে, ওই সমঝোতায় তাদের চাওয়া অধিকাংশ বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
নতুন করে বোমা হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সাধারণ মানুষের মধ্যে আবারও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
তেহরানের বাসিন্দা ৪৬ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা মাহলেঘা রয়টার্সকে বলেন, ‘যেকোনো সময় আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে— এমন ভয় নিয়ে বেঁচে থাকা খুবই ক্লান্তিকর। এভাবে জীবন চলতে পারে না। ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই কূটনীতিই জয়ী হোক।’
প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে রাজি নয় তেহরান
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান এখনও বিপরীতমুখী। ইরান চায়, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী সব জাহাজ তাদের উপকূলঘেঁষা নির্ধারিত চ্যানেল ব্যবহার করুক। গত মাসের সমঝোতা স্মারকে নির্ধারিত ৬০ দিনের আলোচনা শেষ হলে এসব জাহাজের কাছ থেকে যাতায়াত ফিও আদায় করতে চায় তেহরান।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জাহাজগুলোকে ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণের বিকল্প নৌপথ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছে। মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, উপকূলীয় সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সর্বশেষ বিমান হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া।
তবে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বৃহস্পতিবার বলেন, এতে কোনো লাভ হবে না। কারণ, ইরান তার ভূখণ্ডের যেকোনো স্থান থেকেই হরমুজ প্রণালিতে আঘাত হানতে সক্ষম।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল অবস্থিত খার্গ দ্বীপ দখলে স্থলবাহিনী ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তেহরান যদি আবার আলোচনায় না ফেরে, তাহলে আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় আরও হামলা চালানো হতে পারে।

র্যানসমওয়্যার গোষ্ঠী ‘ওয়ার্ল্ড লিকস’ ভারতের শিল্পগোষ্ঠী রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের সার্ভারে সাইবার হামলা চালিয়ে দেশটির বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কুদানকুলাম-সংক্রান্ত হাজারো সংবেদনশীল নথি ফাঁস করেছে।
১ দিন আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নৌকা দুটি যাত্রা শুরু করে। এতে ৫০০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন, যাদের বেশির ভাগই জাতিগত সংখ্য
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালিতে খার্গ দ্বীপের দিকে যাচ্ছিল একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। একই সময়ে রাজধানী তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে হামলার খবরও পাওয়া গেছে।
১ দিন আগে
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার (১৫ জুলাই) ইরানের গ্রেটার তুনব দ্বীপ, প্রধান বন্দর বান্দার আব্বাসসহ বিভিন্ন শহরের সামরিক কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে দুই দফায় হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার অভিযানের অংশ হ
১ দিন আগে