
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু রাষ্ট্রে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা।
লন্ডন থেকে প্রকাশিত আশারাক আল–আওসাতের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব ধরনের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
ট্রাম্পের এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে ব্রাজিলের সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যে এক জনসমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে লুলা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বড় দেশ, যে দেশ দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে বলে আমি বিশ্বাস করি, তারা এখন নিজেরাই জলদস্যুতে পরিণত হতে পারে না।’
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া পণ্যবাহী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ঘোষণার বিষয়ে ট্রাম্প একটি দিক থেকে সঠিক কথা বলেছেন।
আরাগচি লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট একদম ঠিক বলেছেন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে যে পক্ষ, সেই সেবার জন্য তার পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত। ইরান সব সময়ই এই প্রণালির রক্ষক ছিল এবং চিরকাল থাকবে। তবে ২০ শতাংশ অবশ্যই অনেক বেশি। আমরা ন্যায্য থাকব।’
সোমবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে আরও লেখেন, তিনি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আবারও অবরোধ কার্যকর করবেন এবং এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তার দাবি, এই অর্থ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিরাপদ ও সচল রাখতে ব্যয় করা হবে।
ট্রাম্প বলেন, “হরমুজ প্রণালি খোলা আছে এবং ইরান থাকুক বা না থাকুক, এটি খোলাই থাকবে। আমরা ‘ইরানি অবরোধ’ আবার চালু করছি। এর নাম এমন কারণ, এটি শুধু ইরানের জাহাজ বা তাদের গ্রাহকদের প্রবেশ ও প্রস্থান ঠেকাবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের এই অত্যন্ত অস্থিতিশীল অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সব পণ্যবাহী জাহাজের কাছ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এই প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হবে। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
এর আগে ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প একই ধারণার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং এর জন্য অর্থ পাওয়া উচিত।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা প্রণালিটি নিরাপদ রাখব এবং সম্ভবত আমরা এটিই পরিচালনা করব। আমরা প্রণালির অভিভাবক হয়ে উঠব। হয়তো নিজেদের ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেইট’ বলব। আর এর জন্য আমাদের পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত।’
বিশ্বের জ্বালানি তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে চলমান উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রণালিতে ইরানের কার্যকর অবরোধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং বিশ্ব জুড়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনঃস্থাপনের একমাত্র উপায় হলো সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, ‘এই হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস খাতে আরও বড় ধরনের পরিণতি সৃষ্টি হতে পারে।’

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘জলদস্যু রাষ্ট্রে’ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা।
লন্ডন থেকে প্রকাশিত আশারাক আল–আওসাতের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব ধরনের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।
ট্রাম্পের এমন ঘোষণার প্রেক্ষিতে ব্রাজিলের সাও পাওলো অঙ্গরাজ্যে এক জনসমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে লুলা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি বড় দেশ, যে দেশ দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যুতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে বলে আমি বিশ্বাস করি, তারা এখন নিজেরাই জলদস্যুতে পরিণত হতে পারে না।’
এদিকে ট্রাম্পের ঘোষণার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া পণ্যবাহী জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ঘোষণার বিষয়ে ট্রাম্প একটি দিক থেকে সঠিক কথা বলেছেন।
আরাগচি লেখেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট একদম ঠিক বলেছেন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে যে পক্ষ, সেই সেবার জন্য তার পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত। ইরান সব সময়ই এই প্রণালির রক্ষক ছিল এবং চিরকাল থাকবে। তবে ২০ শতাংশ অবশ্যই অনেক বেশি। আমরা ন্যায্য থাকব।’
সোমবার ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে আরও লেখেন, তিনি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আবারও অবরোধ কার্যকর করবেন এবং এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত সব পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তার দাবি, এই অর্থ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিরাপদ ও সচল রাখতে ব্যয় করা হবে।
ট্রাম্প বলেন, “হরমুজ প্রণালি খোলা আছে এবং ইরান থাকুক বা না থাকুক, এটি খোলাই থাকবে। আমরা ‘ইরানি অবরোধ’ আবার চালু করছি। এর নাম এমন কারণ, এটি শুধু ইরানের জাহাজ বা তাদের গ্রাহকদের প্রবেশ ও প্রস্থান ঠেকাবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের এই অত্যন্ত অস্থিতিশীল অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সব পণ্যবাহী জাহাজের কাছ থেকে ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এই প্রক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হবে। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
এর আগে ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও ট্রাম্প একই ধারণার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং এর জন্য অর্থ পাওয়া উচিত।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা প্রণালিটি নিরাপদ রাখব এবং সম্ভবত আমরা এটিই পরিচালনা করব। আমরা প্রণালির অভিভাবক হয়ে উঠব। হয়তো নিজেদের ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল অব দ্য স্ট্রেইট’ বলব। আর এর জন্য আমাদের পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত।’
বিশ্বের জ্বালানি তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে চলমান উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রণালিতে ইরানের কার্যকর অবরোধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং বিশ্ব জুড়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনঃস্থাপনের একমাত্র উপায় হলো সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ বন্ধ করা। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, ‘এই হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস খাতে আরও বড় ধরনের পরিণতি সৃষ্টি হতে পারে।’

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে, আগুন লাগার সময় নার্সারিতে মোট ১৬ জন নবজাতক ভর্তি ছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হলেও তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার কানাডা সরকার জানিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ বা ‘ডলার-ফর-ডলার’ নীতিতে পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে তারা। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা এক ডলার শুল্কের বিপরীতে সমানহারে শুল্ক বসাবে কানাডা। একই সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্
৯ ঘণ্টা আগে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, সংগ্রহ, বিক্রি, পরিবহন বা বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য লেনদেনে জেনেশুনে জড়িত থাকার কারণে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
গ্রিসের অভিবাসনমন্ত্রী থানোস প্লেভরিস অভিবাসীদের আগমন ঠেকাতে কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিবাসীদের আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে রিটার্ন হাব স্থাপনের বিষয়েও জার্মানি ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে গ্রিস।
১১ ঘণ্টা আগে