
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবার গেছেন চীন সফরে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থায় এ সফর গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম ইরনার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ সময় ভোরে কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল নিয়ে বেইজিং পৌঁছান আরাগচি।
সফরে ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন।
এর আগে আরাগচি গত সপ্তাহেই পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর তিনি দ্বিপাক্ষিক এসব সফর শুরু করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিনের মাথায় ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনা হলেও দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়নি।
পরে পাকিস্তান দ্বিতীয় দফা আলোচনার উদ্যোগ নিলেও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধের জের ধরে আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি ইরান। এর মধ্যে দুই দেশই স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও টেকসই সমাধানের জন্য পালটাপালটি শর্ত আরোপ করেছে। তবে কোনো পক্ষই প্রতিপক্ষের শর্তে সম্মত হয়নি। তাতে ভঙ্গুর এক যুদ্ধবিরতির মধ্যে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে আটকে রয়েছে ইরান যুদ্ধ।
এমন অবস্থার মধ্যেই বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশ সফর করতে শুরু করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়েছে ইরান।

পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবার গেছেন চীন সফরে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থায় এ সফর গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম ইরনার খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ সময় ভোরে কূটনৈতিক প্রতিনিধি দল নিয়ে বেইজিং পৌঁছান আরাগচি।
সফরে ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করবেন।
এর আগে আরাগচি গত সপ্তাহেই পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফর করেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর তিনি দ্বিপাক্ষিক এসব সফর শুরু করেছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিনের মাথায় ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদে দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনা হলেও দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়নি।
পরে পাকিস্তান দ্বিতীয় দফা আলোচনার উদ্যোগ নিলেও যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধের জের ধরে আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি ইরান। এর মধ্যে দুই দেশই স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও টেকসই সমাধানের জন্য পালটাপালটি শর্ত আরোপ করেছে। তবে কোনো পক্ষই প্রতিপক্ষের শর্তে সম্মত হয়নি। তাতে ভঙ্গুর এক যুদ্ধবিরতির মধ্যে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে আটকে রয়েছে ইরান যুদ্ধ।
এমন অবস্থার মধ্যেই বৈশ্বিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দেশ সফর করতে শুরু করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়েছে ইরান।

পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে অবস্থিত শিখা ইন নামের ওই হোটেলের তৃতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আগুন পাশের আরও কয়েকটি হোটেলেও ছড়িয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
নিহত দেবাশীষ দত্ত আজকের পত্রিকা ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আজকের আলো পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডে তার স্ত্রী আফসানা শারমীন (২৭), ছেলে শর্ণশীষ দত্ত (৩) ও শ্বশুর আকরাম হোসেন (৬০) মারা গেছেন।
১ দিন আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
১ দিন আগে