
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে থাকা যুদ্ধে ইরানকেই ‘বিজয়ী পক্ষ’ হিসেবে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি। বলেছেন, ইরান এই যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে মোজতবা খামেনির এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
মোতজবা খামেনি তার বার্তায় বলেন, এই যুদ্ধে ইরানের জনগণই ‘বিজয়ী পক্ষ’ এবং এই যুদ্ধে ‘বিজয়ী জাতি’ও ইরানই। যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান সরকার হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাকে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে। তবে সেটি কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা দেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
গত ২৮ ফেব্রুযারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হয় এবারের ইরান যুদ্ধ। প্রথম দিনই যৌথ হামলায় প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, যিনি ১৯৮৯ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ইরানকে নেতৃত্ব দেন।
আলি খামেনির মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করার পরপরই ইরান সরকার জানায়, তারা নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরুর ৯ দিনের মাথায় ৮ মার্চ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হলেও মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি। বিবৃতিতে তিনি ইরানের জনগণকে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, খোলা ময়দানে আপনাদের সরব উপস্থিতি আমাদের আলোচনা ও দরকষাকষিতে প্রভাব ফেলে।
ইরান কখনো যুদ্ধ চায়নি জানিয়ে বিবৃতিতে মোজতবা বলেন, ইরান কখনোই যুদ্ধ চায়নি। আমরা এখনো যুদ্ধ চাইছি না। কিন্তু তাই বলে নিজেদের বৈধ অধিকার আদায়ের প্রশ্নেও ইরান কোনোভাবেই পিছু হটবে না।
ইরানের মিত্রসহ আঞ্চলিক সহযোগী গোষ্ঠীগুলোও ইরানের এমন অবস্থানকে সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন মোজতবা খামেনি।
এর আগে যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিনের মাথায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করে তিনি জানান, ইরান আলোচনায় সম্মত হয়েছে। এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান।
এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরপরই ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে লেবাননে। এর জের ধরে ইরান ফের হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে থাকা যুদ্ধে ইরানকেই ‘বিজয়ী পক্ষ’ হিসেবে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি। বলেছেন, ইরান এই যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করবে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে মোজতবা খামেনির এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
মোতজবা খামেনি তার বার্তায় বলেন, এই যুদ্ধে ইরানের জনগণই ‘বিজয়ী পক্ষ’ এবং এই যুদ্ধে ‘বিজয়ী জাতি’ও ইরানই। যুদ্ধের প্রতিটি ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান সরকার হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাকে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে। তবে সেটি কীভাবে করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা দেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
গত ২৮ ফেব্রুযারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে শুরু হয় এবারের ইরান যুদ্ধ। প্রথম দিনই যৌথ হামলায় প্রাণ হারান ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, যিনি ১৯৮৯ সাল থেকে দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ইরানকে নেতৃত্ব দেন।
আলি খামেনির মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করার পরপরই ইরান সরকার জানায়, তারা নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরুর ৯ দিনের মাথায় ৮ মার্চ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করা হয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হলেও মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি। বিবৃতিতে তিনি ইরানের জনগণকে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, খোলা ময়দানে আপনাদের সরব উপস্থিতি আমাদের আলোচনা ও দরকষাকষিতে প্রভাব ফেলে।
ইরান কখনো যুদ্ধ চায়নি জানিয়ে বিবৃতিতে মোজতবা বলেন, ইরান কখনোই যুদ্ধ চায়নি। আমরা এখনো যুদ্ধ চাইছি না। কিন্তু তাই বলে নিজেদের বৈধ অধিকার আদায়ের প্রশ্নেও ইরান কোনোভাবেই পিছু হটবে না।
ইরানের মিত্রসহ আঞ্চলিক সহযোগী গোষ্ঠীগুলোও ইরানের এমন অবস্থানকে সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন মোজতবা খামেনি।
এর আগে যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিনের মাথায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিরতি ঘোষণা করে তিনি জানান, ইরান আলোচনায় সম্মত হয়েছে। এই দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান।
এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরপরই ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে লেবাননে। এর জের ধরে ইরান ফের হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৪ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৮ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১ দিন আগে