
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাজ্যসহ কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃতির কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে এসব দেশ সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করেছে। জর্ডান নদীর তীরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই প্রতিষ্ঠা পাবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ওই তিন দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
নেতানিয়াহু ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর (হামাস) ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরও যে নেতারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার স্পষ্ট বার্তা— আপনারা সন্ত্রাসবাদকে ব্যাপকভাবে পুরষ্কৃত করছেন।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই প্রতিষ্ঠা পাবে না উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, আপনাদের জন্য আমার আরও একটি বার্তা আছে। তা হলো— এটি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্র) কখনো ঘটবে না। জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনো প্রতিষ্ঠা পাবে না।
বহু বছর ধরে বহু চাপের মুখে ‘একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠা পাওয়াকে ঠেকিয়ে রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বাস্তবে আমরা জুডিয়া (জেরুজালেমের শহর) ও সামারিয়ায় (পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছের শহর) ইহুদি বসতি দ্বিগুণ করেছি। আমরা বসতি সম্প্রসারণ করে যাব।
ইসরায়েলের একাধিক মন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারাও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। এর মধ্যে নেতানিয়াহু সরকারের দুই কট্টরপন্থি মন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতমার বেন গাভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ইসরায়েলকে পশ্চিম তীরে সার্বভৌমত্ব দাবি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
যুক্তরাজ্য ও অন্যরা একটি খারাপ পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন ইসরায়েল সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদ। তবে এর জন্য নেতানিয়াহু সরকারকেই দায়ী করেছেন তিনি।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ বলেন, এই সরকার আমাদের দেশের ইতিহাসে আমাদের ওপর ভয়ানক নিরাপত্তা বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। তারাই এখন আমাদের ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে মারাত্মক কূটনৈতিক সংকটও ডেকে আনছে।
ইসরায়েলের আরেক রাজনৈতিক নেতা ইয়ার গোলান ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতিকে ইসরায়েলের সরকারের রাজনৈতিক ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ পদক্ষেপ ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য ধ্বংসাত্মক।
এর আগে রোববার ফিলিস্তিনকে প্রথম স্বীকৃতির ঘোষণা দেয় কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক এক্স পোস্টে বলেন, ‘কানাডা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ইসরায়েল রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠনের অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠা করতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিচ্ছে।’
এরপর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় অস্ট্রেলিয়া৷ দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এক ভিডিওবার্তায় বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা করছি, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাজ্যসহ কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃতির কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেছেন, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে এসব দেশ সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করেছে। জর্ডান নদীর তীরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই প্রতিষ্ঠা পাবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ওই তিন দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এক ভিডিও বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
নেতানিয়াহু ভিডিও বিবৃতিতে বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর (হামাস) ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরও যে নেতারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার স্পষ্ট বার্তা— আপনারা সন্ত্রাসবাদকে ব্যাপকভাবে পুরষ্কৃত করছেন।
ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনোই প্রতিষ্ঠা পাবে না উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, আপনাদের জন্য আমার আরও একটি বার্তা আছে। তা হলো— এটি (ফিলিস্তিন রাষ্ট্র) কখনো ঘটবে না। জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র কখনো প্রতিষ্ঠা পাবে না।
বহু বছর ধরে বহু চাপের মুখে ‘একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠা পাওয়াকে ঠেকিয়ে রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বাস্তবে আমরা জুডিয়া (জেরুজালেমের শহর) ও সামারিয়ায় (পশ্চিম তীরের নাবলুসের কাছের শহর) ইহুদি বসতি দ্বিগুণ করেছি। আমরা বসতি সম্প্রসারণ করে যাব।
ইসরায়েলের একাধিক মন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতারাও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। এর মধ্যে নেতানিয়াহু সরকারের দুই কট্টরপন্থি মন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতমার বেন গাভির ও অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ইসরায়েলকে পশ্চিম তীরে সার্বভৌমত্ব দাবি করার আহ্বান জানিয়েছেন।
যুক্তরাজ্য ও অন্যরা একটি খারাপ পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছেন ইসরায়েল সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ইয়াইর লাপিদ। তবে এর জন্য নেতানিয়াহু সরকারকেই দায়ী করেছেন তিনি।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ বলেন, এই সরকার আমাদের দেশের ইতিহাসে আমাদের ওপর ভয়ানক নিরাপত্তা বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। তারাই এখন আমাদের ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে মারাত্মক কূটনৈতিক সংকটও ডেকে আনছে।
ইসরায়েলের আরেক রাজনৈতিক নেতা ইয়ার গোলান ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতিকে ইসরায়েলের সরকারের রাজনৈতিক ব্যর্থতা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ পদক্ষেপ ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য ধ্বংসাত্মক।
এর আগে রোববার ফিলিস্তিনকে প্রথম স্বীকৃতির ঘোষণা দেয় কানাডা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক এক্স পোস্টে বলেন, ‘কানাডা ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও ইসরায়েল রাষ্ট্রের শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠনের অঙ্গীকার প্রতিষ্ঠা করতে সহযোগিতার প্রস্তাব দিচ্ছে।’
এরপর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় অস্ট্রেলিয়া৷ দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক বিবৃতিতে বলেন, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এক ভিডিওবার্তায় বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি ঘোষণা করছি, যুক্তরাজ্য ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

ভূমিকম্প উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র তেরনাতে শহর থেকে প্রায় ১২৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
৮ ঘণ্টা আগে
এই ফোনালাপে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবনা ও কৌশলগত বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।
৮ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, ওয়েস্ট সামরিক গ্রুপিংয়ের ইউনিটগুলো লুহানস্কের ‘মুক্তি’ সম্পন্ন করেছে। ইউক্রেনের এ অঞ্চলটিকে লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিক হিসেবে অভিহিত করে থাকে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প একতরফাভাবে ৭৭ বছর পুরোনো এই ট্রান্স-আটলান্টিক জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিতে পারবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়, যদিও তিনি প্রায়ই কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। এমন অনেক সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আটকেও গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে