
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বার্লিনের ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক এলাকা টিয়ারগার্টেনস্ট্রাসেতে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন চ্যান্সারি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ মে) নতুন চ্যান্সারি নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা দুই বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
জার্মানির বার্লিনে বাংলাদেশের নিজস্ব চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যয় হবে ১ কোটি ২৮ লাখ ইউরো; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা। চ্যান্সারি নির্মাণ প্রকল্পটি শেষ হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এটিই হবে বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের প্রথম প্রকল্প।
অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কসোভো, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, বার্লিনের মেয়রের কার্যালয়ের প্রতিনিধিসহ অন্য স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বার্লিনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্লিন সিনেট থেকে পাওয়া সহায়তার কথা তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য একাধিকবার সময় বাড়ানো। প্রকল্প পরামর্শদাতা সংস্থা পিটার রুজ আর্কিটেকটেনের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দূতাবাস আশাবাদী যে জড়িত সব স্টেকহোল্ডার প্রকল্পের সফল সমাপ্তির জন্য পারস্পারিক আস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করবে।’
বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ২০২৩ সালের প্রথম দিকে প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে ম্যাবেটেক্স গ্রুপকে নির্বাচন করেছে। গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সরকার ও ম্যাবেটেক্স গ্রুপের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে। নির্ধারিত দুই বছরের মধ্যেই ম্যাবেটেক্স গ্রুপ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারবে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস আশাবাদী।

বার্লিনের ঐতিহ্যবাহী কূটনৈতিক এলাকা টিয়ারগার্টেনস্ট্রাসেতে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন চ্যান্সারি নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ মে) নতুন চ্যান্সারি নির্মাণকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা দুই বছরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
জার্মানির বার্লিনে বাংলাদেশের নিজস্ব চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণে ব্যয় হবে ১ কোটি ২৮ লাখ ইউরো; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা। চ্যান্সারি নির্মাণ প্রকল্পটি শেষ হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের এটিই হবে বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের প্রথম প্রকল্প।
অনুষ্ঠানে ইন্দোনেশিয়া, ভারত, কসোভো, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, বার্লিনের মেয়রের কার্যালয়ের প্রতিনিধিসহ অন্য স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বার্লিনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বার্লিন সিনেট থেকে পাওয়া সহায়তার কথা তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য একাধিকবার সময় বাড়ানো। প্রকল্প পরামর্শদাতা সংস্থা পিটার রুজ আর্কিটেকটেনের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূত মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘দূতাবাস আশাবাদী যে জড়িত সব স্টেকহোল্ডার প্রকল্পের সফল সমাপ্তির জন্য পারস্পারিক আস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করবে।’
বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি ২০২৩ সালের প্রথম দিকে প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে ম্যাবেটেক্স গ্রুপকে নির্বাচন করেছে। গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সরকার ও ম্যাবেটেক্স গ্রুপের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তি সই হয়েছে। নির্ধারিত দুই বছরের মধ্যেই ম্যাবেটেক্স গ্রুপ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারবে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস আশাবাদী।

ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যগুলোকে ডাকযোগে ভোট দেওয়া ভোটারদের নির্দিষ্ট তথ্য ইউএসপিএসকে দিতে হতো। একই সঙ্গে ব্যালট পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ধরনের খাম, মার্কিং ও বারকোড ব্যবহারের শর্ত রাখা হয়েছিল। নির্ধারিত নিয়মের সঙ্গে কোনো ব্যালটের তথ্য বা খাম সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে ডাক বিভাগ সেটি গ্র
৫ ঘণ্টা আগে
সতর্কতা জারির পর বাসিন্দাদের শান্ত থাকার পাশাপাশি অপ্রয়োজনে এক জায়গায় জড়ো না হতে এবং সতর্কতার ঘটনা বা পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। বিপদ কেটে যাওয়ার কথা জানানো হলেও সতর্কবার্তায় দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে
৮ ঘণ্টা আগে
টানা গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নিজস্ব কৌশলগত অস্ত্রভাণ্ডারে বড় ধরণের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে চাহিদামতো দ্রুত নতুন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের মতো শিল্প-সক্ষমতাও এই মুহূর্তে মার্কিন ডিফেন্স সেক্টরের নেই। ফলে একদিকে অর্থনৈতিক ক্ষতি আর অন্যদিকে নতুন অস্ত্র সরবরাহের সীমাবদ্ধতা—স
১৫ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগরের দক্ষিণাংশে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরও দুটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ‘গ্রেটার হানিশ’ ও ‘লেসার হানিশ’ নামের এই দুটি দ্বীপ দখলের মধ্য দিয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে নিজেদের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটি।
১ দিন আগে