
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে কাতারের জোরাল সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলী-সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দোহায় হোটেল শেরাটনে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ বিন আব্দুলাজিজ বিন সালেহ আল খোলাইফির সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিল বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তিনি জানান, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করায় সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ রোহিঙ্গা ইস্যুতে সর্বসম্মতিক্রমে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনের বিষয়ে কাতার সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতে পারে।
কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে বিস্তৃত সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি হাই রিপ্রেজেন্টেটিভকে জানান, রোহিঙ্গাদের অমানবিক পরিস্থিতি ও মুসলমান হিসেবে রোহিঙ্গাদের বিষয়টিকে কাতার বিশেষ গুরুত্বারোপ করে থাকে।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিন সালেহ আল খোলাইফি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। বাংলাদেশের পরিস্থিতি যথেষ্ট স্থিতিশীল বলে অবহিত করেন হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান।
কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কাতারের জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও জনগণকে তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম ও মিশন উপপ্রধান মো. ওয়ালিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে কাতারের জোরাল সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলী-সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দোহায় হোটেল শেরাটনে কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ বিন আব্দুলাজিজ বিন সালেহ আল খোলাইফির সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিল বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে তিনি জানান, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশে অবস্থান করায় সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ ও প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ রোহিঙ্গা ইস্যুতে সর্বসম্মতিক্রমে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী বছরে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনের বিষয়ে কাতার সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করতে পারে।
কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে বিস্তৃত সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি হাই রিপ্রেজেন্টেটিভকে জানান, রোহিঙ্গাদের অমানবিক পরিস্থিতি ও মুসলমান হিসেবে রোহিঙ্গাদের বিষয়টিকে কাতার বিশেষ গুরুত্বারোপ করে থাকে।
বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিন সালেহ আল খোলাইফি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। বাংলাদেশের পরিস্থিতি যথেষ্ট স্থিতিশীল বলে অবহিত করেন হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ খলিলুর রহমান।
কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কাতারের জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও জনগণকে তাঁর আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম ও মিশন উপপ্রধান মো. ওয়ালিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শনিবারের এই হামলায় ইরানের সামরিক নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ ড্রোন সংরক্ষণাগার ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান আচরণ না শুধরালে দেশটিকে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি উদ্ধারকারী দলের তীব্র সংকটের কারণে দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের খোঁজে লড়াই চালাচ্ছেন। এদিকে, মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ '৭২ ঘণ্টার সময়সীমা' দ্রুতই শেষ হয়ে আসছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হ
১ দিন আগে
ইউরোপ জুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হয়ে এবার জার্মানি ও ইতালিকে গ্রাস করেছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। একই সঙ্গে ডেনমার্ক, স্লোভাকিয়া, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানিতে একের পর এক তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর
১ দিন আগে