
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় আপার ত্রিশুলি থ্রিএ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের এক টানেলে আটকা পড়া কর্মীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তিন দিন ধরে অভিযান চালানোর পর টানেলের ওপরের অংশ বা ‘ক্রাউন’ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এখন সেটিকে আরও প্রশস্ত করে সরাসরি ভেতরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত নতুন এক ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকারীরা টানেলের ওপরের অংশে তৈরি করা প্রবেশপথটি বড় করার কাজ করছেন। এর মধ্য দিয়ে উদ্ধারকারী দলকে ভেতরে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
কাঠমান্ডু পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নেপালি সেনাবাহিনী টানা তিন দিনের অভিযানের পর রোববার আপার ত্রিশুলি থ্রিএ প্রকল্পের টানেলের ‘ক্রাউন’ খুঁজে পায়। ড্রিলিং মেশিন, খননযন্ত্র ও হাইড্রোলিক কাটার ব্যবহার করে টানেলের ওপরের অংশে পৌঁছান তারা। সেখানে একটি ছিদ্র করার পর ভেতরে প্রায় সাত মিটার ব্যাসের টানেলে উচ্চমাত্রায় পানি জমে থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
এরপর ওই ছিদ্র দিয়ে উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। প্রাথমিকভাবে কিছুটা ভেতরে গিয়ে তারা ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। ফলে এখন বড় যন্ত্রপাতি এনে প্রবেশপথ আরও প্রশস্ত করার কাজ চলছে। প্রয়োজন হলে বিস্ফোরণ ঘটিয়েও পথ তৈরি করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
উদ্ধারকারীদের পরবর্তী লক্ষ্য টানেলের ভেতরের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। অক্সিজেন সরবরাহ ও ক্যামেরা পাঠানোর প্রস্তুতিও চলছে, যেন ভেতরে কেউ জীবিত অবস্থায় আছে কি না তা দ্রুত নিশ্চিত করা যায়।
বুধবারের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে দেশটির একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সর্বশেষ বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অন্তত ৫৩৭ জন কর্মীর এখনো কোনো খোঁজ নেই।
আরও বড় পরিসরের হিসাবে কেবল নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে নিখোঁজের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
আপার ত্রিশুলি থ্রিএ টানেলে আটকে থাকা ব্যক্তিদের স্বজনদের জন্য তাই সময় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। টানেলের ভেতরে অক্সিজেন ও পানির কিছু ব্যবস্থা থাকার সম্ভাবনা থাকায় এখনো আশা ছাড়ছেন না তারা। কিন্তু বন্যার পর কয়েক দিন পেরিয়ে যাওয়ায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান শেষ করার ওপরই এখন নির্ভর করছে সেই আশা।
উদ্ধার অভিযানে নেপালি সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরাও সহায়তা করছেন। চীন থার্মাল ক্যামেরা, ড্রিলিং সরঞ্জাম ও বাতাস সরবরাহের যন্ত্র পাঠিয়েছে। ভারতও বিশেষায়িত উদ্ধার সরঞ্জাম ও টানেল বিশেষজ্ঞসহ দল পাঠিয়েছে।
সর্বশেষ প্রতিবেদনগুলোতে জানানো হয়েছে, নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৭৮৮ ছাড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। নতুন করে নদীর পানি বাড়ায় কিছু এলাকায় আবারও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ফলে উদ্ধারকারীদেরও কাজ করতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে।
এখন সব নজর আপার ত্রিশুলি থ্রিএর সেই অন্ধকার টানেলের দিকে। ওপর থেকে তৈরি করা ছোট্ট পথটি ধীরে ধীরে বড় করা হচ্ছে। এর পরই উদ্ধারকারীরা সরাসরি ভেতরে ঢুকে খুঁজবেন— কেউ কি এখনো সেখানে বেঁচে আছেন?
সেই উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় স্বজনরা। আর উদ্ধারকারীদের কাছে এখন প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় আপার ত্রিশুলি থ্রিএ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের এক টানেলে আটকা পড়া কর্মীদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তিন দিন ধরে অভিযান চালানোর পর টানেলের ওপরের অংশ বা ‘ক্রাউন’ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এখন সেটিকে আরও প্রশস্ত করে সরাসরি ভেতরে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
তবে টানেলের ভেতর থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। টানেলে ঠিক কতজন আটকে আছেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নেপালি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত মূল্যায়নে অন্তত ৩৫ জন সেখানে আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নেপাল পুলিশের হিসাবে সংখ্যাটি প্রায় ২০০ হতে পারে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত নতুন এক ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকারীরা টানেলের ওপরের অংশে তৈরি করা প্রবেশপথটি বড় করার কাজ করছেন। এর মধ্য দিয়ে উদ্ধারকারী দলকে ভেতরে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
কাঠমান্ডু পোস্ট ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নেপালি সেনাবাহিনী টানা তিন দিনের অভিযানের পর রোববার আপার ত্রিশুলি থ্রিএ প্রকল্পের টানেলের ‘ক্রাউন’ খুঁজে পায়। ড্রিলিং মেশিন, খননযন্ত্র ও হাইড্রোলিক কাটার ব্যবহার করে টানেলের ওপরের অংশে পৌঁছান তারা। সেখানে একটি ছিদ্র করার পর ভেতরে প্রায় সাত মিটার ব্যাসের টানেলে উচ্চমাত্রায় পানি জমে থাকার তথ্য পাওয়া যায়।
এরপর ওই ছিদ্র দিয়ে উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। প্রাথমিকভাবে কিছুটা ভেতরে গিয়ে তারা ডাকাডাকি করলেও কোনো সাড়া পাননি। ফলে এখন বড় যন্ত্রপাতি এনে প্রবেশপথ আরও প্রশস্ত করার কাজ চলছে। প্রয়োজন হলে বিস্ফোরণ ঘটিয়েও পথ তৈরি করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
উদ্ধারকারীদের পরবর্তী লক্ষ্য টানেলের ভেতরের পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। অক্সিজেন সরবরাহ ও ক্যামেরা পাঠানোর প্রস্তুতিও চলছে, যেন ভেতরে কেউ জীবিত অবস্থায় আছে কি না তা দ্রুত নিশ্চিত করা যায়।
বুধবারের আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে দেশটির একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সর্বশেষ বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, ৯টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে অন্তত ৫৩৭ জন কর্মীর এখনো কোনো খোঁজ নেই।
আরও বড় পরিসরের হিসাবে কেবল নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে নিখোঁজের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৯৩৩ জন জলবিদ্যুৎকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
আপার ত্রিশুলি থ্রিএ টানেলে আটকে থাকা ব্যক্তিদের স্বজনদের জন্য তাই সময় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। টানেলের ভেতরে অক্সিজেন ও পানির কিছু ব্যবস্থা থাকার সম্ভাবনা থাকায় এখনো আশা ছাড়ছেন না তারা। কিন্তু বন্যার পর কয়েক দিন পেরিয়ে যাওয়ায় দ্রুত উদ্ধার অভিযান শেষ করার ওপরই এখন নির্ভর করছে সেই আশা।
উদ্ধার অভিযানে নেপালি সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ভারত ও চীনের বিশেষজ্ঞরাও সহায়তা করছেন। চীন থার্মাল ক্যামেরা, ড্রিলিং সরঞ্জাম ও বাতাস সরবরাহের যন্ত্র পাঠিয়েছে। ভারতও বিশেষায়িত উদ্ধার সরঞ্জাম ও টানেল বিশেষজ্ঞসহ দল পাঠিয়েছে।
সর্বশেষ প্রতিবেদনগুলোতে জানানো হয়েছে, নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৭৮৮ ছাড়িয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। নতুন করে নদীর পানি বাড়ায় কিছু এলাকায় আবারও বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ফলে উদ্ধারকারীদেরও কাজ করতে হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে।
এখন সব নজর আপার ত্রিশুলি থ্রিএর সেই অন্ধকার টানেলের দিকে। ওপর থেকে তৈরি করা ছোট্ট পথটি ধীরে ধীরে বড় করা হচ্ছে। এর পরই উদ্ধারকারীরা সরাসরি ভেতরে ঢুকে খুঁজবেন— কেউ কি এখনো সেখানে বেঁচে আছেন?
সেই উত্তর পাওয়ার অপেক্ষায় স্বজনরা। আর উদ্ধারকারীদের কাছে এখন প্রতিটি মিনিটই গুরুত্বপূর্ণ।

গত আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত নতুন করে তীব্র রূপ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'বাব এল মান্দেব' প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় হুথি যোদ্ধারা। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্
৫ ঘণ্টা আগে
সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিরা তাইজ ও লাহিজ প্রদেশের কাহবুব পর্বতমালা দখলের চেষ্টা করছে। ওই এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে রেড সি উপকূলের হুতি-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল থেকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন দক্ষিণাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে আল-ওয়াজিয়াহ ও রাস আল-আরা এল
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে বিশেষ অনুমতি না নিয়ে আইসিসিকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দিতে পারবে না। এর আওতায় আদালটির সঙ্গে কাজ করা তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানও পড়তে পারে।
১৫ ঘণ্টা আগে
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
১৬ ঘণ্টা আগে