
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনে ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্রের সরবরাহ ক্রমাগত বাড়ানোর প্রতিবাদে ব্রিটিশ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডানা ডোলাকিয়াকে তলব করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউক্রেন নীতির জন্য যুক্তরাজ্যের সমালোচনাও করেছে রাশিয়া।
রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ এই কূটনীতিককে তলব করে ইউক্রেনে লন্ডনের অস্ত্র সহায়তা নিয়ে ‘কড়া প্রতিবাদ’ জানায় মস্কো।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডানা ডোলাকিয়াকে তলব করা হয়। ইউক্রেনে যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে তার কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
তলবের সময় ইউক্রেন নীতির জন্য যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, লন্ডনের ‘অত্যন্ত সংঘাতমুখী’ ইউক্রেন নীতি যুদ্ধকে যতটা সম্ভব দীর্ঘায়িত ও তীব্র করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হচ্ছে বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বড় পরিসরে দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলছে। ইউক্রেনের এসব কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধ’ ছাড়া অন্যভাবে বর্ণনা করা যায় না বলেও মন্তব্য করেছে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই কিয়েভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থক হিসেবে কাজ করছে যুক্তরাজ্য। বিশেষ করে দূরপাল্লার অস্ত্র, ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি ইউক্রেনীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণও দিয়ে আসছে দেশটি।
অন্যদিকে রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে যে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক সহায়তা ইউক্রেন সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে এবং এর মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলো সরাসরি সংঘাতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। মস্কোর সঙ্গে কিয়েভের সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রেও পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ বড় বাধা তৈরি করছে বলে দাবি করে আসছে রুশ সরকার।
তবে যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান, ইউক্রেনকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা দিতে সামরিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থনের অংশ হিসেবেই তারা এ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
ব্রিটিশ কূটনীতিককে তলবের মধ্য দিয়ে ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কো ও লন্ডনের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনাও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের নীতিকে রাশিয়া সংঘাতের অবসানের বদলে তা আরও দীর্ঘায়িত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

ইউক্রেনে ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্রের সরবরাহ ক্রমাগত বাড়ানোর প্রতিবাদে ব্রিটিশ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডানা ডোলাকিয়াকে তলব করেছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউক্রেন নীতির জন্য যুক্তরাজ্যের সমালোচনাও করেছে রাশিয়া।
রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ এই কূটনীতিককে তলব করে ইউক্রেনে লন্ডনের অস্ত্র সহায়তা নিয়ে ‘কড়া প্রতিবাদ’ জানায় মস্কো।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১৮ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ডানা ডোলাকিয়াকে তলব করা হয়। ইউক্রেনে যুক্তরাজ্যের ক্রমবর্ধমান ড্রোন ও অন্যান্য অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি নিয়ে তার কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
তলবের সময় ইউক্রেন নীতির জন্য যুক্তরাজ্যের সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, লন্ডনের ‘অত্যন্ত সংঘাতমুখী’ ইউক্রেন নীতি যুদ্ধকে যতটা সম্ভব দীর্ঘায়িত ও তীব্র করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হচ্ছে বলে দাবি করেছে মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বড় পরিসরে দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ফেলছে। ইউক্রেনের এসব কর্মকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদ ও যুদ্ধাপরাধ’ ছাড়া অন্যভাবে বর্ণনা করা যায় না বলেও মন্তব্য করেছে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই কিয়েভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থক হিসেবে কাজ করছে যুক্তরাজ্য। বিশেষ করে দূরপাল্লার অস্ত্র, ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের পাশাপাশি ইউক্রেনীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণও দিয়ে আসছে দেশটি।
অন্যদিকে রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে যে পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক সহায়তা ইউক্রেন সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করছে এবং এর মাধ্যমে পশ্চিমা দেশগুলো সরাসরি সংঘাতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। মস্কোর সঙ্গে কিয়েভের সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রেও পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ বড় বাধা তৈরি করছে বলে দাবি করে আসছে রুশ সরকার।
তবে যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান, ইউক্রেনকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা দিতে সামরিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থনের অংশ হিসেবেই তারা এ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
ব্রিটিশ কূটনীতিককে তলবের মধ্য দিয়ে ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কো ও লন্ডনের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনাও আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। অস্ত্র সরবরাহ বাড়ানোর প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের নীতিকে রাশিয়া সংঘাতের অবসানের বদলে তা আরও দীর্ঘায়িত করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

তরুণদের জন্যও নতুন কর্মসূচির প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এর আওতায় কানাডা ও ইউরোপের তরুণদের দুই অঞ্চলে কাজ, পড়ালেখা ও বসবাসের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কানাডাকে ইইউর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া কর্মসূচি ‘ইরাসমাস প্লাস’-এ যুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কার্নি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইইউয়ের প্রস্তাবকে ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যা দেন। কানাডাকে ইইউয়ের সহযোগী সদস্য করার উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘খারাপ উদ্দেশ্যে’ নেওয়া হলে ইউরোপকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফার্স প্রদেশের লামের শহরের একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে চালানো হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী ছিল বলে মনে করার মতো যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে। মিশনের ভাষ্য, হামলা দুটি বেসামরিক স্থাপনায় চালানো হয় এবং এসব ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘি
১ দিন আগে
বুধবার সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানি দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দেশ ছাড়তে বলা হয়েছে, যা কূটনৈতিক সম্পর্কবিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তবে ওই কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত জানায়নি স্টকহোম।
১ দিন আগে