
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসন এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্ধারিত সংলাপে সদিচ্ছা নিয়েই যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানি প্রতিনিধি দল। তবে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার সংকটেও ভুগছেন এ দলের সদস্যরা। ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতা এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন, ‘এই সংলাপের ব্যাপারে আমাদের পূর্ণ সদিচ্ছা আছে, তবে তেমন আস্থা নেই। কারণ দুর্ভাগ্যবশত, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যত সংলাপ হয়েছে— প্রতিটিই ব্যর্থতা এবং চুক্তিভঙ্গের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। এমনকি এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে দুবার, আলোচনার মাঝপথে, ইরানের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা আমাদের লক্ষ্য করে হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে।’
তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই সংলাপের ব্যাপারে আন্তরিকতা দেখায়— তাহলে ইরানও সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষরে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন গালিবাফ। এ প্রসঙ্গে তাসনিম নিউজকে তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর এবং ইরানের জনগণের অধিকার অনুমোদন করতে প্রস্তুত থাকে, তাহলে তারা চুক্তিতে আসার ব্যাপারে আমাদের প্রস্তুতিও দেখতে পাবে।’
ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার আরও জানিয়েছেন, এই সংলাপের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়, তাহলে ইরান কঠোরভাবে তার জবাব দেবে। তাসনিম নিউজকে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে ইতোমধ্যে আমরা আমাদের সক্ষমতা দেখিয়েছি। যদি তারা এই আলোচনার নামে একটি নিষ্ফল, লোক দেখানো এবং প্রতারণামূলক অভিযান চালাতে চায়, তাহলে আমারাও আল্লাহর ওপর বিশ্বাস এবং আমাদের জনগণের শক্তির ওপর ভরসা রেখে নিজেদের অধিকার আদায় করতে প্রস্তুত আছি।’
এদিকে সংলাপে যোগ দিতে ওয়াশিংটন থেকে পাকিস্তানে পৌঁছেছে জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দলটিও। আজ শনিবার সকালে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যদের বহনকারী বিমানটি ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা নিরসন এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্ধারিত সংলাপে সদিচ্ছা নিয়েই যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানি প্রতিনিধি দল। তবে একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থার সংকটেও ভুগছেন এ দলের সদস্যরা। ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতা এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন, ‘এই সংলাপের ব্যাপারে আমাদের পূর্ণ সদিচ্ছা আছে, তবে তেমন আস্থা নেই। কারণ দুর্ভাগ্যবশত, এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যত সংলাপ হয়েছে— প্রতিটিই ব্যর্থতা এবং চুক্তিভঙ্গের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। এমনকি এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে দুবার, আলোচনার মাঝপথে, ইরানের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা আমাদের লক্ষ্য করে হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে।’
তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই সংলাপের ব্যাপারে আন্তরিকতা দেখায়— তাহলে ইরানও সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষরে প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন গালিবাফ। এ প্রসঙ্গে তাসনিম নিউজকে তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর এবং ইরানের জনগণের অধিকার অনুমোদন করতে প্রস্তুত থাকে, তাহলে তারা চুক্তিতে আসার ব্যাপারে আমাদের প্রস্তুতিও দেখতে পাবে।’
ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার আরও জানিয়েছেন, এই সংলাপের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়, তাহলে ইরান কঠোরভাবে তার জবাব দেবে। তাসনিম নিউজকে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে ইতোমধ্যে আমরা আমাদের সক্ষমতা দেখিয়েছি। যদি তারা এই আলোচনার নামে একটি নিষ্ফল, লোক দেখানো এবং প্রতারণামূলক অভিযান চালাতে চায়, তাহলে আমারাও আল্লাহর ওপর বিশ্বাস এবং আমাদের জনগণের শক্তির ওপর ভরসা রেখে নিজেদের অধিকার আদায় করতে প্রস্তুত আছি।’
এদিকে সংলাপে যোগ দিতে ওয়াশিংটন থেকে পাকিস্তানে পৌঁছেছে জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন প্রতিনিধি দলটিও। আজ শনিবার সকালে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সদস্যদের বহনকারী বিমানটি ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৪ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১৮ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১ দিন আগে