
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। হোয়াইট হাউজ এই মতপার্থক্যের কথা অস্বীকার করলেও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশাসনের অভ্যন্তরে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই পরিস্থিতি শুধু বর্তমান ইরান সংকট নয়, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরেও রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, ভ্যান্স ও রুবিও— দুজনকেই ট্রাম্প-পরবর্তী সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েল নিয়ে ভিন্ন অবস্থান
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জে ডি ভ্যান্স লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে বৈরুতে বেসামরিক অবকাঠামোয় ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অন্যদিকে উপসাগরীয় সফরে থাকা মার্কো রুবিও সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নেন। তিনি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষামূলক ও ন্যায্য বলে বর্ণনা করেন। ভ্যান্সের সমালোচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি জবাব না দিয়ে তিনি হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক একটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইসরায়েলের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দেন।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও ভিন্ন বার্তা
গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পক্ষে সমর্থন আদায়ে গত সপ্তাহে দুজনকেই পৃথক কূটনৈতিক সফরে পাঠানো হয়।
ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রোববার তিনি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি একাধিকবার বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করতে পারে।
এ ছাড়া তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন ও আরও সহযোগিতামূলক অধ্যায়ের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, কাতারে পেন্টাগনের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে ‘ডিকনফ্লিকশন লিয়াজোঁ’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
অন্যদিকে রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন সফর করে উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করেন। দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতৃত্বই অনেকেই মনে করছে, অন্তর্বর্তী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে তেহরানকে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রুবিও বলেন, ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়নের জন্য তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কোনো অনুরোধ করবেন না। এমন সম্ভাবনা এখনও অনেক দূরের বিষয়। বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে যে কোনো চুক্তিকে অবশ্যই ‘অটুট ও নির্ভুল’ হতে হবে।
রুবিওর ভাষায়, ‘আমরা চুক্তি চাই, কিন্তু যে কোনো মূল্যে চুক্তি চাই না।’
মতপার্থক্য অস্বীকার হোয়াইট হাউজের
ভ্যান্স ও রুবিওর মধ্যে মতভেদের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ। মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘এখানে একটাই শিবির— প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির। পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্টের সেই প্রচেষ্টার পক্ষে রয়েছে, যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।’
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও দুই কর্মকর্তার মধ্যে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভেদের খবরকে ‘পুরনো ও ভুয়া বর্ণনা’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পেছনে শতভাগ ঐক্যবদ্ধ।’
লেবানন ইস্যুতেও কোনো মতপার্থক্য নেই বলে দাবি করেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো পুরো লেবাননে দেশটির সরকারের সার্বভৌম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্লেষকদের ভিন্ন মূল্যায়ন
তবে বিশ্লেষকদের সবাই হোয়াইট হাউজের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল রুবিনের মতে, ভ্যান্স ও রুবিও ভিন্ন ধরনের রিপাবলিকান পররাষ্ট্রনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘মূলত তারা দুটি আলাদা ধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
ক্ষমতায় আসার আগে ভ্যান্স নিয়মিত বিদেশি যুদ্ধের সমালোচনা করতেন। তার মতে, এসব যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও প্রাণ— দুইয়েরই অপচয়। অন্যদিকে সিনেটর থাকাকালে রুবিও ‘কঠোর অবস্থানে’র রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইরান, রাশিয়া ও কিউবার বিরুদ্ধে আরও কড়া নীতি গ্রহণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে এখন দুটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে। একদিকে রয়েছে তথাকথিত ‘নিওকনজারভেটিভ’ গোষ্ঠী, যারা বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে। অন্যদিকে রয়েছে এমন রিপাবলিকান ভোটার ও নীতিনির্ধারকরা, যারা মনে করেন সাম্প্রতিক বহু বিদেশি যুদ্ধ ব্যয়বহুল ও ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপেও সেই বিভাজনের ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার শেষ হওয়া ওই জরিপে মাত্র ৫২ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করেন, বর্তমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বদলে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের চালচিত্র— লাভবান ইরান, শঙ্কিত প্রতিদ্বন্দ্বীরাট্রাম্পের নীতিতে প্রকাশ্য সমর্থন
সব মতপার্থক্যের আলোচনা সত্ত্বেও ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সব পররাষ্ট্রনীতিতে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত— সব ক্ষেত্রেই তারা ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুজনই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন যে, ইরানের কথার চেয়ে তাদের কর্মকাণ্ড দিয়েই তেহরানকে মূল্যায়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক জানতে চান, ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান ভ্যান্সের থেকে কতটা আলাদা। জবাবে রুবিও বলেন, ‘এখানে সবাই প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একমত।’

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে। হোয়াইট হাউজ এই মতপার্থক্যের কথা অস্বীকার করলেও বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, প্রশাসনের অভ্যন্তরে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই পরিস্থিতি শুধু বর্তমান ইরান সংকট নয়, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরেও রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। কারণ, ভ্যান্স ও রুবিও— দুজনকেই ট্রাম্প-পরবর্তী সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েল নিয়ে ভিন্ন অবস্থান
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জে ডি ভ্যান্স লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ নিয়েই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহকে দুর্বল করার লক্ষ্য নিয়ে বৈরুতে বেসামরিক অবকাঠামোয় ইসরায়েলি হামলা যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
অন্যদিকে উপসাগরীয় সফরে থাকা মার্কো রুবিও সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নেন। তিনি লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষামূলক ও ন্যায্য বলে বর্ণনা করেন। ভ্যান্সের সমালোচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি জবাব না দিয়ে তিনি হিজবুল্লাহর সাম্প্রতিক একটি হামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইসরায়েলের পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দেন।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও ভিন্ন বার্তা
গত ১৭ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক শান্তি চুক্তির পক্ষে সমর্থন আদায়ে গত সপ্তাহে দুজনকেই পৃথক কূটনৈতিক সফরে পাঠানো হয়।
ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রোববার তিনি আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তিনি একাধিকবার বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়ন করতে পারে।
এ ছাড়া তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন ও আরও সহযোগিতামূলক অধ্যায়ের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, কাতারে পেন্টাগনের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে ‘ডিকনফ্লিকশন লিয়াজোঁ’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
অন্যদিকে রুবিও সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন সফর করে উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করেন। দেশগুলোর বেশিরভাগ নেতৃত্বই অনেকেই মনে করছে, অন্তর্বর্তী ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে তেহরানকে অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রুবিও বলেন, ইরানের পুনর্গঠনে অর্থায়নের জন্য তিনি উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কোনো অনুরোধ করবেন না। এমন সম্ভাবনা এখনও অনেক দূরের বিষয়। বৃহস্পতিবার আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার ক্ষেত্রে যে কোনো চুক্তিকে অবশ্যই ‘অটুট ও নির্ভুল’ হতে হবে।
রুবিওর ভাষায়, ‘আমরা চুক্তি চাই, কিন্তু যে কোনো মূল্যে চুক্তি চাই না।’
মতপার্থক্য অস্বীকার হোয়াইট হাউজের
ভ্যান্স ও রুবিওর মধ্যে মতভেদের বিষয়টি জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ। মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, ‘এখানে একটাই শিবির— প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শিবির। পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্টের সেই প্রচেষ্টার পক্ষে রয়েছে, যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।’
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগটও দুই কর্মকর্তার মধ্যে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভেদের খবরকে ‘পুরনো ও ভুয়া বর্ণনা’ বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, ‘পুরো প্রশাসন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পেছনে শতভাগ ঐক্যবদ্ধ।’
লেবানন ইস্যুতেও কোনো মতপার্থক্য নেই বলে দাবি করেছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো পুরো লেবাননে দেশটির সরকারের সার্বভৌম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
বিশ্লেষকদের ভিন্ন মূল্যায়ন
তবে বিশ্লেষকদের সবাই হোয়াইট হাউজের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল রুবিনের মতে, ভ্যান্স ও রুবিও ভিন্ন ধরনের রিপাবলিকান পররাষ্ট্রনীতির প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘মূলত তারা দুটি আলাদা ধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন।’
ক্ষমতায় আসার আগে ভ্যান্স নিয়মিত বিদেশি যুদ্ধের সমালোচনা করতেন। তার মতে, এসব যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও প্রাণ— দুইয়েরই অপচয়। অন্যদিকে সিনেটর থাকাকালে রুবিও ‘কঠোর অবস্থানে’র রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ইরান, রাশিয়া ও কিউবার বিরুদ্ধে আরও কড়া নীতি গ্রহণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে এখন দুটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে। একদিকে রয়েছে তথাকথিত ‘নিওকনজারভেটিভ’ গোষ্ঠী, যারা বিদেশে সামরিক হস্তক্ষেপের পক্ষে। অন্যদিকে রয়েছে এমন রিপাবলিকান ভোটার ও নীতিনির্ধারকরা, যারা মনে করেন সাম্প্রতিক বহু বিদেশি যুদ্ধ ব্যয়বহুল ও ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।
রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপেও সেই বিভাজনের ইঙ্গিত মিলেছে। সোমবার শেষ হওয়া ওই জরিপে মাত্র ৫২ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করেন, বর্তমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বদলে দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের চালচিত্র— লাভবান ইরান, শঙ্কিত প্রতিদ্বন্দ্বীরাট্রাম্পের নীতিতে প্রকাশ্য সমর্থন
সব মতপার্থক্যের আলোচনা সত্ত্বেও ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ সব পররাষ্ট্রনীতিতে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন ভ্যান্স ও রুবিও। ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং পরে শান্তি আলোচনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত— সব ক্ষেত্রেই তারা ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করেছেন।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দুজনই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন যে, ইরানের কথার চেয়ে তাদের কর্মকাণ্ড দিয়েই তেহরানকে মূল্যায়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক জানতে চান, ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান ভ্যান্সের থেকে কতটা আলাদা। জবাবে রুবিও বলেন, ‘এখানে সবাই প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একমত।’

অর্থমন্ত্রী জানান, এই লক্ষ্য অর্জনে কৃষি, উৎপাদনশিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই), অবকাঠামো এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে সমন্বিত প্রবৃদ্ধির কৌশল বাস্তবায়ন করছে সরকার। একই সঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়েও কাজ চলছে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। হামলায় গুদামঘরসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ। তবে কয়েকটি প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ১৫ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (অ্যাটাকমস) এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)। দুটি সূত্রের ভাষ্য, এসব দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ‘প্রায় সবই’ ইতোমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ দিন আগে