
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ২৭ লক্ষাধিক মানুষের ভোট দেওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত করে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে যাদের বাদ দেওয়া হয়েছিল, তাদের যদি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ভোট গ্রহণের দুদিন আগেও ছাড়পত্র দেয়, তাহলে তারা ভোট দিতে পারবেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ বা এসআইআর মামলায় এ রায় দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে ৬০ লাখ ছয় হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেসব ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি করেন বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তারা। সেখান থেকে ভোটার তালিকায় নাম ফিরেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের, বাদ পড়েন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন।
বাদ পড়া ভোটারদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন এগিয়ে আসায় নিয়ম মেনে ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়া হয়। ফলে বাতিল ভোটাররা ট্রাইবুনালে ছাড়পত্র পেলেও ভোট দিতে পারবেন না— এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এমন পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্টের বৃহস্পতিবারের রায় বলছে, ভোটের দুদিন আগেও যদি কোনো ভোটারের নাম ট্রাইবুনালে পাস হয়, তিনি ভোট দিতে পারবেন। ফলে বাদ পড়া ভোটারদের অনেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তবে ভোটের আগে স্বল্প সময়ে এত লাখ মানুষের আবেদন নিষ্পত্তি করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
কলকাতার আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল। সুপ্রিম কোর্ট বলছেন, প্রথম দফার ভোটে রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে যে বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের মধ্যে যাদের আবেদন নিষ্পত্তি করে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়পত্র দেবে ট্রাইবুনাল, তারা ভোট দিতে পারবেন।
অন্যদিকে এ রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট ২৯ এপ্রিল। এ ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের ছাড়পত্র দেওয়ার সময়সীমা ২৭ এপ্রিল। ট্রাইবুনাল নিষ্পত্তি করে ছাড়পত্র দিলে ওই ব্যক্তিরা ভোট দিতে পারবেন। তবে ট্রাইবুনাল যে বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম বাদ দেবে, তারা ভোট দিতে পারবেন না।
বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া ইসিআইনেট মোবাইল অ্যাপ বা কমিশনের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক বা মহকুমা প্রশাসকের দপ্তরেও আবেদন করা যাবে। বিশেষ যে ট্রাইব্যুনাল এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করবেন, সেটি গঠিত হয়েছে ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়ে।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত এই এসআইআর মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানির ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রায় এলো সুপ্রিম কোর্ট থেকে।
এ রায়ের খবর পেয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই এসআইআর নিয়ে মামলা করেছিলেন উল্লেখ করে বলেছেন, এ রায়ে তার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ নন। বাদ পড়া ভোটারদের ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ২৭ লক্ষাধিক মানুষের ভোট দেওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত করে রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে যাদের বাদ দেওয়া হয়েছিল, তাদের যদি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল ভোট গ্রহণের দুদিন আগেও ছাড়পত্র দেয়, তাহলে তারা ভোট দিতে পারবেন।
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ বা এসআইআর মামলায় এ রায় দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে ৬০ লাখ ছয় হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেসব ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি করেন বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তারা। সেখান থেকে ভোটার তালিকায় নাম ফিরেছে ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের, বাদ পড়েন ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন।
বাদ পড়া ভোটারদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন এগিয়ে আসায় নিয়ম মেনে ভোটার তালিকা ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়া হয়। ফলে বাতিল ভোটাররা ট্রাইবুনালে ছাড়পত্র পেলেও ভোট দিতে পারবেন না— এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এমন পরিস্থিতিতেই সুপ্রিম কোর্টের বৃহস্পতিবারের রায় বলছে, ভোটের দুদিন আগেও যদি কোনো ভোটারের নাম ট্রাইবুনালে পাস হয়, তিনি ভোট দিতে পারবেন। ফলে বাদ পড়া ভোটারদের অনেকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তবে ভোটের আগে স্বল্প সময়ে এত লাখ মানুষের আবেদন নিষ্পত্তি করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই।
কলকাতার আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট হবে আগামী ২৩ এপ্রিল। সুপ্রিম কোর্ট বলছেন, প্রথম দফার ভোটে রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে যে বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের মধ্যে যাদের আবেদন নিষ্পত্তি করে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়পত্র দেবে ট্রাইবুনাল, তারা ভোট দিতে পারবেন।
অন্যদিকে এ রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোট ২৯ এপ্রিল। এ ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের ছাড়পত্র দেওয়ার সময়সীমা ২৭ এপ্রিল। ট্রাইবুনাল নিষ্পত্তি করে ছাড়পত্র দিলে ওই ব্যক্তিরা ভোট দিতে পারবেন। তবে ট্রাইবুনাল যে বিবেচনাধীন ভোটারদের নাম বাদ দেবে, তারা ভোট দিতে পারবেন না।
বাদ পড়া ভোটাররা ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া ইসিআইনেট মোবাইল অ্যাপ বা কমিশনের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি জেলা প্রশাসক বা মহকুমা প্রশাসকের দপ্তরেও আবেদন করা যাবে। বিশেষ যে ট্রাইব্যুনাল এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করবেন, সেটি গঠিত হয়েছে ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়ে।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল আলোচিত এই এসআইআর মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানির ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রায় এলো সুপ্রিম কোর্ট থেকে।
এ রায়ের খবর পেয়েই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিই এসআইআর নিয়ে মামলা করেছিলেন উল্লেখ করে বলেছেন, এ রায়ে তার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ নন। বাদ পড়া ভোটারদের ট্রাইব্যুনালে আবেদন করার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।
২০ ঘণ্টা আগে
সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
১ দিন আগে
ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ
১ দিন আগে