
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ হামলাকে আত্মরক্ষামূলক বলে দাবি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সংঘাত থামাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ‘আরও কয়েক দিন’ লাগতে পারে।
ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোরে হরমোজগান প্রদেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে এতে হতাহতের কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, এ হামলা প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে চলা নাজুক যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল মাইন পাতার চেষ্টা করা নৌ যান ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। ভারতের জয়পুরে মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, যেভাবেই হোক না কেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুপক্ষই এমন একটি সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছিল, যা যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার জাহাজ চলাচল শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময় দেওয়ার কথাও ছিল।
এপ্রিলের শুরু থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে নিজেদের সেনাদের রক্ষার জন্য তারা নতুন হামলা চালিয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের পালটা জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তাদের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং আরেকটি ড্রোন ও একটি যুদ্ধবিমানের দিকে গুলি ছুড়েছে, যেগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।
এদিকে হজ উপলক্ষ্যে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেন, সময়কে আর পেছনে নেওয়া যাবে না। এ অঞ্চলের দেশ ও ভূখণ্ড আর মার্কিন ঘাঁটির ঢাল হয়ে থাকবে না। ‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘ইসরায়েলের মৃত্যু’— এই স্লোগান এখন ইসলামী জাতি ও বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের, বিশেষ করে তরুণদের স্লোগান হয়ে উঠবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও এ ধরনের স্লোগান উল্লেখ করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘ভালোভাবেই এগোচ্ছে’।
তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে নতুন হামলার হুঁশিয়ারিও দেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, ‘এটি হয় সবার জন্য একটি দারুণ চুক্তি হবে, নয়তো কোনো চুক্তিই হবে না।’

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি চুক্তি সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ হামলাকে আত্মরক্ষামূলক বলে দাবি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সংঘাত থামাতে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে ‘আরও কয়েক দিন’ লাগতে পারে।
ইরানি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোরে হরমোজগান প্রদেশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে এতে হতাহতের কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, এ হামলা প্রায় সাত সপ্তাহ ধরে চলা নাজুক যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন।
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল মাইন পাতার চেষ্টা করা নৌ যান ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। ভারতের জয়পুরে মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, যেভাবেই হোক না কেন, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুপক্ষই এমন একটি সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছিল, যা যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার জাহাজ চলাচল শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। একই সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের সময় দেওয়ার কথাও ছিল।
এপ্রিলের শুরু থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে নিজেদের সেনাদের রক্ষার জন্য তারা নতুন হামলা চালিয়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের পালটা জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে। তাদের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করেছে এবং আরেকটি ড্রোন ও একটি যুদ্ধবিমানের দিকে গুলি ছুড়েছে, যেগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।
এদিকে হজ উপলক্ষ্যে টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেন, সময়কে আর পেছনে নেওয়া যাবে না। এ অঞ্চলের দেশ ও ভূখণ্ড আর মার্কিন ঘাঁটির ঢাল হয়ে থাকবে না। ‘আমেরিকার মৃত্যু’ ও ‘ইসরায়েলের মৃত্যু’— এই স্লোগান এখন ইসলামী জাতি ও বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের, বিশেষ করে তরুণদের স্লোগান হয়ে উঠবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও এ ধরনের স্লোগান উল্লেখ করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা ‘ভালোভাবেই এগোচ্ছে’।
তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে নতুন হামলার হুঁশিয়ারিও দেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, ‘এটি হয় সবার জন্য একটি দারুণ চুক্তি হবে, নয়তো কোনো চুক্তিই হবে না।’

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৭ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২১ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২১ ঘণ্টা আগে