
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে তৈরি হয়েছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। অবশেষে চূড়ান্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি চুক্তির খসড়া। দীর্ঘ ও নিবিড় মধ্যস্থতার পর দুই দেশই এই চুক্তির শর্তাবলীতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
শুক্রবার (১২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পূর্বপরিকল্পিত বিমান হামলা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক অগ্রগতির খবর এলো, যা বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ ও নিবিড় মধ্যস্থতার পর দুই পক্ষই এই চুক্তির শর্তাবলীতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, ‘শান্তি চুক্তিটি নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল ক্রমাগত বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এই সব অপপ্রচারের ঊর্ধ্বে থেকে আমরা নিশ্চিত করছি যে, শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পাঠ বা টেক্সট নিয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। শান্তি বর্তমান সময়ের মতো এতটা কাছাকাছি আর কখনোই ছিল না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের সিদ্ধান্ত বাতিল করার ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার বিষয়টি ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে তৈরি হয়েছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। অবশেষে চূড়ান্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি চুক্তির খসড়া। দীর্ঘ ও নিবিড় মধ্যস্থতার পর দুই দেশই এই চুক্তির শর্তাবলীতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।
শুক্রবার (১২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পূর্বপরিকল্পিত বিমান হামলা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পরদিনই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ঐতিহাসিক অগ্রগতির খবর এলো, যা বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ ও নিবিড় মধ্যস্থতার পর দুই পক্ষই এই চুক্তির শর্তাবলীতে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার বার্তায় বলেন, ‘শান্তি চুক্তিটি নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল ক্রমাগত বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। এই সব অপপ্রচারের ঊর্ধ্বে থেকে আমরা নিশ্চিত করছি যে, শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পাঠ বা টেক্সট নিয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে পাকিস্তান এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষের সঙ্গেই ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। শান্তি বর্তমান সময়ের মতো এতটা কাছাকাছি আর কখনোই ছিল না।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের সিদ্ধান্ত বাতিল করার ঘোষণা দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনার বিষয়টি ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে