যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে অন্তত ২১ জনের মৃত্যুদণ্ড: জাতিসংঘ

বিবিসি বাংলা
আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৫১

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে অন্তত ২১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়।

এর মধ্যে বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত নয়জন, বিরোধী দলের সদস্য অভিযোগে দশ জনকে এবং গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দুই জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে, ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে ইরানের সরকার গ্রেফতার করেছে বলেও জানানো হয়েছে।

এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

সংস্থাটি মনে করেন, যে বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে, সেটি যথাযথ হয়নি।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।

ফলে গ্রেফতার ও মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়ে থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

রাজনীতি/এসআই

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে বড় সুবিধা পাবে আইআরজিসির ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।

৬ ঘণ্টা আগে

‘বিশ্বাসঘাতক’ ট্রাম্পের ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় ক্ষোভ, এককভাবে লড়াইয়ের পক্ষে ইসরায়েলিরা

৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।

৬ ঘণ্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা: সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন উইটকফ ও আরাগচি

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে

৮ ঘণ্টা আগে

ইরান ইস্যুই গড়তে পারে জে ডি ভ্যান্সের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

৯ ঘণ্টা আগে