
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ায় খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি ত্রাণ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়াবলি সংক্রান্ত আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী টম ফ্লেচার এ উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে টম ফ্লেচার বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন এখন ‘নগণ্য’ পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের কোটি কোটি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের ওপর, যারা নিয়মিত মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
তিনি জানান, যুদ্ধের প্রভাব কেবল সংঘর্ষের এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ পরিবহন ও বিমান চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে মানবিক ত্রাণসামগ্রী নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
টম ফ্লেচার বলেন, “যখন জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, তখন খাদ্য, ওষুধ ও সারের মতো জরুরি পণ্য সরবরাহ করা শুধু কঠিনই নয়, বরং অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। এতে মানবিক সহায়তার কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই মানুষগুলো, যাদের এই সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”
জাতিসংঘ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প সরবরাহ পথ চালু করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন স্থানে আগাম জরুরি ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। টম ফ্লেচার নিজেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, যাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মানবিক পণ্যবাহী জাহাজগুলো বাধাহীন ও নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
যুদ্ধরত পক্ষ ও প্রভাবশালী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানবিক সহায়তা বহনকারী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ায় খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি ত্রাণ সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবিক বিষয়াবলি সংক্রান্ত আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ও জরুরি ত্রাণ সমন্বয়কারী টম ফ্লেচার এ উদ্বেগের কথা জানান।
বিবৃতিতে টম ফ্লেচার বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহন এখন ‘নগণ্য’ পর্যায়ে নেমে এসেছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্বের কোটি কোটি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের ওপর, যারা নিয়মিত মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
তিনি জানান, যুদ্ধের প্রভাব কেবল সংঘর্ষের এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে এবং আন্তর্জাতিক জাহাজ পরিবহন ও বিমান চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে মানবিক ত্রাণসামগ্রী নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
টম ফ্লেচার বলেন, “যখন জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, তখন খাদ্য, ওষুধ ও সারের মতো জরুরি পণ্য সরবরাহ করা শুধু কঠিনই নয়, বরং অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। এতে মানবিক সহায়তার কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই মানুষগুলো, যাদের এই সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।”
জাতিসংঘ জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প সরবরাহ পথ চালু করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন স্থানে আগাম জরুরি ত্রাণসামগ্রী মজুত রাখা হয়েছে। টম ফ্লেচার নিজেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, যাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মানবিক পণ্যবাহী জাহাজগুলো বাধাহীন ও নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
যুদ্ধরত পক্ষ ও প্রভাবশালী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানবিক সহায়তা বহনকারী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে