
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে লাখো হজযাত্রী এখন মিনামুখী। এর মধ্যেই সৌদি আরবে উদ্যাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।
সৌদি প্রেস এজেন্সি ও আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আরবের হজের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ‘ওকুফে আরাফা’ পালন শেষে মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফায় পৌঁছান। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত ছিল পুরো এলাকা।
সেখানে তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসারে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করেন এবং রাতভর ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান।
ফজরের নামাজের পর বুধবার সকালে হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। মিনায় গিয়ে তারা জামারাত আল-আকাবায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর নিক্ষেপ করবেন। এ জন্য মুজদালিফা থেকেই ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করেছেন অনেক হজযাত্রী।
কোরবানির দিনের আনুষ্ঠানিকতায় হাজিদের সামনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মধ্যে রয়েছে— জামারাতে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা, তাওয়াফে ইফাদা এবং সাঈ সম্পন্ন করা।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মুজদালিফা ও মিনা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। বিভিন্ন সড়কে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী ও মাঠপর্যায়ের টিম মোতায়েন করা হয়েছে, যেন আরাফাত থেকে মিনায় যাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
প্রচণ্ড গরমের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতাও জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল মনিটরিং, নজরদারি ক্যামেরা ও নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আরাফাতের ময়দানে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে লাখো হজযাত্রী এখন মিনামুখী। এর মধ্যেই সৌদি আরবে উদ্যাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।
সৌদি প্রেস এজেন্সি ও আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, আরবের হজের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ‘ওকুফে আরাফা’ পালন শেষে মঙ্গলবার সূর্যাস্তের পর হাজিরা মুজদালিফায় পৌঁছান। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত ছিল পুরো এলাকা।
সেখানে তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসারে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করেন এবং রাতভর ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটান।
ফজরের নামাজের পর বুধবার সকালে হাজিরা মিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। মিনায় গিয়ে তারা জামারাত আল-আকাবায় শয়তানের উদ্দেশে পাথর নিক্ষেপ করবেন। এ জন্য মুজদালিফা থেকেই ছোট ছোট পাথর সংগ্রহ করেছেন অনেক হজযাত্রী।
কোরবানির দিনের আনুষ্ঠানিকতায় হাজিদের সামনে রয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মধ্যে রয়েছে— জামারাতে পাথর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা, তাওয়াফে ইফাদা এবং সাঈ সম্পন্ন করা।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হজযাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মুজদালিফা ও মিনা জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। বিভিন্ন সড়কে অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মী ও মাঠপর্যায়ের টিম মোতায়েন করা হয়েছে, যেন আরাফাত থেকে মিনায় যাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
প্রচণ্ড গরমের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতাও জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। জরুরি চিকিৎসাকেন্দ্র, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল মনিটরিং, নজরদারি ক্যামেরা ও নিয়ন্ত্রণকক্ষের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে মক্কা চুক্তির আওতায় পাকিস্তান কীভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করবে— এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হায়দার বলেন, ‘এ মুহূর্তে এমন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। সময় এলে আমরা চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেব।’
১৬ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইয়েমেন সরকারের চারটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, মোখা দখলের মধ্য দিয়ে লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালির ওপর হুতিদের প্রভাব আরও বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালির কৌশলগত হানিশ দ্বীপপুঞ্জেও হুতিরা হামলা চালাচ্ছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৮ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
১ দিন আগে