
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তার স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কাস্ত্রো পরিবারের দুই সদস্য ও কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়সহ মোট পাঁচ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বলছে, এসব নিষেধাজ্ঞা এরই মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।
২০১৮ সালে রাউল ক্যাস্ত্রোর কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দিয়াজ-কানেল কিউবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞাকে দ্বীপরাষ্ট্রটির কমিউনিস্ট নেতৃত্বের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বৃদ্ধির ধারাবাহিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবা সরকারের পতনের হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, হাভানা প্রশাসনকে ‘টিকতে দেওয়া হবে না’ যদি তারা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে।
এর জবাবে কিউবার শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বা আগ্রাসনের চেষ্টা হলে ‘রক্তের বন্যা’ বয়ে যাবে এবং কিউবা নিজেদের রক্ষায় সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে।
উত্তেজনা আরও বাড়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনে। ১৯৯৬ সালে কিউবান যুদ্ধবিমান কর্তৃক নির্বাসিত কিউবানদের পরিচালিত দুটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তখন বলেছিলেন, কিউবা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নিরাপত্তা হুমকি।
ওয়াশিংটনের এসব পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে চীন। বেইজিং কিউবার বিরুদ্ধে ‘হুমকি ও জোরজুলুমের নীতি’ বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায় এবং দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেয়।
এদিকে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার দিন ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় কিউবা ‘সুন্দরভাবে পরিচালিত একটি দেশ’ হোক। তবে ওয়াশিংটন ও হাভানার সাম্প্রতিক পালটাপালটি অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলার বদলে নতুন করে আরও কঠিন এক অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে।

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তার স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কাস্ত্রো পরিবারের দুই সদস্য ও কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয়সহ মোট পাঁচ ব্যক্তি ও পাঁচ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য বলছে, এসব নিষেধাজ্ঞা এরই মধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।
২০১৮ সালে রাউল ক্যাস্ত্রোর কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দিয়াজ-কানেল কিউবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞাকে দ্বীপরাষ্ট্রটির কমিউনিস্ট নেতৃত্বের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বৃদ্ধির ধারাবাহিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মার্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবা সরকারের পতনের হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, হাভানা প্রশাসনকে ‘টিকতে দেওয়া হবে না’ যদি তারা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখে।
এর জবাবে কিউবার শীর্ষ কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশটির বিরুদ্ধে সামরিক হামলা বা আগ্রাসনের চেষ্টা হলে ‘রক্তের বন্যা’ বয়ে যাবে এবং কিউবা নিজেদের রক্ষায় সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে।
উত্তেজনা আরও বাড়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনে। ১৯৯৬ সালে কিউবান যুদ্ধবিমান কর্তৃক নির্বাসিত কিউবানদের পরিচালিত দুটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তখন বলেছিলেন, কিউবা শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি নিরাপত্তা হুমকি।
ওয়াশিংটনের এসব পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে চীন। বেইজিং কিউবার বিরুদ্ধে ‘হুমকি ও জোরজুলুমের নীতি’ বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানায় এবং দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেয়।
এদিকে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার দিন ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চায় কিউবা ‘সুন্দরভাবে পরিচালিত একটি দেশ’ হোক। তবে ওয়াশিংটন ও হাভানার সাম্প্রতিক পালটাপালটি অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলার বদলে নতুন করে আরও কঠিন এক অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে