
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় তার তিন ছেলে প্রকাশ্যে উপস্থিত হলেও নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেখা যায়নি। বাবার জানাজা ঘিরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তার অনুপস্থিতি নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে ইরান এর আগেই জানিয়েছিল, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি রাষ্ট্রীয় এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খামেনির তিন ছেলে— মোস্তাফা, মেইসাম ও মাসউদ খামেনি তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশ নিচ্ছেন। তবে উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার আলি খামেনির জানাজায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিরা।
জানাজার সময় খামেনির ছেলে মাসুদ খামেনিকে কান্না করতে দেখা যায়। তিনি বারবার তার কেফিয়েহ (চেক নকশার ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ) দিয়ে চোখের পানি মুছছিলেন। কেফিয়েহ ইরানে বিপ্লবী আদর্শ ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। একজন ইমাম জানাজার দোয়া পাঠ করার সময় পুরো পরিবেশ শোকাবহ হয়ে ওঠে।
এর আগে শনিবারও জনসমক্ষে আসেননি মোজতবা। এখন পর্যন্ত তার কোনো সাম্প্রতিক ছবি বা ভিডিওও প্রকাশ করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ। মূলত বাবার প্রয়াণের পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আলি খামেনি নিহত হওয়ার সময় মোজতবাও গুরুতর আহত হন। মোজতবার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি জানান, ওই হামলায় তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যায় এবং এক বা উভয় পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। সম্ভবত এই শারীরিক অবস্থার কারণেই তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি। তবে এ বিষয়ে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

রোববারের জানাজায় শুধু আলি খামেনির কফিনই নয়, তার পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিনও রাখা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন— আলি খামেনির মেয়ে, জামাতা, পুত্রবধূ ও মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনি। সব কফিনই তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লার বিশাল প্রাঙ্গণে রাখা হয়।
এর আগে শুক্রবার কফিনগুলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভবনের ভেতরে শায়িত রাখা হয়েছিল, যেখানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। শনিবার সেগুলো কাচে আবৃত অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
ইরান সরকার আলি খামেনির শেষকৃত্যকে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করেছে। সোমবার তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকায় বিশাল শোকমিছিল হবে। মঙ্গলবার মরদেহ নেওয়া হবে ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র কুম শহরে। বুধবার বিমানে করে মরদেহ নেওয়া হবে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায়, যেখানে শিয়া মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র মাজারে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা হবে।
সবশেষে বৃহস্পতিবার আলি খামেনির মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে শোক মিছিলের পর মধ্যযুগীয় এক শিয়া ইমামের মাজারের পাশে দাফন করা হবে।
আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইরান। দেশটির সরকার একে শুধু একটি শেষকৃত্য নয়, বরং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন, ধর্মীয় আবেগ ও বিপ্লবী আদর্শের প্রদর্শনী হিসেবেও তুলে ধরছে।

আলি খামেনির জানাজা ও শোক মিছিলে আগামী কয়েক দিনে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইরান সরকার। এ জন্য দেশ জুড়ে পরিবহন, খাবার ও আবাসনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেন বিভিন্ন প্রদেশ থেকে মানুষ সহজে রাজধানী ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।
এর মধ্যে শনিবারও লাখো মানুষ তেহরানের মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ বুক চাপড়ে শোক প্রকাশ করেন।
ইরানের মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত প্রায় ৭০ লাখ যানবাহনের যাতায়াত রেকর্ড করা হয়েছে। মূলত রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতেই বিপুলসংখ্যক মানুষ গণপরিবহন ব্যবহার করেছেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, খামেনির জানাজা উপলক্ষ্যে চলমান শান্তি আলোচনা এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
চার মাস ধরে চলা যুদ্ধে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির মাধ্যমে বিরতি চলছে। ইরান সরকারের দাবি, এই সমঝোতার ফলে বিদেশে আটকে থাকা বিপুল সম্পদ ছাড় ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে বড় ধরনের স্বস্তি দেবে। তেহরান এটিকে একটি ‘সুপারপাওয়ারের বিরুদ্ধে বিজয়’ হিসেবেও বর্ণনা করছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় তার তিন ছেলে প্রকাশ্যে উপস্থিত হলেও নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ছেলে মোজতবা খামেনিকে দেখা যায়নি। বাবার জানাজা ঘিরে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তার অনুপস্থিতি নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে ইরান এর আগেই জানিয়েছিল, নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি রাষ্ট্রীয় এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন না।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, খামেনির তিন ছেলে— মোস্তাফা, মেইসাম ও মাসউদ খামেনি তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে বাবার কফিনের পাশে দাঁড়িয়ে জানাজার নামাজে অংশ নিচ্ছেন। তবে উত্তরসূরি মোজতবা খামেনির কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার আলি খামেনির জানাজায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিরা।
জানাজার সময় খামেনির ছেলে মাসুদ খামেনিকে কান্না করতে দেখা যায়। তিনি বারবার তার কেফিয়েহ (চেক নকশার ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ) দিয়ে চোখের পানি মুছছিলেন। কেফিয়েহ ইরানে বিপ্লবী আদর্শ ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। একজন ইমাম জানাজার দোয়া পাঠ করার সময় পুরো পরিবেশ শোকাবহ হয়ে ওঠে।
এর আগে শনিবারও জনসমক্ষে আসেননি মোজতবা। এখন পর্যন্ত তার কোনো সাম্প্রতিক ছবি বা ভিডিওও প্রকাশ করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ। মূলত বাবার প্রয়াণের পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আলি খামেনি নিহত হওয়ার সময় মোজতবাও গুরুতর আহত হন। মোজতবার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি জানান, ওই হামলায় তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যায় এবং এক বা উভয় পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। সম্ভবত এই শারীরিক অবস্থার কারণেই তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি। তবে এ বিষয়ে ইরান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

রোববারের জানাজায় শুধু আলি খামেনির কফিনই নয়, তার পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিনও রাখা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন— আলি খামেনির মেয়ে, জামাতা, পুত্রবধূ ও মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনি। সব কফিনই তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লার বিশাল প্রাঙ্গণে রাখা হয়।
এর আগে শুক্রবার কফিনগুলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ভবনের ভেতরে শায়িত রাখা হয়েছিল, যেখানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। শনিবার সেগুলো কাচে আবৃত অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
ইরান সরকার আলি খামেনির শেষকৃত্যকে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করেছে। সোমবার তেহরানের কেন্দ্রীয় এলাকায় বিশাল শোকমিছিল হবে। মঙ্গলবার মরদেহ নেওয়া হবে ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র কুম শহরে। বুধবার বিমানে করে মরদেহ নেওয়া হবে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায়, যেখানে শিয়া মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র মাজারে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা হবে।
সবশেষে বৃহস্পতিবার আলি খামেনির মরদেহ আবার ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে শোক মিছিলের পর মধ্যযুগীয় এক শিয়া ইমামের মাজারের পাশে দাফন করা হবে।
আলি খামেনির জানাজা ও দাফন ঘিরে সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইরান। দেশটির সরকার একে শুধু একটি শেষকৃত্য নয়, বরং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন, ধর্মীয় আবেগ ও বিপ্লবী আদর্শের প্রদর্শনী হিসেবেও তুলে ধরছে।

আলি খামেনির জানাজা ও শোক মিছিলে আগামী কয়েক দিনে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইরান সরকার। এ জন্য দেশ জুড়ে পরিবহন, খাবার ও আবাসনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেন বিভিন্ন প্রদেশ থেকে মানুষ সহজে রাজধানী ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।
এর মধ্যে শনিবারও লাখো মানুষ তেহরানের মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ বুক চাপড়ে শোক প্রকাশ করেন।
ইরানের মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত প্রায় ৭০ লাখ যানবাহনের যাতায়াত রেকর্ড করা হয়েছে। মূলত রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অনুষ্ঠিত শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতেই বিপুলসংখ্যক মানুষ গণপরিবহন ব্যবহার করেছেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, খামেনির জানাজা উপলক্ষ্যে চলমান শান্তি আলোচনা এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
চার মাস ধরে চলা যুদ্ধে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির মাধ্যমে বিরতি চলছে। ইরান সরকারের দাবি, এই সমঝোতার ফলে বিদেশে আটকে থাকা বিপুল সম্পদ ছাড় ও নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে বড় ধরনের স্বস্তি দেবে। তেহরান এটিকে একটি ‘সুপারপাওয়ারের বিরুদ্ধে বিজয়’ হিসেবেও বর্ণনা করছে।

যুদ্ধের ক্ষত ও শোকের আবহের মধ্যেই শনিবার রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত এ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুধু শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং যুদ্ধ-পরবর্তী ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বের প্রতি জনসমর্থন প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক দৃঢ়তার বার্তা দেওয়ার বড় মঞ্চে পরিণত হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
তীব্র তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনের বিভিন্ন আয়োজনে অন্তত ৪৪ জন অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। অতিরিক্ত গরমে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী ‘ফোর্থ অব জুলাই’ কুচকাওয়াজ (প্যারেড) শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর প্রধান কমান্ডার বলেছেন, ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শহিদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পথ অনুসরণ অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে।’ একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ঐশী প্রতিশোধ’ আসন্ন।
১ দিন আগে
ইরানের জনগণের পক্ষ থেকে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শত্রুদের ওপর ‘ক্রোধের বজ্রাঘাত’ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি।
১ দিন আগে