
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার একটি খসড়ায় ইরান বিস্তৃত শর্ত ও প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করেছে। দেশটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খসড়া অনুযায়ী তেহরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকে পাতলা (ডাইলিউট) করতে সম্মত হয়েছে।
ইরানি এক কর্মকর্তার বরাতে রোববার (১৪ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ফের চালু, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরের ওপর থাকা নৌ অবরোধ তুলে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এ প্রক্রিয় সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন।
খসড়ার অর্থনৈতিক অংশে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না। চুক্তি সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলো ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কথাও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের জব্দ হওয়া সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে নগদ অর্থ, আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত আছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের জব্দ হওয়া সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টিবিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে নগদ অর্থ, আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত আছে। আছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা ৬০ দিনের আলোচনায় চূড়ান্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে পারমাণবিক বিষয়ে ইরান প্রতিশ্রুতি দেবে, তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করবে না। একই সঙ্গে আলোচনার সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বৃদ্ধি না করা এবং নতুন কোনো পারমাণবিক স্থাপনা না নির্মাণের বিষয়েও অঙ্গীকার করবে।
চূড়ান্ত চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুতের পরিমাণ কমানোর বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার একটি খসড়ায় ইরান বিস্তৃত শর্ত ও প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করেছে। দেশটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খসড়া অনুযায়ী তেহরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতকে পাতলা (ডাইলিউট) করতে সম্মত হয়েছে।
ইরানি এক কর্মকর্তার বরাতে রোববার (১৪ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পারমাণবিক ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ফের চালু, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রস্তাব অনুযায়ী, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানি বন্দরের ওপর থাকা নৌ অবরোধ তুলে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এ প্রক্রিয় সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন।
খসড়ার অর্থনৈতিক অংশে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না। চুক্তি সম্পন্ন হলে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলো ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরানের তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের কথাও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের জব্দ হওয়া সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে নগদ অর্থ, আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত আছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের জব্দ হওয়া সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টিবিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে নগদ অর্থ, আঞ্চলিক আর্থিক সহযোগিতা ও ঋণ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত আছে। আছে।
প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা ৬০ দিনের আলোচনায় চূড়ান্ত করার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে পারমাণবিক বিষয়ে ইরান প্রতিশ্রুতি দেবে, তারা কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করবে না। একই সঙ্গে আলোচনার সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বৃদ্ধি না করা এবং নতুন কোনো পারমাণবিক স্থাপনা না নির্মাণের বিষয়েও অঙ্গীকার করবে।
চূড়ান্ত চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম মজুতের পরিমাণ কমানোর বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে বলে খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ায় ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তিটিকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এরপরই এই যুদ্ধবিরতির খবর এলো।
২০ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারীদের হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা সরকারি ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে হবে। আবেদনে জাহাজের সঠিক যোগাযোগ তথ্য, রুট ও সময়সূচি উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে প্রণালিতে প্রবেশ কিংবা বের
২১ ঘণ্টা আগে