
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তিন সপ্তাহও হয়নি। এর মধ্যেই কি না টেক জায়ান্ট টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টে!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইমের প্রচ্ছদ তো অন্তত সে কথাই বলছে। তাতে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে— হোয়াইট হাউজের ‘রেজল্যুট ডেস্ক’, যেখানে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন, ঠিক সেখানে বসে রয়েছেন মাস্ক। তার হাতে কফির মগ। দুই পাশে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও প্রেসিডেনশিয়াল পতাকা।
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রভাবশালী, বলা যেতে পারে সর্বোচ্চ প্রভাবশালী কর্মকর্তাই ইলন মাস্ক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তো তিনি নন। তাহলে কেন টাইমের প্রচ্ছদে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ারেই বসানো হয়েছে মাস্ককে?
টাইমের চলতি সংখ্যাটি খুললে মিলবে এর জবাব। এই সংখ্যায় মাস্ককে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে তার শিরোনাম— ‘ওয়াশিংটনকে নিয়ে ইলন মাস্কের যুদ্ধের ভেতরের খবর’ (ইনসাইড ইলন মাস্ক’স ওয়ার অন ওয়াশিংটন)।
এই প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ইলন মাস্কের প্রভাব অপরিসীম। অন্যদিকে অবস্থাদৃষ্টে এটিই প্রতীয়মান যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া মাস্ক সম্ভবত আর কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। প্রকারান্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ারটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবেই জড়িয়ে রয়েছেন মাস্ক।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউজেই প্রেসিডেন্টের জন্য বসানো রয়েছে ওই বিশেষ টেবিল ও চেয়ার। সেখানে বসেই দেশ শাসন করে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যে চেয়ারের অধিকর্তা এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইলন মাস্কের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সখ্য এখন আর নতুন কোনো খবর নয়। ট্রাম্প এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর থেকেই আলোচনায় উঠে আসেন মাস্ক। ওই সময় জানা যায়, টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সের (সাবেক টুইটার) এই মালিক ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছিলেন।
নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউজের দরজা নিজের জন্য খুলে নেন ট্রাম্প। গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয় হোয়াইট হাউজে তার দ্বিতীয় অধ্যায়। এর আগেই নিজের প্রশাসন সাজিয়ে ফেলেন। তখনই সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) নামে নতুন একটি বিভাগ খুলে তার দায়িত্ব ইলন মাস্ক দেন ট্রাম্প।
ব্যয় সংকোচনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের ছাঁটাই করার ক্ষমতা রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের সংযোজন নতুন এই বিভাগের। সব কিছু মিলিয়ে সবাই এ বিষয়ে নিঃসন্দেহ, ট্রাম্পের ওপর মাস্কের প্রভাব যে কারও চেয়ে অনেক বেশিই।
মাস্কই কি তবে ট্রাম্প প্রশাসন চালাচ্ছেন?— এমন প্রশ্নও আড়ালে-আবডালে করে থাকেন অনেকেই। এ প্রশ্ন না হলেও টাইমের প্রচ্ছদ নিয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন সাংবাদিকরা। ট্রাম্পের উত্তর ছিল আরও অনেকবারের মতোই অভিনব। তিনি বলেন, ‘টাইম ম্যাগাজিন এখনো চালু আছে? জানতাম না।’
টাইমের প্রচ্ছদে ইলন মাস্কের উপস্থিতি অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো মাস্ক স্থান পান টাইমের প্রচ্ছদে, বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকার সূত্র ধরে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে টাইমের দৃষ্টিতে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ফের উঠে আসেন প্রচ্ছদে। সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরেই ফের মাস্ক উঠে আসেন টাইমের প্রচ্ছদে। এবার টাইমের প্রতিবেনের শিরোনাম ছিল ‘নাগরিক মাস্ক: তার পরবর্তী করণীয়ের তালিকায় কী কী আছে?’

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তিন সপ্তাহও হয়নি। এর মধ্যেই কি না টেক জায়ান্ট টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক পরিণত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টে!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাময়িকী টাইমের প্রচ্ছদ তো অন্তত সে কথাই বলছে। তাতে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে— হোয়াইট হাউজের ‘রেজল্যুট ডেস্ক’, যেখানে বসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন, ঠিক সেখানে বসে রয়েছেন মাস্ক। তার হাতে কফির মগ। দুই পাশে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ও প্রেসিডেনশিয়াল পতাকা।
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রভাবশালী, বলা যেতে পারে সর্বোচ্চ প্রভাবশালী কর্মকর্তাই ইলন মাস্ক। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তো তিনি নন। তাহলে কেন টাইমের প্রচ্ছদে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ারেই বসানো হয়েছে মাস্ককে?
টাইমের চলতি সংখ্যাটি খুললে মিলবে এর জবাব। এই সংখ্যায় মাস্ককে নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে তার শিরোনাম— ‘ওয়াশিংটনকে নিয়ে ইলন মাস্কের যুদ্ধের ভেতরের খবর’ (ইনসাইড ইলন মাস্ক’স ওয়ার অন ওয়াশিংটন)।
এই প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ইলন মাস্কের প্রভাব অপরিসীম। অন্যদিকে অবস্থাদৃষ্টে এটিই প্রতীয়মান যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছাড়া মাস্ক সম্ভবত আর কারও কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। প্রকারান্তরে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চেয়ারটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবেই জড়িয়ে রয়েছেন মাস্ক।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় হোয়াইট হাউজেই প্রেসিডেন্টের জন্য বসানো রয়েছে ওই বিশেষ টেবিল ও চেয়ার। সেখানে বসেই দেশ শাসন করে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যে চেয়ারের অধিকর্তা এখন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইলন মাস্কের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সখ্য এখন আর নতুন কোনো খবর নয়। ট্রাম্প এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরুর পর থেকেই আলোচনায় উঠে আসেন মাস্ক। ওই সময় জানা যায়, টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সের (সাবেক টুইটার) এই মালিক ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছিলেন।
নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউজের দরজা নিজের জন্য খুলে নেন ট্রাম্প। গত ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয় হোয়াইট হাউজে তার দ্বিতীয় অধ্যায়। এর আগেই নিজের প্রশাসন সাজিয়ে ফেলেন। তখনই সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) নামে নতুন একটি বিভাগ খুলে তার দায়িত্ব ইলন মাস্ক দেন ট্রাম্প।
ব্যয় সংকোচনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের ছাঁটাই করার ক্ষমতা রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের সংযোজন নতুন এই বিভাগের। সব কিছু মিলিয়ে সবাই এ বিষয়ে নিঃসন্দেহ, ট্রাম্পের ওপর মাস্কের প্রভাব যে কারও চেয়ে অনেক বেশিই।
মাস্কই কি তবে ট্রাম্প প্রশাসন চালাচ্ছেন?— এমন প্রশ্নও আড়ালে-আবডালে করে থাকেন অনেকেই। এ প্রশ্ন না হলেও টাইমের প্রচ্ছদ নিয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন সাংবাদিকরা। ট্রাম্পের উত্তর ছিল আরও অনেকবারের মতোই অভিনব। তিনি বলেন, ‘টাইম ম্যাগাজিন এখনো চালু আছে? জানতাম না।’
টাইমের প্রচ্ছদে ইলন মাস্কের উপস্থিতি অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো মাস্ক স্থান পান টাইমের প্রচ্ছদে, বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিত্বের তালিকার সূত্র ধরে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে টাইমের দৃষ্টিতে ‘পারসন অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ফের উঠে আসেন প্রচ্ছদে। সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরেই ফের মাস্ক উঠে আসেন টাইমের প্রচ্ছদে। এবার টাইমের প্রতিবেনের শিরোনাম ছিল ‘নাগরিক মাস্ক: তার পরবর্তী করণীয়ের তালিকায় কী কী আছে?’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার অবশেষে পদত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন। আসছে শরতেই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন বলে জানিয়েছেন। এ নিয়ে গত ১০ বছরে ষষ্ঠ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ শেষ করার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন স্টারমার।
২০ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশের ফুটবলার, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক আলোচক— সবাই মিলে ইরানি জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত আছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে ইরান নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করার পর তিনি এমন মন্তব্য করলেন।
১ দিন আগে
মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তানের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপে (কর্মপরিকল্পনা) সম্মত হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে কাতারের
১ দিন আগে
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে মহাদেশটিতে তাপপ্রবাহজনিত কারণে দুই লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে