
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর কলম্বিয়ার দিকে নজর পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো কলম্বিয়াও দেশ হিসেবে খুব একটা ভালো চলছে না।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্য গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জবাব দিতে ভোলেননি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আসুন, আমাকে ধরে নিয়ে যান। আমি এখানেই (কলম্বিয়া) আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে পেত্রো এমন মন্তব্য করেছেন। এ সময় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘কাপুরুষ’ বলেও অভিহিত করেছেন।
কলম্বিয়ার উদ্দেশে ট্রাম্পের দেওয়া হুঁশিয়ারির জবাবে পেত্রো বলেন, ওরা (মার্কিন সামরিক বাহিনী) যদি বোমা মারে, তার জবাব দিতে আমাদের হাজার হাজার কৃষক গেরিলা বাহিনীতে পরিণত হবে। আর যদি তারা (কলম্বিয়ার) প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যেতে চায়, যাকে তার দেশের মানুষ সম্মান করে ও ভালোবাসে, তাহলে তারা দেশবাসীর মধ্যেকার জাগুয়ারকেই জাগিয়ে তুলবে।
দীর্ঘ সময় ধরে বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গেরিলা আন্দোলনের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। ট্রাম্পকে জবাব দিতে গিয়ে সে অতীতের কথাও টেনে এনেছেন তিনি। বলেছেন, ‘শপথ করেছিলাম, আর কখনো অস্ত্র হাতে নেব না। কিন্তু দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই শপথ ভেঙে আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নিতে দ্বিধা করব না।’
এর আগে শনিবার ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালানোর পর রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, কলম্বিয়া পরিচালনা করছে একজন অসুস্থ মানুষ (পেত্রো), যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন বিক্রি করেন। কলম্বিয়া খুবই রুগ্ণ। সে বেশি দিন এমনটা করতে পারবে না।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার এ সময়ে ট্রাম্প এমনও বলেন, এমনকি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাবও তার কাছে এখন বেশ ভালো মনে হচ্ছে।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে হালকাভাবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। ভেনেজুয়েলায় যেভাবে ট্রাম্প নজিরবিহীন আগ্রাসন দেখিয়েছেন, তাতে আর কোনোকিছুকেই উড়িয়ে দেওয়ার পক্ষপাতী না তারা। কলম্বিয়াকেও তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর মতো কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অবশ্য ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাব দিয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, কলম্বিয়া সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগকে তারা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে করে না।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের বিরোধিতা করে লাতিন আমেরিকার যে পাঁচ দেশ কড়া বিবৃতি দিয়েছিল, তার মধ্যেও রয়েছে কলম্বিয়া। ব্রাজিল, চিলি, মেক্সিকো ও উরুগুয়ের সঙ্গে কলম্বিয়াও নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করে।
যৌথ বিবৃতিতে এই পাঁচ দেশ সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতার কথা জানায়। বিদেশি শক্তির হাতে প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে গভীর উদ্বেগও জানায় দেশগুলো।

নজিরবিহীন সামরিক অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর কলম্বিয়ার দিকে নজর পড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার মতো কলম্বিয়াও দেশ হিসেবে খুব একটা ভালো চলছে না।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্য গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জবাব দিতে ভোলেননি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো। তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘আসুন, আমাকে ধরে নিয়ে যান। আমি এখানেই (কলম্বিয়া) আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।’
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে পেত্রো এমন মন্তব্য করেছেন। এ সময় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘কাপুরুষ’ বলেও অভিহিত করেছেন।
কলম্বিয়ার উদ্দেশে ট্রাম্পের দেওয়া হুঁশিয়ারির জবাবে পেত্রো বলেন, ওরা (মার্কিন সামরিক বাহিনী) যদি বোমা মারে, তার জবাব দিতে আমাদের হাজার হাজার কৃষক গেরিলা বাহিনীতে পরিণত হবে। আর যদি তারা (কলম্বিয়ার) প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যেতে চায়, যাকে তার দেশের মানুষ সম্মান করে ও ভালোবাসে, তাহলে তারা দেশবাসীর মধ্যেকার জাগুয়ারকেই জাগিয়ে তুলবে।
দীর্ঘ সময় ধরে বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গেরিলা আন্দোলনের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। ট্রাম্পকে জবাব দিতে গিয়ে সে অতীতের কথাও টেনে এনেছেন তিনি। বলেছেন, ‘শপথ করেছিলাম, আর কখনো অস্ত্র হাতে নেব না। কিন্তু দেশের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই শপথ ভেঙে আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নিতে দ্বিধা করব না।’
এর আগে শনিবার ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালানোর পর রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, কলম্বিয়া পরিচালনা করছে একজন অসুস্থ মানুষ (পেত্রো), যিনি যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন বিক্রি করেন। কলম্বিয়া খুবই রুগ্ণ। সে বেশি দিন এমনটা করতে পারবে না।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতার এ সময়ে ট্রাম্প এমনও বলেন, এমনকি কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তাবও তার কাছে এখন বেশ ভালো মনে হচ্ছে।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে হালকাভাবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। ভেনেজুয়েলায় যেভাবে ট্রাম্প নজিরবিহীন আগ্রাসন দেখিয়েছেন, তাতে আর কোনোকিছুকেই উড়িয়ে দেওয়ার পক্ষপাতী না তারা। কলম্বিয়াকেও তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর মতো কলম্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অবশ্য ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাব দিয়েছে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, কলম্বিয়া সংলাপ, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। তবে রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে হুমকি বা শক্তি প্রয়োগকে তারা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে করে না।
এ ছাড়া ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের বিরোধিতা করে লাতিন আমেরিকার যে পাঁচ দেশ কড়া বিবৃতি দিয়েছিল, তার মধ্যেও রয়েছে কলম্বিয়া। ব্রাজিল, চিলি, মেক্সিকো ও উরুগুয়ের সঙ্গে কলম্বিয়াও নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করে।
যৌথ বিবৃতিতে এই পাঁচ দেশ সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতার কথা জানায়। বিদেশি শক্তির হাতে প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে গভীর উদ্বেগও জানায় দেশগুলো।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
২১ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১ দিন আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে