
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রক্তক্ষয়ী সংঘাতের এক বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং শীর্ষ নেতারা দাবি করেছেন, এক বছরের ব্যবধানে দুটি বড় হামলার পরও ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙতে পারেনি ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।
গত বছরের ১২ দিনের সেই সংঘাতের স্মৃতি স্মরণে দেশজুড়ে আয়োজিত স্মরণসভা থেকে নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশের স্বার্থে যেকোনো ত্যাগের জন্য ইরানি জনগণ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
গেল বছরের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনার মাঝেই, তেহরানে অতর্কিত বিমান হামলা চালায় তেল আবিব। পরে হামলায় যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রও। পাল্টা জবাবে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় আইআরজিসি। পরে ১২ দিনের সংঘাত শেষ যুদ্ধের বন্ধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
তবে গেল বছরের যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় প্রাণ হারান দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরি, আরআরজিসি’র সর্বাধিনায়ক হোসেইন সালামিসহ এক হাজারেরও বেশি ইরানি। ধ্বংস হয় বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা।
রক্তক্ষয়ী সেই সংঘাতের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহতদের স্মরণ করে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্মরণসভা। এসব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ নেতাদের দাবি, হামলার পরও তেহরানের মনোবল ভাঙ্গতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইল।
এছাড়া শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সংঘাতের পরও পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাতিলসহ যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্তের কাছে মাথা নত করেনি তেহরান। এমনকি দু’টি রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইসলামি প্রজাতন্ত্র শক্ত অবস্থানে আছেন বলে দাবি করেন আরাঘচি।
আর ইরানের প্রধান বিচারপতি জানান, এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে দু’টি রক্তক্ষয়ী হামলার পরও ইরানের ধর্মীয় আদর্শ ও অনুশীলন বুঝতে পারেনি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র। দেশের জন্য যেকোনো ত্যাগ হাসিমুখে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ইরানের নাগরিকরা। এছাড়া গেল বছর পাল্টা হামলার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের দম্ভ ইরান ভেঙ্গে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন আইআরজিসি’র এক শীর্ষ কমান্ডার।
রাজনীতি/এসআর

রক্তক্ষয়ী সংঘাতের এক বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং শীর্ষ নেতারা দাবি করেছেন, এক বছরের ব্যবধানে দুটি বড় হামলার পরও ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙতে পারেনি ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।
গত বছরের ১২ দিনের সেই সংঘাতের স্মৃতি স্মরণে দেশজুড়ে আয়োজিত স্মরণসভা থেকে নেতারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশের স্বার্থে যেকোনো ত্যাগের জন্য ইরানি জনগণ সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
গেল বছরের ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনার মাঝেই, তেহরানে অতর্কিত বিমান হামলা চালায় তেল আবিব। পরে হামলায় যুক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রও। পাল্টা জবাবে ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় আইআরজিসি। পরে ১২ দিনের সংঘাত শেষ যুদ্ধের বন্ধের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
তবে গেল বছরের যুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় প্রাণ হারান দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরি, আরআরজিসি’র সর্বাধিনায়ক হোসেইন সালামিসহ এক হাজারেরও বেশি ইরানি। ধ্বংস হয় বহু সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা।
রক্তক্ষয়ী সেই সংঘাতের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে নিহতদের স্মরণ করে তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্মরণসভা। এসব অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ নেতাদের দাবি, হামলার পরও তেহরানের মনোবল ভাঙ্গতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইল।
এছাড়া শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সংঘাতের পরও পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাতিলসহ যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্তের কাছে মাথা নত করেনি তেহরান। এমনকি দু’টি রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরও ইসলামি প্রজাতন্ত্র শক্ত অবস্থানে আছেন বলে দাবি করেন আরাঘচি।
আর ইরানের প্রধান বিচারপতি জানান, এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে দু’টি রক্তক্ষয়ী হামলার পরও ইরানের ধর্মীয় আদর্শ ও অনুশীলন বুঝতে পারেনি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র। দেশের জন্য যেকোনো ত্যাগ হাসিমুখে বরণ করে নিতে প্রস্তুত ইরানের নাগরিকরা। এছাড়া গেল বছর পাল্টা হামলার মাধ্যমে শত্রুপক্ষের দম্ভ ইরান ভেঙ্গে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন আইআরজিসি’র এক শীর্ষ কমান্ডার।
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে